ভোটের আগে নতুন বই পাবে না মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীরা
মোঃ নাজমুল হুদা
প্রকাশিত: ২৬ অক্টোবর ২০২৫
বছরজুড়ে প্রস্তুতি নেওয়ার পরও সময়মতো শিক্ষার্থীদের হাতে পাঠ্যবই তুলে দেওয়া নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রায় ৩০ কোটি পাঠ্যবই ছাপা হবে, যার মধ্যে মাধ্যমিকের বই ১৮ কোটি। অথচ মাধ্যমিকের বই এখনো ছাপানোই শুরু হয়নি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মাত্র মিলেছে ক্রয়াদেশ। এখন ছাপাখানার সঙ্গে চুক্তি করা হবে, যাতে সময় লাগবে অন্তত ২৮ দিন। এরপর শুরু হবে ছাপার কাজ। চুক্তি অনুযায়ী—বই ছাপাতেও কমপক্ষে ৭০ দিন সময় পাবেন ছাপাখানা মালিকরা।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে ছাপাখানাগুলোতে বাড়তি চাপ পড়বে। ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে শ্রমিক পাওয়া দুষ্কর হবে। এতে জাতীয় নির্বাচনের আগে পাঠ্যবই ছাপা, বাঁধাই ও বিতরণ সময়মতো সম্ভব হবে না। ফলে কোনোভাবেই ভোটের আগে মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের হাতে পাঠ্যবই তুলে দেওয়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।
মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দিতে আগামী বছরের এপ্রিল পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে বলে মনে করেন খোদ জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) কর্মকর্তারা। তারা বলছেন, পাঠ্যবই ছাপায় এমন বিলম্বে এবার এনসিটিবির কোনো দায় নেই। শিক্ষা মন্ত্রণালয় কোনো কারণ ছাড়াই মাধ্যমিকের ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির বইয়ের ক্রয়াদেশে অনুমোদন না দিয়ে প্রথম দফার টেন্ডার বাতিল করেছে। এ কারণেই জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে।
ছয় মাস আগে কাজ শুরু করেও পিছিয়ে এনসিটিবি
বছরের শুরুতে শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যের পাঠ্যবই তুলে দিতে গত এপ্রিল মাসে কাজ শুরু করে এনসিটিবি। জুন-জুলাইয়ে টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। লক্ষ্য ছিল নভেম্বরের মধ্যে ছাপা শেষ করে ডিসেম্বরে সব উপজেলায় পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়া। তবে সেপ্টেম্বরের দিকে সে লক্ষ্যে ছেদ পড়ে। সরকারের ক্রয়-সংক্রান্ত কমিটি ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ের ক্রয়াদেশে অনুমোদন না দেওয়ায় টেন্ডার বাতিল হয়ে যায়। পুনরায় টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ক্রয়াদেশ পেতে সময় লেগেছে বাড়তি আড়াই মাস। পাশাপাশি নবম শ্রেণির প্রায় ছয় কোটি বই ছাপার ক্রয়াদেশের অনুমোদন দিতেও দীর্ঘদিন ঝুলিয়ে রাখা হয়। এতে পাঠ্যবই ছাপায় পিছিয়ে পড়ে এনসিটিবি।
পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, পাঠ্যবই ছাপা-বিতরণ ঘিরে বিগত ১৫ বছরে শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। তাদের জনবল ও সক্ষমতা বেশি। তাদের এড়িয়ে যথাসময়ে বই ছাপার কাজ শেষ করাটাও কষ্টসাধ্য। অন্তর্বর্তী সরকার এ সিন্ডিকেট ভাঙতে তিন শ্রেণির ১২ কোটি ৬১ লাখেরও বেশি পাঠ্যবইয়ের টেন্ডার বাতিল করে।
সরকারের পরিকল্পনা ছিল—আন্তর্জাতিক টেন্ডারের মাধ্যমে বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে কাজ দিয়ে সিন্ডিকেট ভাঙা অথবা নিয়ন্ত্রণে আনা। শেষ পর্যন্ত তাতে ব্যর্থ হয়ে আবারও দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সুযোগ রেখে পুনরায় টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। ঘুরেফিরে সেই সিন্ডিকেটই বই ছাপার কাজ বাগিয়ে নিয়েছে। অথচ তাদের এড়াতে বই ছাপা-বিতরণ কাজই পিছিয়েছে। অবস্থা বিবেচনায় মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের হাতে যে বই দেরিতে পৌঁছাবে এটা মোটামুটি নিশ্চিত।
এনসিটিবির একজন সদস্য নাম প্রকাশ না করে জাগো নিউজকে বলেন, ‘যে দুই বা তিনটি প্রেসে বই ছাপানো নিয়ে অভিযোগ ওঠায় টেন্ডার বাতিল করা হয়েছিল, এবারও তারাই বই ছাপার কাজ পেয়েছে। কোনো পরিবর্তন হয়নি। অযথা শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ক্রয়-সংক্রান্ত কমিটি কালক্ষেপণ করেছে। এখন বই ছাপার কাজ নির্বাচনের আগে শেষ করা যাবে না। সব দায় এসে বর্তাবে এনসিটিবির ওপর।’
প্রাথমিক-ইবতেদায়ির বই ছাপা শেষ হবে নভেম্বরে
মাধ্যমিকের ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম ও নবম শ্রেণির পাঠ্যবই ছাপা ঝুলে থাকলেও এগিয়েছে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ির বই ছাপার কাজ। এ বছর প্রাথমিকের প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ছাপা হবে ৮ কোটি ৬৯ লাখ ২৫ হাজার ৩৮৯ কপি। এর মধ্যে প্রায় আড়াই কোটির বেশি বই ছাপার কাজ শেষ।
নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে প্রাথমিকের সব বই ছাপা হয়ে যাবে। উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া হবে ডিসেম্বরে। ফলে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা জানুয়ারির ১ তারিখ সব বই হাতে পেয়ে যাবে বলে জানিয়েছে এনসিটিবি।
ভোটের আগে নতুন বই পাবে না মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীরা
প্রাথমিকের বই ছাপা ও বিতরণের কাজ দেখভাল করেন এনসিটিবির উৎপাদক নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক আবু নাসের টুকু। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘প্রাথমিকের বই নিয়ে কোনো ঝামেলা নেই। যথাসময়ে আমরা শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌঁছে দেবো।’
কত শতাংশ বই ছাপা ও সরবরাহ করা হয়েছে এমন প্রশ্নে আবু নাসের টুকু জানান, ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত পিডিআই (প্রিন্টিং, ডেলিভারি, ইন্সপেকশন) হয়েছে দুই কোটি ৩৪ লাখ ৭৬ হাজার ৭৩৫ কপি বই। এর মধ্যে দুই কোটি চার লাখ ৭০ হাজার ৬৯০ কপি বই উপজেলা পর্যায়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, পিডিআই হয়েছে ২৭ দশমিক ৩২ শতাংশ বই এবং সরবরাহ করা হয়েছে ২৩ দশমিক ৮২ শতাংশ।’
মাদরাসার ইবতেদায়ির (প্রথম-পঞ্চম শ্রেণি) বই ছাপা ও বিতরণের কাজ দেখাশোনা করে বিতরণ নিয়ন্ত্রক শাখা। ওই শাখা সূত্র জানায়, ইবতেদায়িতে এবার মোট বই লাগবে তিন কোটি ১১ লাখ ১৯ হাজার ৩৪৭ কপি। এর মধ্যে প্রায় ১২-১৫ শতাংশ বই ছাপার কাজ শেষ। এখন পুরোদমে ছাপা চলছে। ফলে নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে ইবতেদায়ির বইও ছাপা শেষ হবে।
ষষ্ঠ-সপ্তম-অষ্টম-নবমের বই নিয়ে বিপাকে এনসিটিবি
২০২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য মাধ্যমিক, দাখিল ও কারিগরির ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ১২ কোটি ৫৪ লাখ ৭৫ হাজার ৯৭১ কপি বই ছাপা হবে। এর মধ্যে ষষ্ঠ শ্রেণির বইয়ের সংখ্যা চার কোটি ৪৩ লাখ ১৭ হাজার ৫০৯ কপি, সপ্তম শ্রেণিতে চার কোটি ১৫ লাখ ৮৪ হাজার ৬৯২ কপি এবং অষ্টম শ্রেণিতে চার কোটি দুই লাখ ৩৪ হাজার ৬৯৮ কপি।
টেন্ডার বাতিল হওয়ায় পুনরায় টেন্ডার দিয়ে কাজ শুরু করতে দেরি হয়েছে। তবে এখনো সময় আছে। আশা করছি, জানুয়ারির মধ্যেই সব বই শিক্ষার্থীরা পেয়ে যাবে।-এনসিটিবির চেয়ারম্যান (রুটিন দায়িত্ব) অধ্যাপক রবিউল কবির চৌধুরী
এ তিন শ্রেণির বই ছাপাতে ব্যয় হবে প্রায় ৪৪৪ কোটি ৮১ লাখ টাকা। গত ২২ অক্টোবর সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে এসব বইয়ের ক্রয়াদেশের অনুমোদন দেওয়া হয়। নবম-দশম শ্রেণির জন্য ছাপা হবে ৫ কোটি ৫৪ লাখ ৯০ হাজার ৮৬৯টি বই। এতে ব্যয় হবে ৪৭৯ কোটি ৮২ লাখ ৪৪ হাজার ৯২৭ টাকা। গত ১৪ অক্টোবর অনুমোদিত হয় নবম-দশমের বইয়ের ক্রয়াদেশ।
এনসিটিবির কর্মকর্তারা জানান, টেন্ডারের শর্ত অনুযায়ী—এখন ছাপাখানার মালিকদের সঙ্গে চুক্তি করা হবে। এজন্য তাদের ২৮ দিন সময় দেওয়া হবে। অর্থাৎ, ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির বই ছাপানোর চুক্তির কাজ শেষ হবে আগামী ২০ নভেম্বর। আর নবম-দশমের বইয়ের চুক্তির কাজ শেষ হবে ১২ নভেম্বর। চুক্তির পর প্রতিটি ছাপাখানা তার কাজ শেষ করতে ৭০ দিন সময় পাবে। অর্থাৎ চুক্তি অনুযায়ী—বই পেতে জানুয়ারি মাস পেরিয়ে যাবে।
এনসিটিবির একজন সদস্য নাম প্রকাশ না করে জাগো নিউজকে বলেন, ‘বই ছাপাতেই যদি জানুয়ারির শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগে, তাহলে তা প্রত্যন্ত উপজেলা পর্যায়ে পাঠাতে আরও বেশি সময় লাগবে। তাছাড়া সেসময় নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণাসহ নানা ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে। সে কারণে নির্বাচনের আগে মাধ্যমিকের অধিকাংশ শিক্ষার্থীই বই হাতে পাবে বলে আমরা মনে করছি না।’
বাংলাদেশ মুদ্রণ শিল্প সমিতির দুজন নেতাও একই কথা জানিয়েছেন। তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জাগো নিউজকে জানান, নোয়া, চুক্তিসহ নানা প্রক্রিয়া শেষ করে কাজ শুরু করতেই নভেম্বর পেরিয়ে যাবে। ডিসেম্বরে নির্বাচনের তোড়জোড় শুরু হলে মুদ্রণ ও বাঁধাইয়ের শ্রমিক পেতে বেগ পোহাতে হবে। ফলে বই ছাপিয়ে নির্বাচনের আগে দেওয়াটা তাদের জন্য কষ্টসাধ্য।
তবে ডিসেম্বরের মধ্যেই সব বই ছাপা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক রবিউল কবির চৌধুরী। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘টেন্ডার বাতিল হওয়ায় পুনরায় টেন্ডার দিয়ে কাজ শুরু করতে দেরি হয়েছে। তবে এখনো সময় আছে। আশা করছি, জানুয়ারির মধ্যেই সব বই শিক্ষার্থীরা পেয়ে যাবে।’
মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা ‘চেয়ারম্যানশূন্যতা’
কারিকুলাম যুগোপযোগী, পাণ্ডুলিপি তৈরি, পাঠ্য নির্ধারণ, পাঠ্যবই ছাপানোসহ গুরুত্বপূর্ণ নানান কাজে ব্যস্ত থাকেন জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) কর্মকর্তারা। এ প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে রাত-দিন এক করে কাজ করতে হয়। অথচ গত ২৭ মার্চ থেকে চেয়ারম্যান পদটি শূন্য। রুটিন দায়িত্ব নিয়ে এনসিটিবির কার্যক্রম পরিচালনা করছেন মাধ্যমিক শিক্ষাক্রম শাখার সদস্য অধ্যাপক রবিউল কবির চৌধুরী। একই সঙ্গে তিনি প্রাথমিকের শিক্ষাক্রমের সদস্যের দায়িত্বেও রয়েছেন। অর্থাৎ, একাই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদ সামলাচ্ছেন।
একই তিন পদ সামলানো অধ্যাপক রবিউলও আগামী ৭ নভেম্বর অবসরে যাচ্ছেন। তার চাকরির মেয়াদকাল শেষ। পাঠ্যবই ছাপানোর ভরা মৌসুমে চেয়ারম্যান পদে এ শূন্যতা এনসিটিবির জন্য মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা হিসেবে দেখা দিয়েছে বলে মনে করেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা।
এনসিটিবির দুজন সদস্য বলেন, এক বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রাথমিকের সদস্য পদ ফাঁকা। মাধ্যমিকের দায়িত্বে রবিউল কবির চৌধুরী থাকলেও তিনি কোনো কাজ করার সুযোগ পান না। কারণ তিনি চেয়ারম্যানের রুটিন দায়িত্বে। এভাবে জনগুরুত্বপূর্ণ একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান চলতে পারে না। রুটিন দায়িত্বে থাকা রবিউল কবির চৌধুরীও অবসরে চলে যাবেন। এখন শোনা যাচ্ছে, তাকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়ে চেয়ারম্যান পদে রাখা হবে। তিনি নিজেও তদবির করে বেড়াচ্ছেন। এটা করলে এনসিটিবি আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
জানতে চাইলে এনসিটিবির চেয়ারম্যান (রুটিন দায়িত্ব) অধ্যাপক রবিউল কবির চৌধুরী বলেন, ‘সবাইকেই তো চাকরির মেয়াদ শেষে চলে যেতে হবে। আমাকেও যেতে হবে। আমার জায়গায় অন্য কেউ দায়িত্বে আসবেন। তিনি দেখভাল করবেন।’
চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে তিনি এ পদে থেকে যেতে তৎপরতা চালাচ্ছেন—এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি কোনো তদবির করছি না। সরকার যদি মনে করে আমাকে আরও কয়েক মাস রাখা দরকার, তাহলে থাকবো। সরকার চলে যেতে বললে চলে যাবো।’
- কালীগঞ্জে চাঞ্চল্যকর ইলিয়াস হত্যা মামলার আসামী আটক।
- জবিতে মন্দির স্থাপনের দাবিতে জবি ছাত্রদলের সংহতি
- শেষ মুহূর্তেও থামছে না বিদ্রোহীরা, নতুন কৌশল নিচ্ছে বিএনপি
- দেড় বছরে এক কোটি যুবকের কর্মসংস্থানের ব্যাবস্থা করার প্রতিশ্রুতি
- এপস্টেইন নথিতে বিল গেটসের নাম: মেলিন্ডা কি বললেন?
- লিবিয়ায় বাড়ির ভেতরে খুন হলেন গাদ্দাফির ছেলে সাইফ আল–ইসলাম
- এপস্টাইন ফাইল: ব্ল্যাকমেইল, ক্ষমতা এবং ভূ-রাজনীতির গোপন অস্ত্র
- মতামত জরিপ: আওয়ামী লীগের ভোটারদের ৪৮% ভোট এবার যাবে বিএনপিতে
- এআই চ্যাটবটের পরামর্শ প্রশ্ন ছাড়াই মানছেন ব্যবহারকারীরা
- এমসিসির নতুন আইনে শেষ ওভার ও বানি হপ ক্যাচে বড় বদল
- বাড়ল রুপার দাম, ভরিতে কত?
- ভুক্তভোগীদের পরিচয় ফাঁসের অভিযোগে এপস্টেইনের হাজারো নথি সরাল ডিওজ
- আজ বরিশাল ও ফরিদপুরে যাচ্ছেন তারেক রহমান
- শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত
- জামায়াত আমিরের এক্স হ্যাক: বঙ্গভবন কর্মকর্তা আটক
- ক্রিকেটের রাজনীতি: মোস্তাফিজের ৯ কোটি গেছে, আইসিসির ৬ হাজার কোটি
- এলপিজি সংকট শিগগির কাটছে না, আমদানি কমেছে ২১ হাজার টন
- জবিতে কেন্দ্রীয় মন্দিরের দাবিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি
- এস আলমের মামলা লড়তে সরকারের ব্যয় ঘণ্টায় দেড় লাখ টাকা
- ফেব্রুয়ারির প্রথম দুই দিনে রেমিট্যান্স ৩২ কোটি ৬০ লাখ ডলার
- সাফিকুর রহমানের স্থলে বিমানের নতুন এমডি ড. হুমায়রা সুলতানা
- নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র রুখতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান মিন্টুর
- এআই চ্যাটবট গ্রকের বিরুদ্ধে নারী-শিশুর অশ্লীল ছবি তৈরির তদন্ত শুর
- প্রতিবন্ধীদের অংশগ্রহণ ছাড়া টেকসই দেশ গড়া সম্ভব নয়: জাইমা রহমান
- মোবাইল কেনাবেচায় ডি-রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক, সতর্ক করল বিটিআরসি
- বেসরকারি ইপিজেডগুলো এখন থেকে বেজার অধীনে পরিচালিত হবে
- ৯ ফেব্রুয়ারি বিটিভিতে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান
- সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে ব্যর্থ হলে আবার বিপদে পড়ব: মির্জা ফখরুল
- চট্টগ্রাম বন্দরে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি
- ৬ ঘণ্টারও কম সময়ে সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ১০,৯০৬ টাকা
- ১২ তারিখ ভোট বানচালের চেষ্টা করবে একটি শক্তি: নাহিদ ইসলাম
- ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি: দুই দিন পর, কঠোর নিরাপত্তা
- জমে উঠেছে কুমিল্লা -২ এ নির্বাচনী প্রচারণা
- আগামীকাল লাকসাম স্টেডিয়ামে জামায়াতে ইসলামীর বিশাল জনসভা
- নওগাঁ-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী শামসুজ্জোহা খানের পক্ষে প্রচারণ
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম ১২ শতাংশ কমল, ডলারের শক্তিতে ধস
- অন্যের ভোটে হাত না দিতে সতর্ক করেছেন জামায়াত আমির
- লাকসাম গাজীমুড়া এলাকায় দাঁড়িপাল্লার ব্যানার ভাঙচুর
- ধানের শীষে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচনী মাঠ ছাড়লেন সামিরা আজিম দোলা
- বৃহত্তর লাকসাম ফাউন্ডেশন ইউএসএ ইনক-এর সভাপতি হলেন নূরে আলম
- জবি ইউট্যাবের নতুন ৩৫ সদস্যের কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা
- মধ্যপ্রাচ্যে তৎপরতা বাড়ালো ওয়াশিংটন, ইরানের পথে দ্বিতীয় নৌবহর
- গোবিপ্রবিতে নির্মাণাধীন মসজিদ বিতর্কে যা জানালেন উপাচার্য
- কালীগঞ্জে চাঞ্চল্যকর ইলিয়াস হত্যা মামলার আসামী আটক।
- সহকারী শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য অগ্রিম বর্ধিত বেতন সুবিধা চালু
- নির্বাচনে সাংবাদিক কার্ড ও স্টিকার ইস্যুতে ইসির নতুন সিদ্ধান্ত
- দুবাইয়ে প্রবাসীদের নিয়ে স্বাস্থ্য বিষয়ক সেমিনার
- গান ছেড়ে দেওয়ার যা কারণ জানালেন অরিজিৎ সিং
- বিদেশি ঋণ নির্ভরতা: আগামী সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ
- ভোটারের বয়স ১৬, এক কোটি কর্মসংস্থান ও চাঁদাবাজি বন্ধের প্রতিশ্রুত
- গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা না বলে পালিয়ে বাড়ি গেলেন সুমি
- সড়ক পরিবহন আইন বাস্তবসম্মত হওয়া প্রয়োজন: ফখরুল
- শিশির ভেজা পায়ে এলো হেমন্ত
- সামাজিক ব্যক্তিত্বে এগিয়ে আমেরিকা প্রবাসি আলহাজ্ব মনির আহমেদ
- শিল্পের কারিগর বাবুই পাখি
- ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় লোকোমোটিভ মাস্টার দায়ী: রেলমন্ত্রী
- দেশ টিভির ডিএমডি আরিফ হাসানের দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
- ট্যাটু আঁকার নামে মেয়েদের সঙ্গে যা করতে বাদশাহ (ভিডিও)
- মোংলা ও পায়রায় ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত, চট্টগ্রামে ৯
- মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষীর গুলিতে বাংলাদেশি নিহত
- আমার নামে অভিযোগ গুলো মিথ্যা ছিলো: আহসান হাবিব পেয়ার
- উল্লাপাড়ায় ট্রেন লাইনচ্যুত, ইঞ্জিন ও বগিতে আগুন (ভিডিও)
- শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার সততা, সাহস ও আদর্শের মূর্ত প্রতীক
- বাংলাদেশে পিঁয়াজের কেজি ১৪০ টাকা, ভারতে ৬ রুপি বা ৮ টাকা
- কোরআন অবমাননা : সেফুদার সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ
