মঙ্গলবার   ২৭ জানুয়ারি ২০২৬   মাঘ ১৪ ১৪৩২   ০৮ শা'বান ১৪৪৭

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
৩১

নবনির্বাচিত সরকারের প্রথম পদক্ষেপ হোক তামাক নিয়ন্ত্রণ

মো: সাইফুল আলম সরকার, ঢাকা

প্রকাশিত: ২৭ জানুয়ারি ২০২৬  

বাংলাদেশে তামাক ব্যবহার দীর্ঘদিন ধরেই একটি গুরুতর জনস্বাস্থ্য সংকট হিসেবে বিদ্যমান। প্রতিবছর তামাকজনিত রোগে প্রায় দুই লক্ষ মানুষ অকাল মৃত্যুবরণ করে, যা দেশের মোট মৃত্যুর উল্লেখযোগ্য অংশ। এই বাস্তবতায় জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় একটি যুগান্তকারী অগ্রগতি হিসেবে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করা হলেও সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী নবনির্বাচিত সরকারের প্রথম সংসদ অধিবেশনে এটি আইনে রূপান্তরিত না হলে অধ্যাদেশটির কার্যকারিতা লুপ্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় নবনির্বাচিত সরকারের প্রথম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশকে আইনে রূপান্তরের জোর দাবি জানিয়েছেন সেমিনারে উপস্থিত বক্তা ও অংশগ্রহণকারীরা।

 

উন্নয়ন বিকল্পের নীতিনির্ধারণী গবেষণা (উবিনীগ) ও তামাক বিরোধী নারী জোট (তাবিনাজ)-এর উদ্যোগে আজ (রবিবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২৬) ঢাকার সিরডাপ মিলনায়তনের ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হয়“তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ ২০২৫: জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় যুগান্তকারী অর্জন—পরবর্তী করণীয়” শীর্ষক সেমিনার।


সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে. চৌধুরী, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দীন, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব শেখ মোমেনা মনি, জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের মহাপরিচালক মোঃ আখতারউজ-জামান।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেন, “তামাক মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এবং এটি বিভিন্ন মাদক ব্যবহারের প্রবেশদ্বার হিসেবে কাজ করে। তিনি বলেন, তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ ২০২৫ জনস্বাস্থ্য রক্ষায় একটি বড় অর্জন এবং এই অর্জন ধরে রাখতে নবনির্বাচিত সরকারের প্রথম সংসদ অধিবেশনেই অধ্যাদেশটিকে আইনে রূপান্তর করা অত্যন্ত জরুরি।”

এই বিভাগের আরো খবর