বুধবার   ২৮ জানুয়ারি ২০২৬   মাঘ ১৫ ১৪৩২   ০৯ শা'বান ১৪৪৭

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
১৯

নেটফ্লিক্সে রোমান্টিক ঝড়: পিপল উই মিট অন ভ্যাকেশন

তরুণ কণ্ঠ অনলাইন

প্রকাশিত: ২৮ জানুয়ারি ২০২৬  

নেটফ্লিক্সের বৈশ্বিক টপ চার্টে দাপট দেখাচ্ছে একটা রোমান্টিক কমেডি – ‘পিপল উই মিট অন ভ্যাকেশন’। ৯ জানুয়ারি মুক্তির পর থেকেই এটা নাম্বার ওয়ানে উঠে এসেছিল, এখনো দুই নম্বরে টিকে আছে। লঞ্চ উইকেন্ডেই ১৭.২ মিলিয়ন ভিউ পেয়েছে, যা ২০২৬-এর শুরুতে নেটফ্লিক্সের জন্য বড় সাফল্য। থ্রিলার আর সাসপেন্সের যুগে এই ফিল্মটা যেন একটা ফ্রেশ ব্রিজ – হালকা, মিষ্টি, আর হার্টওয়ার্মিং।

 

এমিলি হেনরির ২০২১ সালের বেস্টসেলার উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত এই সিনেমা। পরিচালনা করেছেন ব্রেট হ্যালি। প্রধান চরিত্রে এমিলি ব্যাডার (পপি) আর টম ব্লাইথ (অ্যালেক্স)। পপি ফ্রি-স্পিরিটেড, অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমী – বিশ্ব ঘুরে বেড়াতে চায়। অ্যালেক্স ঠিক উল্টো – বই নিয়ে বাড়িতে বসে থাকতে পছন্দ করে। কিন্তু কলেজ থেকে শুরু হওয়া তাদের বন্ধুত্বের কারণে প্রতি গ্রীষ্মে একসপ্তাহ একসঙ্গে ভ্যাকেশনে যায়। দশ বছর ধরে চলছে এই ট্র্যাডিশন। কিন্তু একটা ট্রিপে সব বদলে যায় – বন্ধুত্ব থেকে প্রেমে রূপান্তর।

 

কেন এতটা হিট? প্রথমত, এমিলি হেনরির লেখা। তার বইগুলোতে চরিত্রগুলো খুব রিয়েল – আবেগঘন, কমপ্লেক্স, আর মজার। পপির খামখেয়ালি স্বভাব শুরুতে বিরক্তিকর লাগতে পারে, কিন্তু গল্প এগোলে বোঝা যায় কেন সে এমন। অ্যালেক্সের শান্ত, প্ল্যানড লাইফস্টাইলের পেছনে লুকানো আবেগ দেখে দর্শক হেসে ওঠে, কাঁদে। দুজনের রসায়ন অসাধারণ – প্রথম অস্বস্তিকর মিটিং থেকে শেষের হার্টফেল্ট মুহূর্ত পর্যন্ত চোখ ফেরানো যায় না।

 

সিনেমাটা ক্ল্যাসিক রোম-কমের শ্রদ্ধাঞ্জলি। চোখজুড়ানো লোকেশন – বিচ, মাউন্টেন, সিটি – সব মিলিয়ে যেন নিজেই একটা ভ্যাকেশন। কঠিন সময়ে এমন হালকা গল্প দরকার। নেটফ্লিক্সও খুশি – হেনরির আরও দুটো বই ‘হ্যাপি প্লেস’ আর ‘ফানি স্টোরি’ অ্যাডাপ্ট করছে।

রোটেন টমেটোজে ৭৫% পজিটিভ রিভিউ, আইএমডিবিতে ৬.৭/১০। কেউ বলছে “প্রেডিক্টেবল কিন্তু হার্টওয়ার্মিং”, কেউ “বুকের এসেন্স ধরে রেখেছে”। বুক লাভাররা খুশি যে অ্যাডাপটেশনটা বইয়ের স্পিরিট রেখেছে।

এই বিভাগের আরো খবর