রোববার   ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬   ফাল্গুন ৩ ১৪৩২   ২৭ শা'বান ১৪৪৭

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
২০

দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে দায়িত্বশীল ড.খন্দকার মোশাররফ হোসেন

শেখ ফরিদ উদ্দিন

প্রকাশিত: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬  

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ১৯৭৮ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর হাতে প্রতিষ্ঠিত হয়। পরের বছর ১৯৭৯ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে দলটি জাতীয় রাজনীতিতে শক্ত অবস্থান তৈরি করে। সেই সময় থেকেই দলের আদর্শ, শৃঙ্খলা ও নেতৃত্ব গঠনে তিনি যাদের পাশে পেয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।


ড. মোশাররফ হোসেন একাধারে বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষাবিদ, গবেষক ও প্রাজ্ঞ রাজনীতিবিদ। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর ভূতত্ত্ব বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। একজন অধ্যাপক হিসেবে তাঁর একাডেমিক অবদান যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি একজন রাজনৈতিক নেতা হিসেবে তাঁর অভিজ্ঞতা ও প্রজ্ঞা দল ও দেশের জন্য মূল্যবান সম্পদ। ড. মোশাররফ একজন শিক্ষক থেকে সফল রাজনীতিবিদ।

তিনি পাঁচবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং তিনবারের মন্ত্রী হিসেবে রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রী থাকাকালীন সময়ে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা (W H O)এর ১৫৬ রাষ্ট্রের ভোটে ড. মোশাররফ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে তার দায়িত্ব পালন করেন। বিএনপির স্থায়ী কমিটির প্রভাবশালী সদস্য হিসেবে তিনি  দীর্ঘদিন ধরে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আস্থা অর্জন করে তিনি দলীয় সিদ্ধান্ত ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

ড. মোশাররফ হোসেনের আরও কিছু উল্লেখযোগ্য গুণাবলি হলো—


পরিমিতভাষী ও পরিমার্জিত রাজনৈতিক আচরণ,

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গ্রহণযোগ্যতা,

প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা ও নীতিনিষ্ঠ অবস্থান,

সংকটকালে ধৈর্যশীল ও দূরদর্শী নেতৃত্ব,

দলীয় ঐক্য বজায় রাখতে সক্ষমতা,

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ব,ইসলামী মূল্য বোধ লালন,


দলীয় ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ রেখে দীর্ঘ সময় ধরে তিনি দিকনির্দেশনা দিয়ে আসছেন। ড.খন্দকার মোশাররফ হোসেনের  ব্যক্তিত্ব, অভিজ্ঞতা এবং সর্বক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্যতা বিবেচনায় অনেকেই মনে করেন, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে তিনি দায়িত্ব পালন করলে দেশ, জাতি ও দল উপকৃত হবে। সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য, অভিজ্ঞ ও পরীক্ষিত এই নেতাকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দেখতে চাওয়ার দাবি ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। তাঁর মতো অভিজ্ঞ ও প্রজ্ঞাবান ব্যক্তিত্ব জাতীয় ঐক্য, স্থিতিশীলতা এবং গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারবেন—এমনটাই প্রত্যাশা।

এই বিভাগের আরো খবর