শনিবার   ০৩ জানুয়ারি ২০২৬   পৌষ ১৯ ১৪৩২   ১৪ রজব ১৪৪৭

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
১৪২

জলঢাকায় মাদ্রাসার অধ্যক্ষকে প্রাননাশের হুমকি পাঁচ লক্ষ টাকা দাবি

নাঈম শাহ্, নীলফামারী প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২ ডিসেম্বর ২০২১  

বৃহঃস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) নীলফামারী প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন জলঢাকার পাঠান পাড়া এম ইউ আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোঃ রুহুল আমিন আজাদ।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, ‘গত ২৯ নভেম্বর সন্ধ্যা ৭ টা ২৩ মিনিটে পাঠানপাড়া কিসামত এলাকার মৃত ইজবুল আলীর ছেলে হামিদুল ইসলামের ব্যবহৃত নম্বর থেকে পাঠানপাড়া দলবাড়ি এলাকার মৃত কছির উদ্দিনের ছেলে ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর হুকুম আলী খানের ছোট ভাই আনিছুর রহমান উক্ত মাদ্রাসার অধ্যক্ষ রুহুল আমিন আজাদের মোবাইলে কল দিয়ে পাঁচ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন এবং টাকা না দিলে তাকে খুন করে লাশ গুম করার হুমকি প্রদান করেন।’
 
কেন তার কাছে ৫লক্ষ টাকা চাদা দাবি করলো সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ঠিক কি কারণে তিনি তারা আমার কাছে ৫লাখ টাকা চাদা দাবি করলো তা আমরা জানি না। দীর্ঘ নয় বছর তিনি আমার মাদ্রাসার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। আমার মনে হয় পরবর্তীতে তিনি সভাপতি নির্বাচিত না হওয়ার কারণে আমার কাছে ৫লাখ টাকা চাদা দাবি করে এবং চাদা না দিলে আমাকে হত্যা করার হুমকি প্রদান করে।

তবে এর পেছনে আরো একটি কারণ থাকতে পারে সম্প্রতি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন। বিগত নির্বাচনে তিনি আমাদের ওয়ার্ডে জয় লাভ করেন কিন্তু এবার আমাদের ওয়ার্ডে জয় লাভ করতে পারে নি। আমার প্রতিষ্ঠানের সভাপতি নির্বাচিত হতে না পারা এবং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমার জয়লাভ করতে না পারার ক্ষোভে তার ভাইয়ের মাধ্যমে আমার কাছে চাদা দাবি করছে এবং আমাকে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করেছে।’

এ ঘটনায় নিজের নিরাপত্তার জন্য ভুক্তভোগী অধ্যক্ষ মোঃ রুহুল আমিন আজাদ জলঢাকা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি ও এজাহার দায়ের করেছেন। এজাহারে উল্লেখিত অভিযুক্তরা হলেন জলঢাকার মীরগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান  হুমায়ুন কবির হুকুম আলী খান(৪৫), তার ভাই আনিছুর রহমান (৪০) ও পাঠানপাড়া এলাকার মোঃ হামিদুল ইসলাম (৪৫)। এজাহার দায়েরের ৫৪ ঘন্টা অতিক্রম করার পরও পুলিশ কোনো পদক্ষেপ নেয় নি বলে অভিযোগ করেন অধ্যক্ষ আজাদ। তিনি অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসার দাবি করেন সংবাদ সম্মেলনে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পাঠান পাড়া এম ইউ আলিম মাদ্রাসার প্রভাষক জিকরুল হক, সহকারি শিক্ষক আব্দুল আজিজ, খায়রুল আলম, হাফিজুল ইসলাম, নূর হোসেন সহ মাদ্রাসার শিক্ষকেরা, অধ্যক্ষের ছেলে আশিক ইলাহি সহ প্রেসক্লাবের বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।

এই বিভাগের আরো খবর