বুধবার   ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬   ফাল্গুন ৬ ১৪৩২   ০১ রমজান ১৪৪৭

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
১৫

শিক্ষায় ‘মোর মোর জাম্প’ দিতে হবে: এহছানুল হক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬  

তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে আজ বুধবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে প্রথম কার্যদিবস শুরু করেছেন আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পৌঁছালে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাঁকে বরণ করে নেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে নবনিযুক্ত শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজও উপস্থিত ছিলেন।

 

গতকাল মঙ্গলবার শপথ নিতে যাওয়ার সময় রাস্তার একটি ছোট প্রতিবন্ধকতা লাফিয়ে (জাম্প করে) পার হওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। সেই প্রসঙ্গে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী হাস্যরসাত্মকভাবে বলেন, শিক্ষা খাতে কেবল সাধারণ ‘হাই জাম্প’ দিলেই হবে না, দেশের প্রয়োজনে এবং শিক্ষার মান বাড়াতে এখন ‘মোর মোর জাম্প’ বা আরও বড় বড় পদক্ষেপ নিতে হবে।

 

বর্তমান শিক্ষাক্রম নিয়ে সারা দেশের মানুষের মাঝে যে আলোচনা-সমালোচনা রয়েছে, সে বিষয়ে মন্ত্রী তাঁর অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। তিনি জানান, বিদ্যমান শিক্ষাক্রমটি হুট করে পুরোপুরি পরিবর্তন করা হবে না। বরং বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গভীর বিচার-বিশ্লেষণ বা ‘রিভিউ’ করা হবে। রিভিউয়ের মাধ্যমেই ঠিক করা হবে কোন অংশগুলো রাখা হবে আর কোনগুলো সংস্কার প্রয়োজন।

 

মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে যোগ দেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। দুই প্রজন্মের এই দুই নেতা শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়নে একযোগে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন। ববি হাজ্জাজ আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষার সাথে দেশের শিক্ষার সমন্বয় ঘটানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং মন্ত্রীর নির্দেশনায় মন্ত্রণালয়কে গতিশীল করার কথা জানান।

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর গতকাল মঙ্গলবার তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভা শপথ নিয়েছে। ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীর সমন্বয়ে গঠিত এই মন্ত্রিসভায় অভিজ্ঞ নেতাদের পাশাপাশি তরুণদেরও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন ২০০১-২০০৬ মেয়াদে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আলোচিত নেতা এহছানুল হক মিলন।

 

শিক্ষা প্রশাসনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং নকলমুক্ত পরীক্ষার পরিবেশ গড়ে তোলায় মিলনের আগের মেয়াদের সাফল্য সর্বজনবিদিত। এবার পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে তিনি শিক্ষাকে আরও কর্মমুখী ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে পারবেন বলে সাধারণ মানুষ আশা করছে। আজ সন্ধ্যা থেকেই তিনি দাপ্তরিক কাজ ও ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে তাঁর পরবর্তী কর্মসূচিগুলো বিস্তারিতভাবে তুলে ধরবেন।

 

এই বিভাগের আরো খবর