সোমবার   ১৯ জানুয়ারি ২০২৬   মাঘ ৬ ১৪৩২   ৩০ রজব ১৪৪৭

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
৩২

শান্তিতে নোবেল না পাওয়ায় ‘অশান্তি’ বাড়াচ্ছেন ট্রাম্প!

তরুণকণ্ঠ অনলাইন

প্রকাশিত: ১৯ জানুয়ারি ২০২৬  

 

বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাত বন্ধে ভূমিকার দাবি তুলে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের প্রত্যাশা করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে পুরস্কার না পাওয়ায় বিষয়টি তার মধ্যে গভীর অসন্তোষ তৈরি করেছে বলে দাবি করেছে নরওয়ের গণমাধ্যম। নোবেল না পাওয়ার হতাশা থেকেই ট্রাম্পের সাম্প্রতিক কড়া অবস্থান ও বক্তব্যের ব্যাখ্যা মিলছে বলে এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

নরওয়ের দৈনিক ভিজি জানিয়েছে, নোবেল শান্তি পুরস্কার থেকে বঞ্চিত হওয়ার পর ট্রাম্পের দৃষ্টিভঙ্গিতে বড় পরিবর্তন আসে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইয়োনাস গার স্টোরকে পাঠানো এক চিঠিতে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, নোবেল না পাওয়ার পর তিনি আর কেবল শান্তির বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিতে বাধ্য বোধ করেন না।

 

চিঠিতে ট্রাম্প লেখেন, ‘আপনাদের দেশ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ৮টি যুদ্ধসহ আরও অনেক কিছু থামানোর জন্য আমাকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেবে না। এই বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আমি আর নিজেকে কেবল শান্তির জন্য ভাবতে বাধ্য মনে করি না।’

 

এরপর তিনি যুক্ত করেন, এখন তিনি যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে ‘কী ভালো এবং কী উপযুক্ত’- তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।

 

ভিজির বরাতে গার্ডিয়ান জানিয়েছে, ওই চিঠিতে গ্রিনল্যান্ড দখলের ইঙ্গিতও ছিল। ট্রাম্পের দাবি, নোবেল না পাওয়ার পর তিনি আর ‘শুধু শান্তির কথা’ ভাববেন না। নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন, চিঠিটি ট্রাম্পের পক্ষ থেকেই এসেছে। তবে এটি ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব ও তার পক্ষ থেকে ট্রাম্পকে পাঠানো একটি সংক্ষিপ্ত বার্তার জবাব হিসেবে আসে বলে জানান তিনি। চিঠিটি ঠিক কবে পাঠানো হয়েছে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু জানাননি স্টোরে।

 

এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের উত্তেজনা আরও বেড়েছে। গ্রিনল্যান্ড কেনার অনুমতি না পেলে ডেনমার্কসহ ইউরোপের একাধিক দেশের পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপের হুমকি দেন তিনি। এর জেরে রোববার ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ কূটনীতিকরা জরুরি বৈঠকে বসেন এবং পাল্টা শুল্কসহ কঠোর অর্থনৈতিক পদক্ষেপের বিষয়টি বিবেচনায় নেন।

 

স্টোরেকে লেখা চিঠিতে ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডকে রাশিয়া বা চীনের হাত থেকে ‘রক্ষা করতে সক্ষম নয়’ এবং সেখানে তাদের মালিকানার আইনি ভিত্তিও প্রশ্নবিদ্ধ। তিনি লেখেন, গ্রিনল্যান্ডের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ছাড়া বিশ্ব নিরাপদ নয়, এমনটাই তার বিশ্বাস।

এই বিভাগের আরো খবর