বৃহস্পতিবার   ২৯ জানুয়ারি ২০২৬   মাঘ ১৬ ১৪৩২   ১০ শা'বান ১৪৪৭

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
২২

শেরপুরে জামায়াত নেতা নিহতের ঘটনায় ইউএনও ও ওসি প্রত্যাহার

তরুণকণ্ঠ অনলাইন

প্রকাশিত: ২৯ জানুয়ারি ২০২৬  

সংগ্রহীত ছবি 

 

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠকে ঘিরে সংঘর্ষে জামায়াতে ইসলামীর নেতার মৃত্যুর ঘটনায় প্রশাসনিক দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ উঠেছে। এই প্রেক্ষাপটে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এবং শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

 

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, ঘটনার বিস্তারিত জানতে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটির কাছে আলাদা করে প্রতিবেদন চাওয়া হয়েছে। এসব প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে কমিশন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

 

একই সঙ্গে ইসি সচিব জানান, যেসব প্রার্থী ৮ ফেব্রুয়ারির পর আদালতের আদেশে প্রার্থিতা ফিরে পাবেন, তাদের ক্ষেত্রে মূল ভোটের সঙ্গে পোস্টাল ভোট যুক্ত করা হবে না।

 

এদিকে নির্বাচনী কার্যক্রমে গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও কমিশনে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা। বুধবার সকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তারা অভিযোগ করেন, নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহের জন্য কার্ড প্রদানে ব্যবহৃত ইসির অ্যাপটি সাংবাদিকদের জন্য ব্যবহারবান্ধব নয়।

 

সাক্ষাৎকালে সাংবাদিক নেতারা স্পষ্ট করে জানান, “আগামী রোববারের মধ্যে নির্বাচনী কার্ড সমস্যার সমাধান না করলে, ভোটের খবর সংগ্রহ করা হবে না।” তবে তাদের প্রত্যাশা, নির্বাচন কমিশন দ্রুত এ সমস্যার কার্যকর সমাধান করবে।

 

প্রসঙ্গত, বুধবার ঝিনাইগাতীতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে বসার স্থান নিয়ে বিরোধের জেরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে জামায়াতে ইসলামীর নেতা মাওলানা রেজাউল করিম নিহত হন এবং শেরপুর-৩ আসনের দুই দলের অন্তত ৩০ জন নেতাকর্মী আহত হন।

 

এই ঘটনার পর প্রশাসনিক পদক্ষেপ হিসেবে ঝিনাইগাতীর ইউএনও ও শ্রীবরদী থানার ওসিকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেয় নির্বাচন কমিশন।

এই বিভাগের আরো খবর