বৃহস্পতিবার   ২৯ জানুয়ারি ২০২৬   মাঘ ১৬ ১৪৩২   ১০ শা'বান ১৪৪৭

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
১৭

দেশে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবার্তায় তামাক কোম্পানির ব্যাপক অনিয়ম

মো: সাইফুল আলম সরকার, ঢাকা

প্রকাশিত: ২৯ জানুয়ারি ২০২৬  

 বাংলাদেশের তামাকজাত দ্রব্যের মোড়কে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী বাস্তবায়নে গুরুতর অনিয়ম ও আইন লঙ্ঘনের চিত্র উঠে এসেছে টোব্যাকো কন্ট্রোল এন্ড রিসার্চ সেল (টিসিআরসি) পরিচালিত এক গবেষণায়। গতকাল ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ টোব্যাকো কন্ট্রোল এন্ড রিসার্চ সেল (টিসিআরসি), ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এবং বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোটের যৌথ উদ্যোগে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের সম্মেলন কক্ষে “বাংলাদেশে তামাকজাত দ্রব্যের মোড়কে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কতার বাস্তবায়নের অবস্থা: গবেষণার ফলাফল প্রকাশ এবং প্রেস ব্রিফিং” শীর্ষক একটি অনুষ্ঠান গবেষণার ফলাফল তুলে ধরা হয়। 

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রাক্তন ন্যাশনাল প্রফেশনাল অফিসার ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডাঃ সৈয়দ মাহফুজুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএসটিআই-এর মেট্রোলজি বিভাগের ডেপুটি ডিরেক্টর আবদুল্লাহ আল মামুন, ভাইটাল স্ট্রাটেজিসের সিনিয়র টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার অ্যাডভোকেট সৈয়দ মাহবুবুল আলম তাহিন, ঢাকা ও বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোটের ভারপ্রাপ্ত সমন্বয়কারী ও প্রত্যাশা মাদক বিরোধী সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল হেলাল আহমেদ।  

 

এছাড়াও বিশেষজ্ঞ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ টোব্যাকো কন্ট্রোল অ্যাডভোকেট (বিটিসিএ)-এর এক্সপার্ট মেম্বার আমিনুল ইসলাম সুজন, গ্রামবাংলা উন্নয়ন কমিটির নির্বাহী পরিচালক এ কে এম মাকসুদ, পাবলিক হেলথ ল’ইয়ার্স নেটওয়ার্কের সদস্য সচিব ব্যারিস্টার নিশাত মাহমুদ, ডাস-এর টীম লিড আমিনুল ইসলাম বকুল, প্রমুখ।

 

টিসিআরসির প্রজেক্ট কোঅর্ডিনেটর ফারহানা জামান লিজার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন টিসিআরসির প্রজেক্ট ডিরেক্টর ও ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক মোঃ বজলুর রহমান এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন টিসিআরসির প্রকল্প কর্মকর্তা মোঃ জুলহাস আহমেদ। 

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাঃ সৈয়দ মাহফুজুল হক বলেন, সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী তামাক ব্যবহার নিরুৎসাহিত করার একটি কার্যকর উপায়। গবেষণায় উঠে আসা অনিয়মগুলো দ্রুত সমাধান না হলে জনস্বাস্থ্যের জন্য এটি বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। আমরা নতুন অধ্যাদেশটি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছি।

 

এডভোকেট সৈয়দ মাহবুবুল আলম বলেন, বাজারে প্রচলিত তামাকজাত দ্রব্যের মধ্য থেকেই একটিকে স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিং জ্যে নির্ধারণ করা হয়েছে যেন এই স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিং এর নিয়মানুযায়ী মোড়ক তৈরি করতে তামাক কোম্পানির কোন সমস্যা না হয়। স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিং হলে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী যেমন সঠিকভাবে দেওয়া যাবে তেমনি কর আদায়ও সহজ হবে।

এই বিভাগের আরো খবর