শুক্রবার   ০২ জানুয়ারি ২০২৬   পৌষ ১৮ ১৪৩২   ১৩ রজব ১৪৪৭

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
৪৬৬

মান্দায় গভীর নলকূপের অপারেটর পরিবর্তনের

নওগাঁ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৭ জানুয়ারি ২০২৩  

নওগাঁর মান্দায় গোবিন্দপুর (শাহানাপাড়া) গ্রামের বরেন্দ্র
বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপ¶ের (বিএমডিএ) গভীর নলকূপের অপারেটর পরিবর্তনের
দাবি জানিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে একাধিক লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে
জানা গেছে। বিভিন্ন অনিয়ম,দূর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ তুলে ওই
অপারেটর পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।
একাধিক কৃষক ও জমির মালিকরা ওই অপারেটরকে পরিবর্তনের জন্য মান্দা উপজেলা
নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপ¶সহ
(বিএমডিএ) বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়েছেন। বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ
দায়ের করার কারণে স্থানীয় কৃষক দারাজ এবং সাইফুল ইসলামের বাড়িতে অতর্কিত
ভাবে হামলা চালিয়ে ভাংচুর কারা পরেও বিষয়টি ভিন্নখাতে প্রবাহের চেষ্টা
অব্যাহত রেখেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। পরবর্তীতে ভূক্তভোগীরা আইনের আশ্রয়
নিয়ে অভিযোগ দায়ের করার পর থেকে অদ্যবধি প্রতিপ¶ের লোকজনের অকথ্য ভাষায়
গালিগালাজসহ খুন-জখমের অব্যাহত হুমকির কারণে জীবনের নিরাপত্তাহীনতায়
ভুগছেন বলে জানিয়েছেন । আর সে কারণে তাদের ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস
পান না বলেও জানান তারা।
গোবিন্দপুর গ্রামের ভূক্তভোগী কৃষক রহমতুল্লাহ,রিয়াজ উদ্দীন,আলহাজ্ব আব্দুল
জব্বার, মাওঃ দারাজ উদ্দীন,সাইফুল ইসলাম বাবু,ইদ্রিস আলীসহ অনেক কৃষক
অভিযোগ করে বলেন, গভীর নলকূপটি ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয়। এ নলকূপের
অধীনে গোবিন্দপুর এবং বাঙ্গালপাড়া গ্রামের প্রায় ১২০/১৩০জন কৃষকের ১৮০
বিঘা জমিতে সেচ দেওয়া হয়। গভীর নলকূপটি স্থাপনের পর থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত
রিয়াজ উদ্দীন শাহানা নলকূপ পরিচালনাকারী (অপারেটর) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
কিন্তু ২০১৯ সালে বোরো মৌসুমে ধান লাগানোর পর মাঝামাঝি সময়ে মান্দা
উপজেলা বিএমডিএ অফিসের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে এবং অত্র স্কীমের
কৃষকদের না জানিয়ে অপারেটরী নিয়ে নেয় প্রতিপক্ষের লোকজন। এরপর থেকে
অদ্যবধি জোরপূর্বকভাবে সেটি তাদের দখলে নিয়ে রেখেছেন। বর্তমানে ওই গভীর
নলকূপ সংক্রান্ত যাবতীয় কাগজপত্র এবং হিসাব-নিকাশ প্রতিপক্ষের পারভেজ এবং তার
বাবা রেজাউল ইসলামের কাছে রয়েছে বলেও জানান তারা। এতে অত্র এলাকাজুড়ে
স্থানীয় কৃষকদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
অপারেটর পারুলের ছেলে পারভেজ এবং তার স্বামী রেজাউল ইসলাম তাদের বিরুদ্ধে
আনীত সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন যে, জমি সংক্রান্ত বিরোধের কারণে
তাদের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ করা হচ্ছে।

মান্দা উপজেলা বিএমডিএ কর্মকর্তা সহকারী প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন
বলেন, অভিযোগের প্রে¶িতে বিষয়টি তদন্ত করে সম্মিলিতভাবে কমিটি গঠনের
জন্য অনুমতি দেয়া হয়েছে।

এই বিভাগের আরো খবর