বৃহস্পতিবার   ৩০ নভেম্বর ২০২৩   অগ্রাহায়ণ ১৬ ১৪৩০   ১৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৫

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
১১৯

রমজান চলে গেলে কেন আমরা উদাসীন হয়ে পড়ি?

ধর্ম ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০ মে ২০২৩  

ইবাদতের বসন্তকাল বলা হয় রমজান মাসকে। রমজানে সবার মাঝে ইবাদতের প্রতি অন্য রকম আগ্রহ তৈরি হয়। মসজিদগুলো মুসল্লিদের আনাগোনায় কানায় কানায় পূর্ণ থাকে। নফল ইবাদতেও মনোযোগী হয়ে উঠেন প্রত্যেকে। তবে রমজান গেলেই এক ধরনের অসলতা পেয়ে বসে সবাইকে। নফলের হিসেব তো দূরে থাক, ফরজের প্রতিও খেয়াল থাকে না অনেকের।

অথচ পুরো বছর, প্রতিদিন পাঁচবার রবের দরবারে উপস্থিত হওয়া আবশ্যক। মানুষের এই উদাসীনতা কোনওভাবে কাম্য নয় বলে উল্লেখ করেছেন মালয়েশিয়া প্রবাসী বাংলাদেশের জনপ্রিয় ইসলামী আলোচক মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী।

নিজের ভেরিফাই ফেসবুক পেইজে তিনি বলেন,  রবের সাথে আমাদের সম্পর্কটা কি শুধুই রমাদান কেন্দ্রিক? যে রবের সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য পুরো রমাদান মাস জুড়ে ইবাদতে লুটিয়ে পড়েছিলাম; সেই রব কি এখন আর নেই? তিনি কি আর আমাদের দেখভাল করছেন না? তিনি তো আমাদের চিরদিনের রব। কদরের রাতে সকল চাওয়া-পাওয়া নিয়ে যার দরবারে নির্ঘুম রাত কাটালাম, সেই রবের দরবার তো বন্ধ হয়ে যায়নি। আজও তা খোলা। তিনি তো আজও প্রতি রাতে আহ্বান করে বলে যাচ্ছেন কার কি লাগবে বলো। আমি তা ব্যবস্থা করে দিব।

রমাদান আসে, রমাদান চলে যায়। কিন্তু রাব্বে কারিমের পক্ষ থেকে অনাবিল রহমতের ফল্গুধারা তো চলে যায় না। তাঁর রহমত ছাড়া কী আমাদের বেচেঁ থাকা সম্ভব? তিনি তো গোটা বছর জুড়েই আমাদের আগলে রেখেছেন। আমাদের সকল কার্যক্রম সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্মভাবে পর্যেক্ষণ করছেন। তাহলে রমাদান চলে গেলে কেন আমরা উদাসীন হয়ে পড়ি? কেন আমাদের এমন গা-ছাড়া ভাব?

আসুন রমাদান কেন্দ্রিক না হয়ে, গোটা বছর জুড়েই তার গোলাম হয়ে ইবাদতের ধারা অব্যাহত রাখি। যত উপায় আছে, যত মাধ্যম আছে; সব কিছু আকড়ে ধরে রবের সন্তুষ্টির পথেই জীবন উৎসর্গ করি।