এই দিন

সোমবার   ২৫ জানুয়ারি ২০২১   মাঘ ১১ ১৪২৭   ১০ জমাদিউস সানি ১৪৪২

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
৪৭৫

জাফলং সীমান্ত দিয়ে আবারও দেশীয় মোটরশুঁটি ডাল পাচার

মো. মোহন

প্রকাশিত: ৩০ নভেম্বর ২০২০  

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার পূর্ব জাফলংয়ে আবারও শুরু হয়েছে চোরাচালান কিছুতেই থামছে না এসব চোরাচালান। গত কয়েকদিন আগে গভীর রাতে বিজিবি-র ভিআইপির একটি দল মটরশুটি ডাল আটক করে তামাবিল ক্যাম্পের নিয়ে যায় কিছুদিন বন্ধ থাকার পর ফের আবারও চালু হয় চোরাচালান  এসবের নেতৃত্ব দিচ্ছেন জাফলং গুচ্ছগ্রামের মো. মান্না মিয়ার ছেলে নাজিম উদ্দিন ও শান্তি নগর গ্রামের মো.জয়দুল ইসলাম,মোহাম্মদপুর গ্রামের সৈয়দ মুনসুর আহমেদ জাহিদ,শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী একাধিক মামলার আসামি লাখেরপাড় আসামপাড়া গ্রামের মৃত জালাল মিয়ার ছেলে মো.গিয়াস উদ্দিন,চোরাকারবারি আকতার হোসেন,সাহাজান মিয়া, সুজন মিয়া, সামছুল মিয়া,সিদ্দিক মিয় সহ একাধিক চোরাকারবারি সিন্ডিকেট সন্ত্রাসী বাহিনী।

আসছে চোরাই পথে ভারতীয় পণ্যের এসবের মধ্যে রয়েছে গরু-মহিষ, নাছির বিড়ি, মদ, গাঁজা, ইয়াবা, ফেনসিডিল, বিয়ার, ব্যাকপাইবার হুইস্কি, মোটরসাইকেল, মোবাইল ফোন, কসমেটিক্স, শাড়ী, থ্রি-পিস, শার্ট ও প্যান্টের থান কাপড়, বিভিন্ন যন্ত্রাংশ, গরু মোটা-তাজাকরণের স্টেরয়েড ট্যাবলেট, হলুদ, জিরা, এলাচি, দারুচিনি, গোলমরিচসহ যাবতীয় মসলা, মুভ, ইসগার্ড, লিভ ৫০২, রিভাইটেল, সেনেগ্রা, ভায়াগ্রা, এডিগ্রা, ডক্টরেট, ফেয়ার এন্ড লাভলীসহ বিভিন্ন কসমেটিক্স। এসব চোরাই মালামালের কিছু কিছু মাঝে মধ্যে বিজিবি আটক করলেও পরবর্তীতে কাস্টমসে জমা দেয়ার আগে বেশিরভাগই পেছনের দরজা দিয়ে চলে যায় চোরাই সিন্ডিকেটের হাতে।

গত কয়েকদিন আগে গভীর রাতে বিজিবি-র একটি দল  মটরশুটি ডাল আটক করে তামাবিল ক্যাম্পের বিজিপি কিছুদিন বন্ধ থাকার পরে ফের আবারও চালু করে জাফলং ইউনিয়নের এ-র গুচ্ছগ্রামের মো. মান্না মিয়ার ছেলে নাজিম উদ্দিন ও শান্তি নগর গ্রামের মো.জয়দুল ইসলাম, মোহাম্মদপুর গ্রামের সৈয়দ মুনসুর আহমেদ জাহিদ সহ এই চোরাকারবারি সিন্ডিকেট বাহিনী। 


এসব দেশীয় সম্পদ পাচারে যারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন স্থানীয় একটি ক্যাডার বাহিনী,বিজিবি ও ডিবি-পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে রাতের অন্ধকারে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা সংবাদকর্মীদের অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে এসব তথ্য।

এ বিষয়ে সংবাদকর্মী সিলেটের আখালিয়া বিজিবি ভিআইপির এক উর্দ্ধতন কর্মকর্তার সাথে আলাপকালে তিনি জানান আমাদের কোন লাইম্যান নাই বিজিবি-র নামে যারা চাঁদাবাজি করবে আমাদের তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করুন।

বিজিবি ও -পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে যারা রাতের অন্ধকারে চাঁদাবাজি করে আসছেন স্থানীয় প্রভাবশালী একটি চক্র, শীর্ষ চাঁদাবাজ একাধিক মামলার আসামি স্থানীয় জামাত শিবিরের নেতা জয়দুল ইসলাম,মাননীয় প্রবাসী কল্যাণ বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ এমপি মহোদয় এর একান্ত কাছের মানুষ পরিচয় দানকারী শীর্ষ চাঁদাবাজ মো.নাজিম উদ্দিন,শীর্ষ চাঁদাবাজ যুবলীগ নেতা পরিচয় দানকারী সৈয়দ মুনসুর আহমেদ জাহিদ" শীর্ষ সন্ত্রাসী একাধিক মাদক ও মার্ডার মামলার আসামি মো.সাহাজান মিয়া।


শীর্ষ চোরাকারবারি মো.আকতার হোসেন শান্তিনগর,

শীর্ষ চোরাকারবারি মো. সুজন মিয়া শান্তি নগর,শীর্ষ চোরাকারবারি সামসুূল মিয়া নতুন বাজার,শীর্ষ চোরাকারবারি মো. সিদ্দিক মিয়াসহ রয়েছে একাধিক চোরাকারবারি সন্ত্রাসী বাহিনী।


স্থানীয় প্রশাসনের উপর এলাকাবাসীর ক্ষোভ প্রকাশ দেশীয় সম্পদ পাচার করার একাধিক অনলাইন পোটালে নিউজ হয় এই বাহিনীর উপরে এতো নিউজ হওয়ার পরেও স্থানীয় প্রশাসন চুপ যেন দেখার কেউ নাই। কিছুদিন পরে পরে লোক দেখানো অভিযান চালিয়ে যায়   প্রশাসন এবং বলে যায় জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে ফের কিছুদিন বন্ধ থাকলেও আবার চালু হয়। 

দেশকে ভালোবাসুন, দেশের সম্পদ বিদেশে পাচার করা থেকে বিরত থাকতে এলাকা বাসীর প্রতিও আহ্বান জানান বিজিপির এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তার সাথে সংবাদ কর্মীরা মোবাইল ফোনে আলাপকালে তিনি বলেন আপনারা সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষ আপনারা আমাদের সহযোগিতা করুন আমরা প্রতিনিয়ত অভিযান চালিয়ে যাবো।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিলেট জেলা ডিবি পুলিশ (উত্তর) এর অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল আলম বলেন- চোরাকারবারীদের বিরুদ্ধে সিলেট জেলা ডিবি  পুলিশের রয়েছে কঠোর অবস্থান। মাননীয় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন পিপিএম মহোদয়ের নির্দেশে ওদের বিরুদ্ধে জেলা ডিবি পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। নাজিম উদ্দিন, জয়দুল ইসলাম, ও সৈয়দ মুনসুর আহমেদ,শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী একাধিক মামলার আসামি লাখেরপাড় আসামপাড়া গ্রামের মৃত জালাল উদ্দিনের ছেলে মো. গিয়াস উদ্দিন,সাহাজান মিয়া, চোরাকারবারি আকতার হোসেন, সুজন মিয়া শান্তিনগর সহ্ অনেকই জেলা ডিবি পুলিশের নজরদারিতে রয়েছেন। ওদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে বলেও জানান অফিসার ইনচার্জ ওসি সাইফুল আলম।

এই বিভাগের আরো খবর