ব্রেকিং:
ক্রিকেটারদের এ আন্দোলন কারোর বিরুদ্ধে নয়, এ আন্দোলন দাবি আদায়ের : ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান

বৃহস্পতিবার   ২৪ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ৮ ১৪২৬   ২৪ সফর ১৪৪১

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
সর্বশেষ:
দুই সাংসদসহ ২২ জনের বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা আবরারের রুমমেট মিজান ৫ দিনের রিমান্ডে ফিটনেস নবায়নহীন যানবাহনে তেল নয়: হাইকোর্ট ফেনীর চাঞ্চল্যকর নুসরাত হত্যার রায় কাল ন্যাম সম্মেলন : প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতিবার আজারবাইজান যাচ্ছেন জয়পুরহাটে গৃহবধু ধর্ষণ ও হত্যায় সাতজনের ফাঁসি
১০৭৮

জমি নিয়ে বিরোধ, গভীর রাতে সন্ত্রাসী হামলা

শরীয়তপুর প্রতিনিধি 

প্রকাশিত: ২২ জুন ২০১৯  

শরীয়তপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের বাড়িতে গভির রাতে জনতাবদ্ধে সন্ত্রাসী হামলা  ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। প্রতিপক্ষ বা সামসেল মাদবর ও কাশেম মাদবরের বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা  ও লুটপাটের ঘটনায় সন্ত্রাসী বাহিনীদের সহযোগিতা করেছে পালং থানার চিকন্দী ইউনিয়নের চিকন্দী  ফারির বর্তমান ইনচার্জ আব্দুর রশিদুল বারি সহ তার একটি দল ¯হানীয় সূত্রে জানা গেছে। এ ঘটনা  ঘটেছে গত ১৩ জুন দিবাগত রাত দুইটার দিকে শরীয়তপুর জেলার পালং থানার ডোমসার  ইউনিয়নের দুই নং ওয়ার্ডের কোয়ারপুর গ্রামের বসবাসরত সামসেল মাদবর ও কাশেম মাদবরের বাড়িতে। ¯হানীয় সুত্রে আরো জনা যায় ১২ জুন সকাল ১১ টার দিকে জমির সিমানা নিয়ে নূর  মোহাম্মদ কাজীর সহিত প্রতিবেশী সামসেল মাদবরের উচ্চস্বরে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। ঐ দিন  সকালের ঘটনাকে কেন্দ্র করে নূর মোহাম্মদ কাজী (৬০) তার লোক সহ সন্ত্রাসী বাহিনী ভাড়া করে  বিকেল পাচটার দিকে পরিকল্পনা করে গভির রাতে সামসেল মাদবর ও কাশেম মাদবরের পরিবারের  লোকজনের উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটাবে। ¯হানীয় লোকজন নূর মোহাম্মদ কাজী ও মালেক  মাদবরের অসৎ পরিকল্পনার কথা জেনে পালং থানায় বিষয়টি জানালে তাৎক্ষণিক ভাবে পালং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসলাম উদ্দিন এস আই খালেক উজ্জামান সহ তাদের একটি দল ঘটনা¯হলে পাঠান। এস আই খালেক উজ্জামান ঘটনাস্থলে গিয়ে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে উভয়ই পক্ষকে ডেকে বলেন মূল কাগজ পত্র অনুযায়ী এই জমি যে পাবে সেই খাবে এবং তিনি আরো বলেন  আপনারা কোন মারপিটে জরাবেন না এনং এলাকার পরিবেশকে শান্ত রাখার জন্য সবাইকে অনুরোধ করে এবং আগামীকাল সকাল দশটায় আপনারা দুই পক্ষই স্বাক্ষ প্রমান নিয়া থানায় হাজির হবেন। 
তবে নূর মোহাম্মদ কাজী এস আই খালেক উজ্জামান এর কথা না রেখে মালেক মাদবরের নেতৃত্তে স্থানীয় সন্ত্রাসী ও তাদের ভাড়া করা সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে ১৩ জুন গভির রাত আনুমানিক দুইটার  দিকে প্রথমে সামসেল মাদবরের বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা ও লুটপাট চালায় এবং এ ঘটনার সময়  চিকন্দী ফারির ইনচার্জ আব্দুর রশীদুল বারি ঘন ঘন বাঁশি বাজিয়ে এলাকার লোকদের সরিয়ে রাখে  যাতে সন্ত্রাসী বাহিনীর কাজ করতে সহজ হয়।সুরুতে সন্ত্রাসী বাহিনীরা সামসেল মাদবরের বাড়িতে  ককটেল বোম নিক্ষেপ করে এবং বৈদ্যতিক তার কেটে ঘরের দরজা ভেঙ্গে ঘরের ভিতরে ঢুকে  আলমারি সুকেস ভেঙ্গে মূল্যমান কাগজ পত্র অর্থসহ স্বর্নালংকার লুটপাট করে নিয়ে যায় এবং ঘরবাড়ি  ভাংচুর করে এবং সামসেল মাদবরের দুই ছেলেকে না পেয়ে এ ঘটনার মূল নেতৃত্ব দান কারি মালেক মাদবর, নূর মোহাম্মদ কাজী ও তার দুই ছেলে সহ ¯হানীয় সন্ত্রাসী এবং তাদের ভাড়া করা সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে কাশেম মাদবরের বাড়িতে গভির রাতে ককটেল বোমা নিক্ষেপ করে ভিতসন্ত্রস্ত করে। 
আর এদিকে কাশেম মাদবরের বাড়ির ঘাটায় চিকন্দী ফারির ইনচার্জ আব্দুর রশীদ বারি ঘন ঘন পুলিশ ভ্যনের বাঁশি বাজাতে থাকে।যাতে সন্ত্রাসী বাহিনী কাজের সুবিধা হয়। এ দিকে সন্ত্রাসী বাহিনীরা দেশীয় ধারালো ছেনদা,রামদা, চাইনিজ কুড়াল,চাপাটি,টেটা,সরকি,লোহাররড,ও লাঠিসোঠা নিয়ে কাশেম মাদবরের ঘরের ভিতরে ঢুকে প্রথমে বৃদ্ধ কাশেম মাদবর (৬৫) কে মাজার নিজ থেকে পা  পর্যন্ত হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি ভাবে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে এবং  তার ছেলে ইয়াকুব মাদবর (২৫) কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় কোপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। এ দিকে কাশেম মাদবরের স্ত্রী রাজিয়া বেগম ও তাঁর মেয়ে রোজিনা আক্তার তাদেরকে বাচাতে আসলে 
সন্ত্রাসীরা তাদেরকে ও এলোপাথাড়ি ভাবে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে।সন্ত্রাসী বাহিনীর তান্ডবের শব্দ শুনে ইয়াকুব মাদবরের চাচা দবির মাদবর ও তার চাচাতো ভাই দেলোয়ার মাদবর ছুটে আসলে সন্ত্রাসীরা বৃদ্ধ দবির মাদবরকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে এবং দেলোয়ার মাদবর কে টেটা দিয়ে কোপ মেরে পায়ের হাটুর ভিতরে টেটা বিদ্দ করে ফেলে। আহত ব্যক্তিদের চিৎকারের শব্দ শুনে স্থানীয় লোকজন পালং থানায় বিষয়টি জানালে পালং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসলাম উদ্দিন ও তার পুলিশ ফোর্স নিয়ে দুরুত ঘটনা¯হলে চলে আসে ততোক্ষণে সন্ত্রাসী বাহিনীরা মূল্যবান জমির  কাগজপত্র সহ স্বর্নালংকার লুট করে ঘটনা¯হল থেকে পালিয়ে যায়। ¯স্থানীয় সুত্রে জানা যায় ওসি আসলাম উদ্দিন রক্তাক্ত জখম অব¯হায় আহত ব্যক্তিগনকে উদ্ধার করে নিজের শরীরের গেনজী চিরে  রক্তাক্ত জখমের খত ¯হান বেধে পুলিশের পিক্যাপ ভ্যনে তুলে চিকিৎসার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে প্রেরন করে।¯হানীয় সূত্রে আরো জানা যায় ঘটনা¯হলে আহত ব্যক্তিদের রক্ত দেখে  চিকন্দী ফারির ইনচার্জ আব্দুর রশীদ বারি মাথা ঘুরে ব্যহুশ হয়ে পরে যায়।ঐ গভির রাতে পালং  থানার অপারেশন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আশরাফুল ইসলাম সাথে সাথে সদর হাসপাতালে গিয়ে  আহত ব্যক্তিদের কে চিকিৎসার ব্যব¯হা করে এবং দেলোয়ার মাদবরের পায়ে বিদ্দ টেটার ফাল ও সি (অপাঃ) আশরাফুল ইসলাম কাতানি দিয় কেটে ডাক্তার দ্বরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে আশংখাজনক  অব¯হায় আহত কাশেম মাদবর ও দেলোয়ার মাদবরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করার ব্যব¯হসা করে।ঘটনার দিন গভির রাতে আনুমানিক আড়াইটার দিকে পশ্চিম কোয়ার পুর হইতে ও সি আসলাম উদ্দিন ইমরান মাদবর নামে এক আসামী কে দৌড়ে ধরতে সক্ষম হয়। পালং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসলাম উদ্দিন এর সাথে মুঠোফোনে আলাপকালে তিনি বলেন এ ঘটনাকে  কেন্দ্র করে পালং থানায় একটি মামলা হয়েছে এবং ঐ রাতেই একজন আসামী কে গ্রেপ্তার করতে  সক্ষম হয়েছি এবং বাকি আসামীদের ধরার চেস্টা চলছে।
 

এই বিভাগের আরো খবর