প্রকাশিত: ১২ ঘন্টা আগে, ০২:৩৫ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
পিলখানা হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে সশস্ত্র বাহিনীকে দুর্বল করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সেনাবাহিনী কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর সম্পত্তি নয়। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষাই এই বাহিনীর একমাত্র ও পবিত্র দায়িত্ব।
আজ রোববার (১২ এপ্রিল) সকালে ঢাকা সেনানিবাসের দরবার হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময় এবং অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সেনাবাহিনীর বলিষ্ঠ ভূমিকার কথা কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও সেনাবাহিনী অত্যন্ত স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করেছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, গত শাসনামলে নানামুখী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হয়েছিল, তবে বর্তমান সরকার বাহিনীর হারানো গৌরব ও পেশাদারিত্ব ফিরিয়ে আনতে বদ্ধপরিকর।
সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, জিয়াউর রহমান সেনাবাহিনীর মধ্যে দেশপ্রেমের যে আদর্শ ও অগ্নিশিখা জ্বালিয়ে দিয়েছিলেন, তা যেন কখনোই নিভে না যায়। তিনি বিশ্বাস করেন, সশস্ত্র বাহিনী ঐক্যবদ্ধ থাকলে বিশ্বের কোনো শক্তিই বাংলাদেশকে পরাজিত করতে পারবে না। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অংশগ্রহণ ও অনন্য উচ্চতায় পৌঁছানোর পেছনে বিএনপি সরকারের নেওয়া পদক্ষেপগুলোও তিনি পুনরায় স্মরণ করিয়ে দেন।
রাষ্ট্র মেরামতের লক্ষ্যে বিএনপির দেওয়া ‘জুলাই সনদ’-এর প্রতিটি দফা বাস্তবায়নে বর্তমান সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, শুধু সেনাবাহিনী নয়, দেশের প্রতিটি সেক্টর সংস্কার এবং প্রতিটি নাগরিকের উন্নয়নের ইশতেহার বাস্তবায়ন করাই এই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। জুলাই সনদে বর্ণিত সংস্কারগুলো যথাযথভাবে সম্পন্ন করে একটি বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
মন্তব্য করুন