প্রকাশিত: ১০ ঘন্টা আগে, ০৪:১৭ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির পর জ্বালানি সরবরাহের ওপর চাপ কিছুটা কমছে। আগামী ১৫ এপ্রিলের মধ্যে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস ও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস নিয়ে অন্তত পাঁচটি জাহাজ দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট শিপিং এজেন্টদের তথ্য অনুসারে, এসব জাহাজে মহেশখালীর ভাসমান টার্মিনালের জন্য তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস এবং চট্টগ্রামের জন্য তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস রয়েছে।
শুক্রবার ১০ এপ্রিল মালয়েশিয়া থেকে দুই হাজার ৪৭০ টন তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস নিয়ে ‘মর্নিং জেলি’ নামের একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। একই দিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় ৬৯ হাজার টন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস নিয়ে ‘ইএমইআই’ নামের জাহাজ মহেশখালীর ভাসমান স্টোরেজ ও রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিটে পৌঁছাবে।
১১ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও ৬৯ হাজার টন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস নিয়ে ‘কংটং’ জাহাজ আসবে। ১৩ এপ্রিল মালয়েশিয়া থেকে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস নিয়ে ‘পল’ জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে। আর ১৫ এপ্রিল অস্ট্রেলিয়া থেকে ৬৪ হাজার ৬৭৮ টন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস নিয়ে ‘ম্যারান গ্যাস হাইড্রা’ জাহাজ আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, পাঁচটি জাহাজই বর্তমানে সমুদ্রপথে রয়েছে এবং জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এসব জাহাজের বার্থিংকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের উপ-মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ কবির জানান, চলতি এপ্রিল মাসে মোট নয়টি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসবাহী জাহাজ আসার কথা। ইতিমধ্যে দুটি জাহাজ এসে খালাস শুরু হয়েছে। প্রতিটি জাহাজ সাধারণত ৬৯ থেকে ৭০ হাজার টন গ্যাস বহন করে। গত মার্চ মাসে আটটি জাহাজে প্রায় ছয় লাখ টন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানি করা হয়েছে, যা দেশের জ্বালানি সরবরাহে চাপ অনেকাংশে কমিয়েছে।
বুধবার রাতে মালয়েশিয়া থেকে ২৬ হাজার টন অকটেন নিয়ে ‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’ এবং হাই সালফার ফুয়েল অয়েল নিয়ে ‘ইস্টার্ন কুইন্স’ নামের আরেকটি জাহাজও চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে।
যুদ্ধবিরতির কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরতে শুরু করায় দেশের জ্বালানি আমদানি স্বাভাবিক গতিতে চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মন্তব্য করুন