মো. আতিক হাসান, বুটেক্স প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১০ ঘন্টা আগে, ০৩:৫৯ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

বুটেক্স সাহিত্য সংসদের উদ্যোগে আয়োজিত হলো 'চৈত্রে বৈচিত্রা'

ছবি: তরুণ কণ্ঠ |

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুটেক্স) সাহিত্য সংসদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো 'চৈত্রে বৈচিত্রা', যেখানে বৈচিত্রা মেলা, সুর সমাচারে সুরে সুরে মেতে উঠেছিলো বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। নানা আয়োজনে চৈত্রকে বিদায় জানায় বিশ্ববিদ্যালয় বুটেক্সের শিক্ষার্থীরা।  

 

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেল ৪টায় বুটেক্স প্রাঙ্গণে, সুর সমাচারের সুরের আবহে শুরু হয় অনুষ্ঠানটি। সেখানে লোকজ গান, পালাগান সহ বিভিন্ন গান পরিবেশন করা হয়। অনুষ্ঠান প্রাঙ্গণে বিভিন্ন পণ্য ও হস্তশিল্পের স্টল বসে, যেখানে প্রাধান্য পায় বাঙালি ঐতিহ্যের বিভিন্ন পণ্য।

 

 

অনুষ্ঠানে আরো ছিলো নৃত্যবৃত্তান্ত এবং পুঁথি পাঠ। পুঁথি পাঠে উঠে আসে বাংলা বর্ষের মাসগুলো নিয়ে কথার মালা যা উপস্থিত দর্শকদের মনে নাড়া দেয়। এরপর অনুষ্ঠানের সভাপতি ও অতিথিদের নিয়ে চৈতন্য লিপির 'মোড়ক উন্মোচন' করা হয় এবং উপস্থিত দর্শকদের কাছে লেখার আহবান করা হয়। 

 

অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ ছিলো জনপ্রিয় গান লেখক এবং গায়ক অর্ঘ্য দেবের নিজের লেখা গান পরিবেশন। অর্ঘ্য দেবের পরিবেশনার মধ্য দিয়ে 'চৈত্রে বৈচিত্রা' অনুষ্ঠানটি রাত ৮টায় সমাপ্ত হয়।

 

বুটেক্স সাহিত্য সংসদের সভাপতি সাদিকুল ইসলাম সাঈদ বলেন, "চৈত্র বাংলা বর্ষের শেষ মাস, আর বৈচিত্র আসে মানুষের কথায়, কাজে, চিন্তায়, পোশাকে সবকিছুতে। আমি শৃঙ্খল, তুমি শৃঙ্খল কিন্তু আমার শৃঙ্খলা তোমার শৃঙ্খলার মাঝে অনেক বৈচিত্র্য রয়েছে। এই বৈচিত্রের মাঝেই আমাদের বেঁচে থাকতে হবে, এতো এতো বৈচিত্রকে নিয়েই যাতে আমরা আমাদের জীবন অতিবাহিত করতে পারি, সেই প্রেক্ষিতেই বুটেক্স সাহিত্য সংসদের আজকের এই আয়োজন। আমি আমার পক্ষ থেকে উপস্থিত সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি।" 

 

অ্যাপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সুমন দাস বলেন, "আজকের আয়োজন আমাদের সংস্কৃতির চর্চাকে আরো সমৃদ্ধ করবে। আমার আমাদের সংস্কৃতির মধ্যেই বেঁচে থাকতে চাই। আমাদের সংস্কৃতিকে প্রতিনিধিত্ব করতে চাই।  বুটেক্স সাহিত্য সংসদ এই ব্যবস্থা করে দেয়ায় আমরা খুশি, এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।"

 

একই বিভাগের ৫০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সাফিনা প্রোমিতি বলেন, "এই অনুষ্ঠান আয়োজন করায় বুটেক্স সাহিত্য সংসদকে ধন্যবাদ। এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পেরে আমার খুব ভালো লাগছে, এমন ধরনের অনুষ্ঠানে মাধমেই আমাদের বাঙালি সংস্কৃতির চর্চা অব্যাহত থাকবে। আমরা এই অনুষ্ঠানে মধ্য দিয়ে চৈত্রকে বিদায় জানাতে চাই।"

মন্তব্য করুন