রোববার   ১৪ জুলাই ২০২৪   আষাঢ় ৩০ ১৪৩১   ০৭ মুহররম ১৪৪৬

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
১৯৩

গাজীপুরে মুক্তিযোদ্ধার জমি দখল একাধিক বার অভিযোগ

নজরুল ইসলাম,গাজীপুর উত্তর।

প্রকাশিত: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩  

গাজীপুর সদর উপজেলার রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে এক বীর মুক্তিযোদ্ধার জমি জবরদখল নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। 

এ ঘটনায় মুক্তিযোদ্ধা মীর সাইফুল ইসলাম (৭০) বাদী হয়ে স্থানীয় প্রশাসন সহ বিভিন্ন দপ্তরে একাধিক বার লেখিত অভিযোগ করেও কোন সুফল পাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন তিনি।

ঘটনাটি ঘটেছে সদর উপজেলার বাড়িয়া ইউনিয়নের জামুনা গ্রামে। মুক্তিযোদ্ধা মীর সাইফুল ইসলাম মৃত মীর আব্দুর রহমানের ছেলে।

মুক্তিযোদ্ধা মীর সাইফুল ইসলাম জানান, আমি দীর্ঘ ৪৫ বছর বিভিন্ন জায়গায় কলম বিক্রি করে সঞ্চয় জমিয়ে বাড়িয়া ইউনিয়নের জামুনা এলাকায় ৪.৩৭৫ শতাংশ জোত জমি পশ্চিমে চলাচলের রাস্তার চৌহদ্দি উল্লেখ্য করে ক্রয় করে বসবাস করে আসতেছি। 

সম্প্রতিক হঠাৎ করে আমার চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেয় স্থানীয় মৃত আলাউদ্দিনের ছেলে মোবারক হোসেন (৩৫) ও জাহাঙ্গীর আলম (৬০)।

আমি জমি কেনার সময় চৌহদ্দিতে যে রাস্তা ছিল সেটা পরিবর্তন করে প্রতারণার মাধ্যমে আমার বাড়ির উপর দিয়ে রাস্তা তৈরি করে জমি দখলের পাঁয়তারা করছে। যখন জমি কিনেছিলাম তখন যদি ওরা আমাকে বলতো রাস্তা পরিবর্তন করা হবে। তাহলে আমার সারা জীবনের জমা কৃত টাকা দিয়ে এই জমি কিনতাম না। এখন তারা আমার সাথে প্রতারণা করে জমি জবরদখল নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। বাধা দিলে দখলকারীরা আমাকে সহ আমার পরিবারের লোকজনকে  প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে । এখন আমি আমার পরিবার নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ স্থানীয় প্রশাসনের কাছে সঠিক তদন্ত মাধ্যমে ন্যায়বিচারের দাবি জানাই।

এ ব্যাপারে অভিযুক্তদের সাথে কথা বলতে চাইলে তারা কেউ কথা বলতে রাজি হয় নাই। 

জয়দেবপুর থানার বাড়িয়া সদর ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ এস আই আমিনুল ইসলাম জানান, জমি জমার বিষয়ে আমরা কোন সিদ্ধান্ত দেইনা এটা আদালতের বিষয়। তবে সে খানে যাতে আইন শৃঙ্খলার অবনতি না হয় সে জন্য বারবার পুলিশ পাঠিয়ে নজরদারিতে রাখা হচ্ছে।

গাজীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মোরাদ আলী জানান, একজন মুক্তিযোদ্ধা আমাকে ফোন করে জানিয়েছেন। অজ্ঞাত কেউ তার বাড়ির চলাচলের রাস্তা অবরুদ্ধ করে রেখেছেন। তখন আমি সংশ্লিষ্ট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জকে জানালে সে তার ফোর্স  নিয়ে সাথে সাথে ঘটনাস্থলে চলে যান। কোন কারণবশত সমাধান হয়নি। পরে তার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি লেখিত অভিযোগ করবেন বলে জানান। আমি অভিযোগ পেলে প্রচলিত আইন মেনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই বিভাগের আরো খবর