৯ হাজার স্কুলছাত্রীর পড়ালেখার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত !
তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১১ জানুয়ারি ২০২৬
প্রায় শতবছর ধরে অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে চা শ্রমিকদের সন্তানদের প্রাথমিক শিক্ষা। মফস্বল এলাকার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তুলনায় বাগানের স্কুলগুলোতে শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বেশি থাকলেও নেই শিক্ষার পরিবেশ। এতে করে প্রাথমিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে চা বাগানের শিশুরা।
দেখা যায়, মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় ঘনবসতি এলাকা থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরত্বে সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত সুনছড়া (দেবল ছড়া) চা বাগান। এ বাগানে প্রায় ৩ হাজার মানুষের বসবাস। দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে টিলার ওপর সুনছড়া চা বাগান প্রাথমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয় বলতে একটি ভাঙ্গা টিনশেডের ঘর। এই ঘরটিও হেলে পড়েছে। ঘরের মধ্যে গাদাগাদি করে বসে চা শ্রমিকের বাচ্চারা ক্লাস করছে। বাচ্চাদের নেই স্কুলের নির্দিষ্ট পোশাক ও প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ। অনেকের পরনের জামাটাও ছেঁড়া। একই ঘরে বাঁশের বেড়া দিয়ে দুটি শ্রেণিকক্ষ করা হয়েছে। এছাড়া জায়গা না থাকায় পাশেই বাগানের হেড ক্লার্কের বাংলোর বারান্দায় ক্লাস নেওয়া হচ্ছে।
শিক্ষার্থীদের পাঠদানের জন্য কয়েকটি ভাঙা বেঞ্চ আর একটি ছোট ব্ল্যাকবোর্ড ছাড়া কিছুই নেই। শিক্ষকদের বসার জন্যও নেই পর্যাপ্ত চেয়ার। ক্লাসে কাঠের একটি টুল ও একটি ভাঙা টেবিল। বিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠা ১৯৪০ সালে হলেও কাগজপত্রে প্রতিষ্ঠা সাল লেখা ১৯৮০।
এভাবেই চলছে মৌলভীবাজার জেলার ৬৯টি চা বাগানের বিদ্যালয়। এসব বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী থাকলেও নেই পর্যাপ্ত শিক্ষক, শ্রেণিকক্ষ, আসবাবপত্র, শিক্ষা উপকরণ, বিশুদ্ধ পানি, স্যানিটেশনসহ অন্যান্য কিছুই। নামে বিদ্যালয় থাকলেও কাজে কিছুই নেই। বাগান মালিকপক্ষ শুধু বিদ্যালয় নামটা বাঁচিয়ে রেখেছে। তবে স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও এসব বিদ্যালয় সরকারি করার চিন্তা করেনি সরকার। চা বাগান শ্রমিকদের সন্তানদেরকে শতবছর ধরে শিক্ষার সুযোগ থেকে দূরে রাখা হয়েছে।
বিভিন্ন তথ্য সূত্র অনুসন্ধানে জানা যায়, এসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি গড়ে ৫০-৬০ শতাংশ। শিক্ষা ব্যবস্থার দুরাবস্থার কারণে প্রাথমিকে ৩০-৪০ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পরলেও মাধ্যমিকে এসে ৭০-৮০ শতাংশ শিক্ষার্থীই ঝরে পড়ে। জীবনের শুরুতে চা বাগানের শিশুদের পড়ালেখায় প্রচুর আগ্রহ থাকলেও অভাব আর সুযোগ সুবিধার অভাবে অনেকেই প্রাথমিকের গণ্ডি পেরোতে পারে না।
অভিভাবকরা বলেন, ‘আমরা সবকিছু থেকে বঞ্চিত হয়েছি। এখন আমাদের সন্তানেরাও বঞ্চিত হচ্ছে। যেখানে আমরা নিজেরাই নুন আনতে পান্তা ফুরাচ্ছে, সেখানে কীভাবে বাচ্চাদের জন্য টাকা খরচ করবো। প্রতিটি বাগানে সরকারি স্কুল নির্মাণ করে উপবৃত্তি চালু করা হোক।’
চা বাগানের শিক্ষার্থীরা জানায়, স্কুলে পড়ালেখার পরিবেশ নেই। আমাদের শিক্ষকেরাও কষ্ট করে পড়ান। ভাঙা ঘর ছাড়া কিছুই নেই স্কুলে। আমাদের স্কুল ড্রেস নেই। ঠিকমতো খাতা কলম কিনতে পারি না। খেলাধুলার সামগ্রীও নেই।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রের বরাতে জানা যায়, জেলার ৯২টি চা বাগানে ৬৯টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এসব বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৯ হাজার। এই বিদ্যালয়গুলো সংশ্লিষ্ট বাগান থেকে পরিচালনা করা হয়। কিছু বাগানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে। সরকারের পক্ষ থেকে বেসরকারি বিদ্যালয়গুলোতে শুধুমাত্র বই দেওয়া হয়।
শিক্ষাবিদরা বলছেন, চা শ্রমিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান পরিবর্তনের জন্য একটাই উপায়, শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবেশ মানসম্মত করা। যতদিন শিক্ষার মান উন্নয়ন হবে না, ততদিন তাদের ভাগ্য পরিবর্তন হবে না। চা শ্রমিকের অনেক সন্তান আছে যারা কষ্ট করে পড়ালেখা করে দেশের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেছে, ভালো অবস্থানে চাকরি করছে। আবার অনেকেই পড়ালেখা করছে। তাদের সবাইকে এক হয়ে বাগানের শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য কাজ করতে হবে।
কমলগঞ্জ উপজেলার সুনছড়া চা বাগান প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক মিটুন কুর্মী বলেন, আমাদের বিদ্যালয়ে প্রায় ২০০ জন শিক্ষার্থী আছে। তবে শিক্ষক মাত্র ৩ জন। একজন চা শ্রমিক যে পরিমাণ মজুরি পান, একজন শিক্ষক সেই একই পরিমাণ সম্মানী পান। আবার অনেক শিক্ষকের সম্মানী সারা মাসে ১ হাজার ২০০ টাকা মাত্র। আমাদের দিকে কেউ ফিরেও তাকায় না। অনেক কষ্ট করে বাচ্চাদের ক্লাস করাতে হচ্ছে।
মৌলভীবাজার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সফিউল আলম বলেন, চা বাগানের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো সরকারীকরণ সরকারের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করে। কেউ যদি লেগে থাকে তাহলে একসময় হয়ে যাবে। চা বাগানের স্কুলগুলো সরকারি করার সুযোগ আছে। সবাই চেষ্টা করলে পর্যায়ক্রমে সরকারি করা সম্ভব।
বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রামভজন কৈরি বলেন, আমরা সবসময় চা বাগানের শিক্ষা ব্যবস্থার দুর্গতি নিয়ে বলে আসছি। কিন্তু কেউ বলা কথা গুলো শুনার কেউ নেই।
বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নৃপেন পাল বলেন, চা বাগানের স্কুলের করুণ পরিণতি নিয়ে বারবার স্মারকলিপি দিয়েছি, আন্দোলন করেছি। তবে কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। চা বাগানের শিশুগুলো অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় হচ্ছে। দ্রুত সময়ে বাগানের স্কুলগুলো সরকারি করণের দাবি জানান তিনি।
চা শ্রমিকদের জীবন নিয়ে পিএইচডি করা শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. আশরাফুল করিম বলেন, চা বাগানে ১৯৭৭ সালের আইন অনুযায়ী প্রতিটি বাগানে একটি করে স্কুল থাকার কথা। তবে তা খাতা কলমেই সীমাবদ্ধ বাস্তবে রূপ নেই। আর যে কয়টা বিদ্যালয় আছে সেখানেও প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষক নেই। প্রতিটি চা বাগানে অন্তত একটি করে প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করা দরকার। চা শ্রমিকেরা তো স্বাধীন দেশের নাগরিক। সরকারকে শুধু শিক্ষা নয়, তাদের স্বাস্থ্য ও খাদ্য বাসস্থান মৌলিক চাহিদাগুলো মাঝে মজুরির দিকে নজর রাখতে হবে। বাগানে যেভাবে যোগযোগ ধরে বৈষম্যের শিকার তা শতাধিক বছর পর ও এভাবে চলে আসছে। এই বৈষম্য দূর করা বর্তমান সরকারের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। কিন্তু এই সরকার এখন পর্যন্ত চা বাগানের দিকে নজর দিয়েছেন এমনটা লক্ষ্যণীয় কার্যক্রম নেই বললেই চলে।
মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেল বলেন, বিষয়টি আমি শুনলাম। সুনির্দিষ্টভাবে চা বাগানের কোনো বিদ্যালয় থেকে আবেদন করলে যতটুকু সম্ভব সহযোগিতা করা হবে।
- ঢাকায় আকি আবে
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ - ২২ জানুয়ারি নির্বাচনী প্রচারণায় নামবেন তারেক রহমান
- রায়হান রাফীর নতুন সিনেমায় দর্শক টানার আত্মবিশ্বাস বাবুর
- হাসিনার আমলের তিন নির্বাচন গ্রহণযোগ্য ছিল না: প্রেস সচিব
- কুলাউড়ায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় সিগারেট জব্দ
- মৌলভীবাজারে খালেদা জিয়ার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল
- শ্রমিক দলের দোয়া মাহফিল, খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা
- ট্রাম্প-মাচাদোকে হতাশ করলো নরওয়েজিয়ান ইনস্টিটিউট
- বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচ আয়োজনে আগ্রহ প্রকাশ করেছে পাকিস্তান
- শার্টে ‘কাপুর’ লিখে নতুন আলোচনায় আলিয়া ভাট
- ইরানে বিক্ষোভে নিহত ও আহতের সংখ্যা বাড়ছে, বিপর্যস্ত চিকিৎসাসেবা
- ২০০৮-এর হলফনামা যাচাই হলে শেখ হাসিনার প্রার্থিতা বাতিল হতো: দুদক
- খামেনির দেশত্যাগের গুঞ্জন, যা বলছে ইরানি দূতাবাস
- সাংবাদিকদের আয়োজনে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল
- জাপা-এনডিএফ প্রার্থীদের বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টের রুল
- ৯ হাজার স্কুলছাত্রীর পড়ালেখার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত !
- আওয়ামী নেতার বিরুদ্ধে জমি ক্রয়-বিক্রয়ের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ
- সীমান্তের ওপার থেকে ছোড়া গুলিতে টেকনাফে কিশোরী নিহত
- ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: আপিল শুনানির দ্বিতীয় দিনের কার্যক্রম চলছে
- জকসু নির্বাচনে ছাত্রদলের সাদমান সাম্যর চমকপ্রদ জয়
- ঝিনাইদহের ‘গোল্ডেন গার্ল’ জয়িতা এবার নারী জাতীয় ক্রিকেট দলে
- সংসার ভাঙছে তাহসান-রোজার
- বিক্ষোভে অগ্নিগর্ভ ইরান, সামরিক শক্তি প্রয়োগের ঘোষণা আইআরজিসির
- নোবেল ট্রাম্পকে দিতে চান মাচাদো, সানন্দে রাজি ট্রাম্প
- মানবপাচারের ফাঁদে পড়ে প্রবাসে যুবকের মৃত্যু, ফুঁসছে শৈলকুপা
- লুটপাটের সংস্কৃতি আর কখনই ফিরতে দেওয়া হবে না: গভর্নর
- মতপার্থক্য থাকলেও ডেমোক্রেসি বজায় রাখতে হবে: তারেক রহমান
- বি১ ভিসা শর্তাবলি ইতিবাচকভাবে বিবেচনার আশ্বাস
- ভবিষ্যৎ সাংবাদিকতায় স্বাধীনতা নিশ্চিতে তারেক রহমানের আহ্বান
- শপথ নিলেন বাংলাদেশের নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন
- তিন মাসের জন্য স্থগিত এনইআইআর কার্যক্রম
- এলপি গ্যাস ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার, বিক্রি শুরু
- লালমনিরহাট-২: বিএনপি প্রার্থীর আওয়ামী লীগ প্রীতিতে ক্ষুব্ধ তৃণমূল
- মধ্যরাতে চট্টগ্রামে তিন শতাধিক মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ
- নির্বাচন ঘিরে তিন লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামছে যৌথবাহিনী
- তারেক রহমানের বাসার সামনে থেকে এলিট ফোর্সের সদস্যসহ ২ জন আটক
- দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ঈশ্বরদীতে
- বুটেক্স ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত
- ঢাকায় এনসিপির ৮ প্রার্থী: ২ কোটিপতি, একজনের নেই কোনো আয়
- নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাবে না জাতিসংঘ
- ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: ২৮ শতাংশ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল
- কুমিল্লা-৯ আসনে বিএনপির মিডিয়া ম্যানেজার বেলাল রহমান মজুমদার
- ভেনেজুয়েলা সংকট: শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ
- দুর্নীতির অভিযোগে আলোচনায় আজগরা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ
- যমুনা ও সচিবালয় এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ
- বিটিআরসি ভবনে হামলার বিচার হবে: ফয়েজ তৈয়্যব
- বিক্ষোভে অগ্নিগর্ভ ইরান, সামরিক শক্তি প্রয়োগের ঘোষণা আইআরজিসির
- অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েই হাদি হত্যা মামলার বিচার শেষ হবে
- বিএনপির চেয়ারম্যান হলেন তারেক রহমান
- সংসার ভাঙছে তাহসান-রোজার
- টক এবং মিষ্টি স্বাদের চাম কাঁঠাল এখন বিলুপ্তপ্রায়
- পর্যটকদের আকৃষ্ট করছে কুমিল্লার ঘোগরাবিল
- ঠাকুরগাঁওয়ে সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত
- দঃ সুনামগঞ্জে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস উপলক্ষে র্যালী ও আলোচনা
- লাকসামে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অনশন
- লাকসাম মনোহরগঞ্জের বন্যার্তদের পাশে নবযাত্রা বাংলাদেশ
- শরীয়তপুরে অনুষ্ঠিত হলো ফুটবল টুর্নামেন্ট পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠান
- মেলান্দহ উপজেলা চেয়ারম্যান’কে কোণঠাশা করার চেষ্টা
- গাছের সাথে বেঁধে গৃহবধূকে নির্যাতন
- লালমাইতে ট্রাক-বাসের মুখমোখী সংর্ঘষে নিহত ২, আহত ১৫ : ছবিসহ
- জমি নিয়ে বিরোধ, গভীর রাতে সন্ত্রাসী হামলা
- জোয়ার-ভাটার সঙ্গে যুদ্ধ নিম্নস্তরের এলাকা বাসিন্দাদের
- মরুভূমির গাছের ফল ধরল বাংলাদেশের মাটিতে! দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড়
- লবণ গুজবে সারা দেশে পুলিশকে মাঠে নামার নির্দেশ
- দক্ষিণ সুনামগঞ্জে দুর্নীতিবিরোধী দিবসে র্যালী ও আলোচনা সভা
