শনিবার   ৩০ আগস্ট ২০২৫   ভাদ্র ১৪ ১৪৩২   ০৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৭

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
১২

বিআইডব্লিউটিএ টেন্ডারে অনিয়ম, পছন্দের প্রতিষ্ঠানে স্থগিতাদেশ

অনলাইন ডেক্স

প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৫  

বাংলাদেশ ইনল্যান্ড ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিএ)-র ফেরি ও লঞ্চ সেবার জন্য ই-টিকিটিং সিস্টেম বাস্তবায়নের কার্যাদেশ স্থগিত হয়েছে। বিআইডব্লিউটিএর কার্যনির্বাহী প্রকৌশলী (আইসিটি) খন্দকার আবদুল্লাহ আল মামুন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে গত ২০ আগস্ট কার্যাদেশ স্থগিত করা হয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে, কার্যাদেশ দেয়ার ক্ষেত্রে কোয়ালিটি অ্যান্ড কস্ট বেসড সিলেকশন (Quality and Cost Based Selection) পদ্ধতিতে বিজয়ী প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ না দিয়ে চেয়ারম্যানের পছন্দের প্রতিষ্ঠানকে নির্বাচিত করা হয়েছিল। ফলে কার্যাদেশ স্থগিত হয়ে যায়।

প্রসঙ্গত, বিআইডব্লিউটিএর লঞ্চ ও ফেরি সেবার টিকিট ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম, হয়রানি ও সিন্ডিকেট দীর্ঘদিনের অভিযোগ।
 

পছন্দের প্রতিষ্ঠানের পক্ষে মার্কেট তৈরির জন্য চাঁদা সৃষ্টি করেছিলেন। তবে কমিটি নির্ধারণের সুপারিশ অনুযায়ী সম্পূর্ণ কার্যাদেশ প্রদান না করায় ই-টিকিটিং টেন্ডারের স্থিতি স্থগিতের সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এই কার্যাদেশ স্থগিত হওয়ায় সার্বিকভাবে বিআইডব্লিউটিএর লঞ্চ ও ফেরি সার্ভিস ব্যাহত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সূত্র জানায়, পিপিআর-২০০৮-এর বিধি ৫৭(৫) অনুযায়ী কোয়ালিটি অ্যান্ড কস্ট বেসড সিলেকশন পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ নম্বর প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ প্রদান করতে হবে। কিন্তু বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান শাজাহান খান নিজ পছন্দের প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দিতে গিয়ে নিয়ম ভঙ্গ করেন। এ কারণে কার্যাদেশ স্থগিত হয়ে যায়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের অনিয়ম সরকারের স্বচ্ছতা ও ডিজিটাল বাংলাদেশ/স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে। অনিয়ম রোধে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কঠোর পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন।

অন্যদিকে, পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে লঞ্চ-ফেরি সেবায় ই-টিকিটিং চালু করা জরুরি হয়ে পড়েছে। স্বচ্ছ টিকিটিং সিস্টেমের মাধ্যমে যাত্রীদের হয়রানি ও সিন্ডিকেট কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, বিআইডব্লিউটিএর ই-টিকিটিং টেন্ডার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা না থাকায় কার্যাদেশ স্থগিত হওয়ায় নতুন করে আবারও টেন্ডার আহ্বান হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এই বিভাগের আরো খবর