শনিবার   ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬   ফাল্গুন ১ ১৪৩২   ২৬ শা'বান ১৪৪৭

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
৩৬২

নীলফামারীর এভারগ্রীন কারখানায় অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করেছে বহিরাগতরা

মোঃ নাঈম শাহ্, নীলফামারী প্রতিনিধিঃ

প্রকাশিত: ৭ জুলাই ২০২০  

নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেডের এভারগ্রীন প্রোডাক্ট ফ্যাক্টরি বিডি লিমিটেড কারখানায় অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করেছে বহিরাগতরা, এভারগ্রীন কারখানায় কর্মরত কোনো শ্রমিক কারখানায় অগ্নিসংযোগ করে নি, কারণ বহিরাগতরা যখন আমার ওপর ইটপাটকেল ছুরছিল তখন আমার কারখানার শ্রমিকেরা মানববেষ্টনি তৈরি করে আমাকে রক্ষা করেছিল, ফ্যাক্টরীতে ২১ হাজার শ্রমিক আছে তারা কখনো আমার ফ্যাক্টরীর ক্ষতিসাধন করবে না বলে দাবি করেন এভারগ্রীণ কোম্পানীর চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী ফিলিক্স ওয়াই সি চ্যাঙ। রবিবার (০৬ই জুলাই) দুপুরে এভারগ্রীণ প্রোডাক্টস ফ্যাক্টরীর কর্মকর্তার সাথে নীলফামারী জেলা রিপোটার্স ইউনিটির সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালে তিনি এসব কথা বলেন।  

তিনি দাবি করে বলেন, গত শনিবার (২৭ই জুন) কোম্পানীর কার্যক্রম শুরুর আগেই সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে একটি স্বার্থান্বেষী মহল পূর্বপরিকল্পিত শ্রমিকদের বিভ্রান্ত ও উত্তেজিত করে । শ্রমিকদের উত্তেজিতো করার সুযোগে স্বার্থান্বেসী মহল প্রথমে সিসি ক্যামেরা ভাঙ্কচুর করে কারখানায় ভাঙ্কচুর, অগ্নিসংযোগ করে কোম্পানীর ভোল্টে রাখা ৯০ লাখ টাকা নিয়ে যায়। যারা এ কাজটি করেছেন তারা কেউই শ্রমিক ছিল না হামলার শিকার কর্মকর্তা কর্মচারীরা সকলেই শ্রমিকদের চেনেন। কিন্তু যারা লুটপাট, ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগে জড়িত ছিলেন তারা সকলেই অপরিচিত ছিলেন । প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত শাস্তির আওতায় আনার দাবী করেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, নীলফামারী ও বাংলাদেশকে আমি পছন্দ করি। তাই উত্তরা ইপিজেড এভারগ্রীণ ফ্যাক্টরীতে আমার ১ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ রয়েছে। কিন্তু এখানে পরিবেশ ও নিরাপত্তা ভালো হলে আমি এখানে আরো বিনিয়োগ করতে চাই। গত ২৭শে জুনের সন্ত্রাসী হামলায় আমার যেসব শ্রমিকেরা আহত হয়েছে তাদের চিকিৎসা সহ যাদের সাইকেল মটর সাইকেল নষ্ট হয়েছে তাদের অর্ধেক ক্ষতিপুরণ দিবো। আমি শ্রমিকদের করোনামুক্ত রাখার জন্য মাস্ক, সাবান, স্যানিটাইজার সহ বিভিন্ন উপকরণ ফ্রি দিয়ে আসছি। তিনি নীলফামারীতে স্থানীয় ভাবে একটি সংবাদপত্র বের করবেন বলে ঘোষনা দেন।

সূত্রমতে জানা যায়, নগদ ৯০ লাখ টাকা লুট হয়েছে। আগুনে পুড়ে গেছে দুটি কাভার্টভ্যান, ১০টি মোটরসাইকেল ও ৫০ টি বাইসাইকেলসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি। নষ্ট করেছে ৫ টি ফর্ক লিস্টার, ৪৫০ টি সিসি ক্যামেরা, ৩২০ টি কম্পিউটার, ৩২০ টি হার্ডডিক্স সহ অসংখ্য আসবাবপত্র সহ প্রয়োজনীয় অনেক কাগজপত্রাদী। এতে আমাদের সম্মুখীন হতে হয়েছে প্রায় ১৫-২০ কোটি টাকা।

জেলা রিপোটার্স ইউনিটির সাথে মতবিনিময়কালে উপস্থিত ছিলেন প্রোডাক্টস ফ্যাক্টরীর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মেজর কাজী ফেরদৌস উল আলম (রিট), হাউসকিপার ট্রেনিং সেন্টার ডেপুটি ম্যানেজার মেজর মো: হারুন অর রশীদ (রিট) সহ জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক সহ সকল সদস্য। 

এই বিভাগের আরো খবর