রোববার   ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬   মাঘ ২৬ ১৪৩২   ২০ শা'বান ১৪৪৭

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
২১

ইসলামী আন্দোলন ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতি শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনবে

তরুণ কণ্ঠ অনলাইন

প্রকাশিত: ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬  

বিটিভিতে বক্তব্য দিচ্ছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

বিটিভিতে বক্তব্য দিচ্ছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর) বলেছেন, বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা হলো দুর্নীতি। আমরা ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতি শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনবো। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টায় জাতির উদ্দেশে বিটিভিতে দেয়া ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক, প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বিভিন্ন কৌশলে দুর্নীতি রোধ করা হবে। আর্থিক খাতে সচ্ছতা জোরদার করা হবে। রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের দুর্নীতির ক্ষেত্রে দৃষ্টান্তমূলক প্রকাশ্যে শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

 

ভাষণে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির রাষ্ট্র গঠনে নীতিগত পরিকল্পনা, রাষ্ট্র সংস্কারে কর্মপদ্ধতি, বিশেষ কর্মসূচি ও খাতওয়ারি পরিকল্পনা তুলে ধরেন। এছাড়া ভোট প্রদানে ইসলামের নীতি ও অবস্থানও ব্যাখ্যা করেন তিনি। তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পেরিয়ে গেলেও কাঙ্ক্ষিত সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়নি। বরং দেশে অস্থিরতা বেড়েছে। অতীতে যারা ক্ষমতায় ছিলেন তারা এর দায় এড়াতে পারে না।

 

আমির বলেন, ভুল নীতি ও নেতাকে ভোট দেয়ার মাধ্যমে এর দায় সাধারণ মানুষের ওপরও বর্তায়। ভুল নীতি ও নেতার কারণে দেশকে কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে নেয়া যায়নি। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সেই ভুল থেকে বেরিয়ে দেশকে সমৃদ্ধশালী করতে চায়। এতে সাধারণ জনগণের ভোটই হবে একমাত্র সহায়ক। তিনি ভাষণে দলের ৩০ দফা ইশতেহার পাঠ করেন। এর আগে ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের এসব বক্তব্য রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) সম্প্রচার করা হয়েছে।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তার বক্তব্যে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশা বাস্তবায়নে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরবেন চরমোনাই পীর। পাশাপাশি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও বোধ-বিশ্বাসের প্রতিফলন ঘটানোর বিষয়ে প্রস্তাবনা উপস্থাপন করবেন। এ ছাড়া রাষ্ট্র গঠনে নীতিগত পরিকল্পনা, রাষ্ট্র সংস্কারের কর্মপদ্ধতি, বিশেষ কর্মসূচি ও খাতভিত্তিক পরিকল্পনাও তুলে ধরা হয়েছে। ভোট প্রদানে ইসলামের নীতি ও অবস্থান সম্পর্কেও বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। ভাষণে চরমোনাই পীর আরও বলেন, আগামীতে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ ক্ষমতায় গেলে রাষ্ট্র পরিচালনায় ইসলামের মূলনীতিকে প্রাধান্য দেওয়া হবে।

এই বিভাগের আরো খবর