তরুণ কণ্ঠ অনলাইন

প্রকাশিত: ৮ ঘন্টা আগে, ০৯:১৩ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

ওয়াং ই-এর অভিযোগ

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ইচ্ছাকৃতভাবে কূটনৈতিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করেছে

সংগ্রহীত ছবি

চীনের মোট তেলের চাহিদার প্রায় ৭০ শতাংশই আমদানিনির্ভর। এর মধ্যে প্রায় অর্ধেক তেল আসে হরমুজ প্রণালি হয়ে, যা মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট।

বেইজিং ইরান ছাড়াও ইরাক, সৌদি আরব ও কুয়েতসহ উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশ থেকে তেল আমদানি করে থাকে।

অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি গভীর উদ্বেগ নিয়ে পর্যবেক্ষণ করছে চীন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করে বেইজিং বলেছে, ইরানকে ঘিরে পারমাণবিক আলোচনা ইতিবাচক ধারায় এগোচ্ছিল।

সোমবার চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ওমান, ইরান এবং ফ্রান্স-এর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। তার মূল্যায়ন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইচ্ছাকৃতভাবে কূটনৈতিক প্রক্রিয়াকে ভণ্ডুল করেছে এবং এর ফলে অঞ্চলটি এক “অপরিবর্তনীয় পরিস্থিতি”-র দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।

চীন বরাবরই যুদ্ধবিরতি ও আলোচনার টেবিলে ফেরার আহ্বান জানিয়ে আসছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের অন্যতম বড় অর্থনৈতিক অংশীদার হিসেবে চীন কৌশলগত ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করছে। বেইজিং ইরানকে বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে উল্লেখ করেছে এবং নিজ ভূখণ্ড ও স্বার্থ রক্ষার অধিকারকে সমর্থনের কথা বলেছে। তবে সম্ভাব্য প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপের বিষয়ে সরাসরি সমর্থন দেয়নি।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইরানকে অস্ত্র সরবরাহ বা সামরিক সহায়তার অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, তাদের অবস্থান রাজনৈতিক ও নৈতিক সমর্থনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

মন্তব্য করুন