রোববার   ১১ জানুয়ারি ২০২৬   পৌষ ২৭ ১৪৩২   ২২ রজব ১৪৪৭

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
৩৪৩

ভিজিডি কার্ডের লটারি, হত দরিদ্রদের আহাজারি

শারমিন আক্তার

প্রকাশিত: ২৮ ডিসেম্বর ২০২০  

স্বচ্ছতা বজায় রাখতে, সামাজিকতার উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে, চেয়ারম্যান-মেম্বার ও রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের দের খামখেয়ালি পনা জনসম্মুখে প্রকাশ করতে জনাব আলহাজ্ব মির্জা আজম এমপি'র ০৪ ডিসেম্বর রোজ শুক্রবারের ভিজিডি কার্ডের এই লটারি।

জনাব মির্জা আজম এমপি মেলান্দহ বাসীর কাছে ন্যায্য প্রাপ্তীটা পৌছে দিতে নিয়েছিলেন লটারির এই উদ্যোগ কিন্তু এই লটারিতে যাদের নাম উঠে এসেছে তাদের মধ্যে ৭০% মানুষ দারিদ্র্যসীমার উপরের। কেননা আবেদন তো যে কেউই করতে পারে।

আবেদন কারীদের মধ্যে ৪ নং নাংলার রিপা বেগম, ৬ নং আদ্রার মিনা খাতুন, ৯ নং ঘোষেরপাড়ার জান্নাত ফেরদৌস ও ১০ নং ঝাউগড়ার মোর্শেদা বেগমের মত আরো অনেকেই যারা ভিজিডি কার্ড পাওয়ার যোগ্য এবং আবেদন করেওছে কিন্তু লটারিতে তাদের নাম উঠেনি।

লটারিতে বাদ পড়া হত দরিদ্রদের চাওয়া হলো জনাব মির্জা আজম এমপি মহোদয় যেন লটারির বিষয়টি সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে একটু খতিয়ে দেখেন।কেননা চেয়ারম্যান মেম্বার ও স্ব স্ব ওয়ার্ড ইউনিয়নের নেতা কর্মীরা আগেই এই ভিজিডি কার্ড নিয়ে গোলমাল পাকিয়ে এসেছে।এখন যদিও চেয়ারম্যান মেম্বার ও রাজনৈতিক নেতা-কর্মীরা ভুক্তভোগীদের সাবেক ঝামেলা মিটিয়েও দেন তবুও ভুক্তভোগীদের কিছু জটিলতা থেকেই যায়।

মেলান্দহ বাসীর এইটুকুই আবেদন যে জনাব মির্জা আজম এমপি মহোদয় যেন এই লটারির বিষয়টাকে আরো সুহ্মভাবে দেখেন, অর্থাৎ যাদের নাম লটারিতে উঠেছে তাদের পারিপার্শ্বিক অবস্থা একটু খতিয়ে দেখা হোক এবং আবেদনকারীদের মধ্যে যারা আসলে ভিজিডি কার্ড পাওয়ার যোগ্য সম্ভব হলে নতুন করে তাদেরকেই দেওয়া হোক।

মেলান্দহের ভুক্তভোগীরা এও বলেন যে , হতে পারে মেলান্দহ উপজেলায় সর্বমোট যতজন আবেদন করেছে সবার আবেদন নিয়ে লটারি করা হয়নি,যা হয়ত জনাব মির্জা আজম এমপি মহোদয়ের অবগত নয়।
তাই বিষয়টা পুনরায় দেখা হোক।প্রয়োজনে মেলান্দহ উপজেলায় সর্বমোট যতজন আবেদন করেছে সবার আবেদন কপি নিয়ে লটারি হোক।সবার আবেদন কপি লটারি করলে হিসাব অনুযায়ী যাদের নাম আসবে তারাই ভিজিডি কার্ড প্রাপ্ত হবেন।
 

এই বিভাগের আরো খবর