বুধবার   ১০ আগস্ট ২০২২   শ্রাবণ ২৬ ১৪২৯   ১২ মুহররম ১৪৪৪

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
৬৭৪

মাহে রমজানের পূর্বে ইবাদাতের প্রস্তুতি

আবদুল্লাহ মীর

প্রকাশিত: ২১ মার্চ ২০২১  

রাসুলুল্লাহ সাঃ বলেছেন,যে ব্যাক্তি তার দুটি অঙ্গের হিফাজতের দায়িত্ব নিবে, আমি স্বয়ং তার জন্য জান্নাতের দয়িত্ব নিব।
(১)জবান।
(২)লজ্জাস্থান।

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) যখন এ দায়িত্ব নিয়েছেন, তো আল্লাহ তায়ালা ও দায়িত্ব নিয়েছেন যে এই দুটি অঙ্গের হিফাজত করবে, আল্লাহ তাকে বাকী অঙ্গসমূহের হিফাজত ও পূর্ণ ইসলাম মানার তৌফিক দিয়ে দিবেন।

জানার বিষয় হলোঃ-
(১) জবানি যত অপরাধ বা গুনাহ হয়,  তা শয়তানি প্রবঞ্চনার দ্বারা হয়।
(২) আর খাহেশাত ও যৌন চাহিদা মূলক সকল অপরাধ নফসের ধোকা দ্বারা হয়।
বুঝা গেল মানুষের অপরাধ  দুই  ধরনের। 
(১) শয়তানি যার বহিঃপ্রকাশ জবান দ্বারা হয়।
(২) নফসানী যার বহিঃপ্রকাশ খাহেশাত বা যৌন চাহিদা দ্বারা হয়। 

"মানুষের প্রতিটি অপরাধ এ দুটির কোন একটির সাথে জড়িত। মানুষ যেমন খাহেশাত বা অন্যায় যৌনাচার দ্বারা জাহান্নামে যাবে, তেমনি জবান বা জিহবার গুনাহের মাধ্যমেও জাহান্নামি হতে হবে। কুফর, শিরক, মিথ্যাচার, অপরকে কষ্ট পৌঁছানো, চোগলখোরি, গিবত-শিকায়াত, সহ অধিকাংশ বড় বড় অপরাধ জবানের মাধ্যমে হয়ে  থাকে।যার একেকটা গুনাহ দীর্ঘ সময় জাহান্নামে পোড়ানোর জন্য যথেষ্ট। এর মধ্যে একটি অপরাধ হল গিবত বা অপরের দোষ চর্চা।  যেটাকে মানুষ সাভাবিক মনে করে, অথচ এ অপরাধের কারনে অধিকাংশ দ্বীনদারকেও জাহান্নামে যেতে হবে। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকে হিফাজত করেন। কুরআনে মাজীদে গীবতকে আপন মৃত ভাইয়ের গোশত ভক্ষনের সাথে তুলনা করা হয়েছে। সুতরাং গীবত সম্পর্কে কয়েকজন মনিষীর বক্তব্য আগামী পর্বে  তুলে ধরা হবে ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ  তায়ালা আমাদের কে কথাগুলো থেকে শিক্ষা নেওয়ার ও আমল করার তৌফিক দান করুন। আমীন।

আবদুল্লাহ মীর, প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল, জামিয়াতু আম্মার ইবনে ইয়াসির (রা:) মাদরাসা, কেরানীগঞ্জ, ঢাকা।