সোমবার   ৩০ জানুয়ারি ২০২৩   মাঘ ১৬ ১৪২৯   ০৮ রজব ১৪৪৪

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
৪০

মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যের উজ্জ্বল নক্ষত্র

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ জানুয়ারি ২০২৩  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যের আকাশে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। কালজয়ী এ সাহিত্যিকের লেখায় ফুটে উঠেছে বাঙালির স্বজাত্যবোধ ও স্বাধীনচেতা মনোভাব। তার অনন্য সাহিত্যকর্ম বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ। বুধবার (২৫ জানুয়ারি) মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ১৯৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার জন্মস্থান যশোর জেলার সাগরদাঁড়িতে ২৫-৩১ জানুয়ারি সাতদিনব্যাপী মধুমেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষে আমি কবির স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, সাহিত্যের প্রবাদ পুরুষ মধুসূদন দত্ত বাংলা ভাষায় মহাকাব্য রচনা এবং বাংলা কবিতায় অমিত্রাক্ষর ছন্দ প্রবর্তনের পথিকৃৎ। বিশ্ব সাহিত্যের ভাণ্ডারে প্রবেশ করে মণি-মুক্তা আহরণ করে তিনি বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন। নাটক, প্রহসন, মহাকাব্য, পত্রকাব্য, সনেট ও ট্রাজেডিসহ সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় তার অমর সৃষ্টি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে উন্নত মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মধুমেলা উপলক্ষে স্মরণিকা ‘মধুকর’ প্রকাশের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। এ শ্রদ্ধা স্মারক কবির অনন্য সাহিত্য প্রতিভা ও দেশাত্মবোধ নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি মনে করি। আমি ‘মধুমেলা ২০২৩’- এর সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।

১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোরের কেশবপুর উপজেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রামের জমিদার দত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন মধুসূদন দত্ত। তার বাবা জমিদার রাজ নারায়ণ দত্ত আর মা জাহ্নবী দেবী। তিনি ‘পদ্মাবতী’ নাটক, ‘একেই বলে সভ্যতা’ ও ‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ’ নামের দুটি প্রহসন, ‘মেঘনাদবধ কাব্য’, ‘ব্রজাঙ্গনা কাব্য’, ‘কৃষ্ণকুমারী’ নাটক, ‘বীরাঙ্গনা কাব্য’ ও ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলি’ রচনা করেন।

বাংলা সাহিত্যে গাম্ভীর্যপূর্ণ অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তন করেন মধুসূদন। ১৮৫৩ সালে তিনি খ্রিষ্টান ধর্ম গ্রহণ করেন তার নামের সঙ্গে ‘মাইকেল’ যুক্ত হয়।

এই বিভাগের আরো খবর