শুক্রবার   ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬   মাঘ ৩০ ১৪৩২   ২৫ শা'বান ১৪৪৭

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
১২৭৬

পূর্ব বিরোধের জেরে খুন হন মুন্না: ডিসি শাহ ইফতেখার আহমেদ

তরুণ কণ্ঠ রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১ সেপ্টেম্বর ২০২০  

এক বছর আগের বিরোধের জেরে যুবক খুনবক্তব্য রাখছেন ডিএমপির ওয়ারী বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) শাহ ইফতেখার আহমেদ ঢাকা: গত বছর আশুরার দিনে মারধরের প্রতিশোধ নিতে এ বছর সকালে পাল্টা মারধর। এর জের ধরে বিকেলে প্রতিপক্ষের পাল্টা আক্রমণে খুন হন মুন্না (১৮)।

গত রোববার (৩০ আগস্ট) বিকেলে ওয়ারী থানার চন্দ্রমোহন বসাক স্ট্রিটের কাছে ছুরিকাঘাতে নিহত হন মুন্না। এ ঘটনায় চারজন প্রাপ্ত বয়স্কসহ মোট ১৭ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতাররা হলেন- বাপ্পী (২৩), মো. ফেরদৌস (১৮), জিসান (১৯) ও লাবিব (১৮)। বাকি ১৩ জন অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় তাদের নাম প্রকাশ করেনি পুলিশ।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান ডিএমপির ওয়ারী বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) শাহ ইফতেখার আহমেদ।

পুলিশ জানায়, এক বছর আগে আশুরার দিনে কথা কাটাকাটির জেরে নিহত মুন্না, তার বন্ধু বিজয়সহ কয়েকজনকে মারধর করে বাপ্পী, সায়েম ও ফেরদৌসরা। এ বছর আশুরার দিন সকালে গত বছরের প্রতিশোধ নিতে সায়েমদের মারধর করে বিজয় ও মুন্নারা। এদিন বিকেলে বাপ্পী ও সায়েমরা আবার সংগঠিত হয়ে মুন্না ও তার বন্ধুদের মারধর করে। এসময় মুন্না নিহত হন।

ডিসি শাহ ইফতেখার বলেন, গত ৩০ আগস্ট চন্দ্রমোহন বসাক স্ট্রিটের কাছে মুন্না ও শাহিনকে কয়েকজন মিলে চাকু ও লোহার রড দিয়ে আঘাত করে গুরুতর জখম করেন। মুমূর্ষু অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মুন্নাকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত শাহিন গুরুতর অবস্থায় ঢামেকে চিকিৎসাধীন। তার অবস্থাও সংকটাপন্ন।

এ ঘটনায় মুন্নার বাবা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে গত সোমবার (৩১ আগস্ট) ওয়ারী থানায় মামলা দায়ের করেন। পরবর্তী সময়ে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

তিনি আরও বলেন, গ্রেফতারকৃতরা অধিকাংশই কর্মজীবী কিশোর। প্রায় এক বছর আগে গ্রেফাতারকৃত বাপ্পী ও ভিকটিম মুন্নার সঙ্গে শরীরে ধাক্কা নিয়ে ঝগড়া ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ ঝগড়া শক্রতায় রূপ নিয়ে প্রতিশোধ নিতেই গ্রেফতারকৃরা মুন্না ও শাহিনকে মারধর করে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, আসামিদের মধ্যে বাপ্পী, ফেরদৌস ও সায়েম ঘটনার সময় মুন্নাকে চাকু ও লোহার রোড দিয়ে আঘাত করে। বাকিরা সহযোগী হিসেবে ছিলেন।

এই বিভাগের আরো খবর