শুক্রবার   ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬   মাঘ ৩০ ১৪৩২   ২৫ শা'বান ১৪৪৭

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
২৯৩

দেনার দায়ে ডুবতে বসেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন

তরুণ কণ্ঠ রিপোর্ট

প্রকাশিত: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২০  

দেনার দায়ে ডুবতে বসেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। ঠিকাদারসহ বিভিন্ন সংস্থার এখন সিটি কর্পোরেশনের কাছে হাজার কোটি টাকার বেশি পাওনা রয়েছে। টাকার অভাবে বন্ধের পথে ভাঙাচোরা সড়কের মেরামতসহ উন্নয়ন কাজ। এ অবস্থায় থোক বরাদ্দের আশায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে ধর্না দিচ্ছেন নব নিযুক্ত প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন।

ভাঙা-চোরা সড়কে অনেকটাই যানবাহন চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। নগরীর সড়কগুলোর বর্তমানে বেহাল দশা। শুধু যে সড়কের বেহাল অবস্থা তা নয়। সিটি কর্পোরেশনের সেবা খাতও চলছে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে। বিদ্যুৎ বিলের অভাবে রাতে রাস্তায় বাতি জ্বলে না। কারণ আর্থিক সংকট। আর টাকা না থাকায় কোনো কাজই করতে পারছেন না নব নিযুক্ত প্রশাসক।

নগর পরিকল্পনাবিদ স্থপতি আশিক ইমরান বলেন, 'এমন কোনো রাস্তা নেই যে চলাচলের উপযোগী আছে। এখন সিটি করপোশনের যে কাজ চলছে তা অত্যন্ত ধীরগতিতে।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন বলেন, 'সিটি করপোরেশনের এমন অবস্থা হয়েছে যে নুন আনতে পান্থা ফুরায়। কেউ আর করপোরেশনকে বাকি দিতে চাচ্ছে না।

টাকার অভাবে শুধু যে উন্নয়ন কিংবা সংস্কার কাজ বন্ধ রয়েছে তা নয়। বিভিন্ন সংস্থা পাওনা টাকা চেয়ে কর্পোরেশনের কাছে ধর্না দিচ্ছে। সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, ঠিকাদাররাই সিটি কর্পোরেশনের কাছে পাওনা রয়েছে ৭২৫ কোটি। দায় মেটাতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন এবং গ্র্যাচুয়িটির টাকাও ভাঙা হয়ে গেছে। যার পরিমাণ দেড়শ কোটি টাকা। এর বাইরে পিডিবির পাওনা প্রায় ২৯ কোটি টাকা।

টি আই বি কেন্দ্রীয় পর্ষদের সদস্য প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন মজুমদার বলেন, 'ভবিষ্যতে সরকার যদি একটা থোক বরাদ্দ দেয় অথবা পুরোটা সরকার ধার মিটিয়ে দেয় তাহলে এই দায় থেকে বেরোতে পারবে সিটি করপোরেশন।

নগর পরিকল্পনাবিদ প্রকৌশলী আলী আশরাফ বলেন, 'সিটি করপোরেশনের অনেক সমস্যা, এর সাথে আমাদের উন্নয়ন সম্পর্কিত।

এই অবস্থায় সংকট কাটাতে বরাদ্দের পাশাপাশি অনুদান পাওয়ার আশায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন।

তিনি বলেন, 'এলজিআরডি মন্ত্রীর কাছে সাড়ে ৩শ কোটি টাকার একটি বরাদ্দ চেয়েছি ধার মেটাতে।

কর্পোরেশনের আর্থিক সংকটের জন্য অভিযোগের তীর সদ্য বিদায়ী মেয়র আ জ ম নাছিরের দিকে হলেও এই প্রসঙ্গে তিনি কোন কথা বলতে রাজি হননি।

এই বিভাগের আরো খবর