‘এমন বাংলাদেশ দেখলে ভাই হয়তো মুক্তিযুদ্ধে যেতেন না’: জামায়াত আমির
তরুণ কণ্ঠ প্রতিবেদন
প্রকাশিত: ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণায় হবিগঞ্জে গিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, তিনি নিজেও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। বর্তমান বাংলাদেশের যে চিত্র, সেটি দেখলে তার ভাই হয়তো মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতেন না। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে হবিগঞ্জ নিউ ফিল্ড মাঠে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি।
জামায়াতের আমির বলেন, এখনও মায়েরা ঘরের মধ্যে নিরাপদ নয়। ঘর থেকে বের হলে এবং কর্মস্থলেও নিরাপদ নয়। এখনো প্রিয় দেশে চাঁদাবাজ ও মামলাবাজদের ভয়ে নিরীহ মানুষ অস্থির। দুর্নীতিতে দেশ ছেয়ে গেছে। মানুষ কি এই বাংলাদেশ চেয়েছেন? আমি বিশ্বাস করি এখানে রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাও আছেন। অথবা তাদের সন্তানেরা আছেন। আমিও এক শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য। আমার যে ভাই জীবন দিয়েছেন। আমি বিশ্বাস করি, এমন বাংলাদেশের চিত্র দেখলে তিনি হয়তো মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করতেন না।
জীবন বাজি রেখে, জীবন দিয়ে যারা আমাদেরকে ঋণী করে গেলেন তাদের প্রতি এই দেশ, এই জাতি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ কি সম্মান দেখালো? তিনি বলেন, শহীদদের স্বপ্ন ছিল একটি ন্যায় ও সাম্যের বাংলাদেশ গড়বে। মানুষের জীবনে অর্থনৈতিক মুক্তি আসবে। সন্তানরা সুশিক্ষা পাবে। আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা তারা তাদের স্বাস্থ্যের পরিচর্যার সমস্ত অধিকার ভোগ করবে। সমাজে নিরাপত্তা থাকবে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে।
আসলে কিছুই হলো না। এর জন্য কারা দায়ী? যারা দফায় দফায় দেশ পরিচালনা করার সুযোগ পেয়েছে তারা যদি ভালো কিছু করে থাকে তার জন্য এবং অপকর্ম যদি করে থাকে তার জন্যও তারাই দায়ী। ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, কেউ একেবারে ভালো কিছু করেননি—এ কথা আমি বলছি না। কিন্তু এ দেশ সবুজ ছায়ায় ঘেরা, উর্বর একটি দেশ। এ দেশে অনেক সম্পদ আছে। কিন্তু এ দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হচ্ছে না কেন? শুধু অসৎ নেতৃত্বের কারণে এ দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হচ্ছে না। গত সাড়ে ১৫ বছরে কমপক্ষে ২৮ লাখ কোটি টাকা বাংলাদেশ থেকে বিদেশে পাচার হয়েছে। এ টাকাগুলো কার? এ টাকাগুলো ১৮ কোটি মানুষের। রাস্তায় যিনি ভিক্ষা করেন এই টাকার অংশে তিনিও আছেন। আজকের জন্ম নেওয়া শিশুরও অংশ আছে। রাষ্ট্রের আয়ের তিনটি খাত—একটি হলো ট্যাক্স, আর একটি বিদেশি অনুদান, আর বিদেশি সাহায্য। এ তিনটি মিলে রাষ্ট্রের তহবিল গঠন হয়
। এই তিনটিতে সমস্ত মানুষ অংশীদার। তারা জনগণের টাকা চুরি করে বড়লোক হয়েছে। তারা পরিবারসহ টাকা বিদেশে পাঠিয়ে দিয়েছেন। জামায়াত আমির বলেন, আমরা দুর্নীতিমুক্ত একটা বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে ময়দানে নেমেছি। আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে দেশ পরিচালনার সুযোগ দিলে আমরা চাঁদাবাজদের হাত বন্ধ করে দেব। চাঁদাবাজরা আর চাঁদাবাজি করার সাহস পাবে না। রাজধানীর কিছু কিছু জায়গায় ভিক্ষুক ভিক্ষা করতে বসে—তাদেরও চাঁদা দিয়ে ভিক্ষা করতে হয়। রাজনীতি আমাদের পেশা নয়।
যারা রাজনীতিকে পেশা হিসেবে নিয়েছে তারা দুর্নীতি, চাঁদাবাজি করে। এরা আমাদের মা-বোনদের ইজ্জত রাখতে দেয় না। কিছু রাজনৈতিক বন্ধুরা আছেন—যারা মা-বোনদের কাপড় খুলে ফেলতে চান। তাদের কি মা-বোন নেই? আপনারা নিজেদের মা-বোনদেরকে সম্মান করা শিখুন। যদি আপনাদের মা-বোনদেরকে সম্মান করা শিখে থাকেন—তাহলে এ দেশের ৯ কোটি মা-বোনদেরকে আপনারা সম্মান করতে পারবেন। আমরা এই ভাই-বন্ধুদেরকে বলব, প্লিজ এই অপকর্ম থেকে বিরত থাকুন।
তিনি হুঁশিয়ার করে বলেন, যদি আপনারা বিরত না থাকেন, ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন, গায়ে হাত তোলেন, কাপড় ধরে টান দেন তাহলে আমরা বলে দিচ্ছি, অনেক সহ্য করেছি। প্রয়োজনে জীবন দেব কিন্তু আর কাউকে মায়েদের ইজ্জত কেড়ে নিতে দেব না ইনশাআল্লাহ। আমি আপনাদেরকে আহ্বান করব, কেউ যদি এ ধরনের আচরণ করে তাহলে আপনারা সকলে মিলে এর প্রতিহত করবেন এবং পুলিশের হাতে দেবেন। কেউ যদি আপনাদের বিরুদ্ধে মামলা করে তাহলে আমার বিরুদ্ধে আগে মামলা করতে বলবেন।
তিনি ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা প্রসঙ্গে বলেন, আমরা ন্যায়বিচার কায়েম করার পক্ষে, ন্যায়বিচার কায়েম করতে চাই। একজন সাধারণ মানুষ অপরাধ করলে যে আইনের মাধ্যমে শাস্তি হবে, রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরাও যদি সেই অপরাধ করে তাদের সে আইনেই বিচার হবে। আইন কাউকে ছাড় দিয়ে কথা বলবে না। আইন সকলের জন্য সমান হবে। বিচার আর টাকার বিনিময়ে বিক্রি হবে না ইনশাআল্লাহ।
যে বাংলাদেশে আমার মা-বোন-কন্যা—কারও কোনো ইজ্জতের নিরাপত্তা নেই সেই বাংলাদেশ দেখতে চান না উল্লেখ করে আমিরে জামায়াত বলেন, এ বাংলাদেশও দেখতে চাই না, যে বাংলাদেশে চাঁদাবাজদের জ্বালায় সমস্ত মানুষ অতিষ্ঠ। ঐ বাংলাদেশও দেখতে চাই না, নিরীহ মানুষদেরকে মিথ্যা মামলা দিয়ে আদালতে হাজির করে হেনস্তা করা হয়। তাদের ওপর পৈশাচিক নির্যাতন করা হয়, সে বাংলাদেশও আমরা দেখতে চাই না। যারা নির্বাচিত হবেন তারা চরিত্র হারিয়ে লুণ্ঠনকারী হয়ে যাবেন, সেই বাংলাদেশও দেখতে চাই না।
তিনি নির্বাচিত প্রার্থীদের আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা সম্পর্কে বলেন, আমাদের অঙ্গীকার স্পষ্ট। আল্লাহ তায়ালার মেহেরবানিতে আপনাদের দোয়া ও ভালোবাসা পেয়ে আমাদের যারা নির্বাচিত হবেন তারা প্রতি বছর একবার তাদের আয়-ব্যয়ের হিসাব দিতে বাধ্য হবেন। শুধু নির্বাচিত প্রতিনিধি নন, তাদের পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের আয়-ব্যয়ের হিসাবও দিতে হবে।
তিনি শিক্ষার ব্যাপারে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শুধু কাগজের সার্টিফিকেট তৈরি করবে না। দক্ষ জনবল তৈরির কারখানা হবে। যারা দেশ গড়ার কারিগর হবে। সেই শিক্ষা আমরা হাতে দেব। আমরা যুবকদের হাতে বেকার ভাতা তুলে দিতে পারব না। আর বেকার ভাতাও তুলে দেব না। আমাদের যুবকেরা কারও কাছে বেকার ভাতা চায় না। তারা চায় তাদের হাতকে মর্যাদা দেওয়া হোক। তারা চায় তাদের হাতে মর্যাদার কাজ তুলে দেওয়া হোক।
তিনি যুবকদের প্রসঙ্গে বলেন, আমাদের জনবল নিয়ে আমরা গ্রামকেও শিল্প বানানোর পরিকল্পনা আছে। আমরা কৃষিভিত্তিক কলকারখানাও চালু করব। সেখানে শিক্ষিত যুবকেরা মেধা, যোগ্যতা দিয়ে গ্রামের চেহারা পাল্টে দেবে। আনন্দের সঙ্গে মা-বাবাকে নিয়ে বসবাস করবে। যুবকরা গর্বিত হয়ে বলবে—আমরাই বাংলাদেশ, এটা আমাদের বাংলাদেশ। আমরা সবাই মিলেমিশে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই বাংলাদেশকে গড়ব ইনশাআল্লাহ। আমরা সেই বাংলাদেশটা চাই, যেই বাংলাদেশে শিশুও গর্বের সঙ্গে বলবে এটা আমার বাংলাদেশ। আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা বলবে এটা আমার বাংলাদেশ।
তিনি শ্রমিকদের প্রসঙ্গে বলেন, চা-বাগানের আমাদের শ্রমিক ভাই-বোনেরা যারা আছেন, যারা অত্যন্ত অমানবিক জীবনযাপন করে এবং তাদের সন্তানেরা শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের সেবা থেকে বঞ্চিত। যুগ যুগ ধরে একই পেশায় পড়ে আছে। আমরা চা-বাগানেও আধুনিকতা কায়েম করব, প্রযুক্তিসমৃদ্ধ করব, সেই মানুষগুলোরও জীবনমানের পরিবর্তন করব ইনশাআল্লাহ। তাদের একটা সন্তানও শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হবে না।
তিনি বলেন, আমরা বারবার বলে আসছি—এই দেশে বংশানুক্রমে আমরা দেখছি রাজার ছেলে রাজা হয়, রানির ছেলে রানি হয়। আমরা সে ধারা পাল্টে দিতে চাই। একজন সাধারণ শ্রমিকের সন্তান যদি মেধাবী হয় তাহলে আমরা চাই সে মেধার বিকাশ ঘটিয়ে আগামী দিনের বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হবে। সেই রাজনীতিই আমরা চালু করতে চাই।
তিনি ‘হ্যাঁ’ ভোটে উৎসাহ দিয়ে বলেন, দুটি ভোট। প্রথমে গণভোট, গণভোটে মহান আল্লাহ তায়ালা যেন ‘হ্যাঁ’ ভোট বিজয়ী করেন। ‘হ্যাঁ’ ভোট বিজয়ী হলে পুরনো, পচা রাজনীতির চিত্র পাল্টে যাবে ইনশাআল্লাহ। ‘হ্যাঁ’ ভোটের বিষয় হলো বাংলাদেশ বিজয়ী হবে। ‘হ্যাঁ’ ভোট পরাজিত হলে বাংলাদেশ পরাজিত হবে। আল্লাহ তায়ালা যেন বাংলাদেশকেই বিজয়ী করেন। এরপর বাংলাদেশ বিজয়ী হলে বাংলাদেশ চালাবে কে? যাদের সৎ চরিত্র আছে, দেশের প্রতি দায়বোধ আছে, দেশের প্রতি অঙ্গীকার আছে, দেশপ্রেম আছে, যারা সামান্য বাতাসে দেশ ছেড়ে পালায় না—এই দেশ তারা চালাবে ইনশাআল্লাহ।
তিনি ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করে বলেন, আমরা আপনাদেরকে কথা দিচ্ছি—আমরা সব ধরনের বিভক্তিকে ঘৃণা করি। বাংলাদেশকে আর বিভক্ত করতে দেব না। চারটি ধর্মের মানুষ এই বাংলাদেশে যুগ যুগ ধরে বসবাস করে আসছে—মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান। এটি একটি ফুলের বাগানের মতো। ধর্মের ভিত্তিতে কারও ওপর বাড়াবাড়ি ইসলাম পছন্দ করে না। এটা হারাম।
তার ভাষ্য, কোনো বাড়াবাড়ি করার সুযোগ নেই। কোনো ধার্মিক মানুষ অন্য কোনো ধর্মের মানুষের ক্ষতি করতে পারে না। তার সাক্ষী এই বাংলাদেশের মানুষ। আলেম-ওলামা এবং আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। কিন্তু একটি অভিযোগের প্রমাণ কেউ করতে পারেনি। বরং যারা অভিযোগ এনেছে সেই সমস্ত লুটেরারাই ওদের প্রতিশোধ নিয়েছে। আমরা এই ধারা বন্ধ করে দেব ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, মেধার ভিত্তিতে যে কোনো ধর্মের মানুষ তার মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সেই ধরনের উপযুক্ত কাজ পাবে। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কাউকে আর বঞ্চিত করার সুযোগ থাকবে না। বিভিন্ন ধর্মের যে অনুষ্ঠান আছে তারা মন ভরে তাদের মতো করে পালন করবে। সেখানে কেউ বাধা দেওয়ার সাহস দেখাতে পারবে না। তাদের নিরাপত্তা ও সম্মানের সঙ্গে তাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান শেষ করবে তা অবশ্যই নিশ্চিত করব। যা আমরা গত ১৭ মাসে চেষ্টা করেছি। আমাদের কোনো সরকারি দায়িত্ব ছিল না। তারপরও আমাদের নৈতিক জায়গা থেকে আমরা চেষ্টা করেছি।
তিনি আরও বলেন, ‘হ্যাঁ’ ভোটের পরে দেশ পরিচালনার জন্য আমরা ইনসাফের পক্ষে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়েছি। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হলে সমাজে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, লুণ্ঠন—এসব বন্ধ হবে। এ জন্য ন্যায়বিচারের প্রতীক শুধু দাঁড়িপাল্লা নয়—১১ দলের যেখানে যে প্রতীক সেটাই ন্যায়বিচারের প্রতীক। এই হবিগঞ্জ জেলার ৪টি আসন। একটি আসনে দাঁড়িপাল্লা, দুইটি আসনে দেয়ালঘড়ি, আর একটি আসনে রিকশা। আপনাদের কাছে ৪টি আসনের সহযোগিতা চাইলাম। ৪টি আসন ইনসাফ ও ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের হাতে তুলে দিন।
জামায়াত আমির বলেন, আমাদেরকে একবার পরীক্ষা করে দেখুন। আমাদেরকে সুযোগ দিলে আমরা আপনাদের পাহারাদার হব। সম্পদ, ইজ্জতের পাহারাদার হব। এ দেশের মালিক হব না—সেবক হব। আপনারা যদি এই আমানত উপহার দিয়ে আমাদেরকে সাহায্য করেন তাহলে আপনাদের আস্থার প্রতিদান দেওয়ার অঙ্গীকারবদ্ধ। আল্লাহ যেন সেই অঙ্গীকার পালন করার তাওফিক দান করেন।
তিনি বলেন, আমি কথা দিচ্ছি—শুধু হাদি নয়, আবরার ফাহাদ, আবু সাঈদ ও হাদিসহ তাদের যত সহযোদ্ধা আমাদেরকে জীবন দিয়ে তাদের জীবন জাতির জন্য উপহার দিয়েছে, আমরা তাদের বিচার করব। তাঁদের হত্যাকারীদের বিচার এই বাংলার মাটিতেই হবে ইনশাআল্লাহ। তবে হ্যাঁ, ন্যায়বিচার হবে। যেনতেন বিচার হবে না। বিচারের নামে কারও ওপর অবিচার করা হবে না। ন্যায়বিচার আমরা নিশ্চিত করব। তাতে কেউ যদি মুক্তি পায়, পাক। শাস্তি পেলে শাস্তি পাবে।
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রের কর্মচারী-কর্মকর্তারা যারা আছেন তাদের প্রতি আমার অনুরোধ, আমরা সবাই মিলেই তো বাংলাদেশ। এটি আমাদের সকলের বাংলাদেশ। বাংলাদেশটা ভালো হলে আমরা সবাই ভালো থাকতে পারব। একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য জনগণের যেমন দায়িত্ব আছে তেমনি রাষ্ট্রীয় কর্মচারী-কর্মকর্তাদেরও সেই দায়িত্ব আছে। আমরা দোয়া করি, তারা কোনো দলের নয়, কোনো ব্যক্তির নয়, তারা হবে ১৮ কোটি মানুষের। আমি ঘোষণা দিচ্ছি, আমি জামায়াতে ইসলামীর বিজয় চাই না, আমি চাই বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের বিজয়।
- তারেক রহমানের ৯ দফা: ‘৭৪-এর কালো আইন’ বাতিলের অঙ্গীকার বিএনপির
- বিএনপির কাইয়ুমের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে এবার আপিল বিভাগে নাহিদ
- নারীদের ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকের ১০ হাজার টাকা ঋণ মওকুফ হবে: তারেক
- ৯ বছরের হুজাইফা ২৭ দিন লড়াই করে হার মানল
- ‘এমন বাংলাদেশ দেখলে ভাই হয়তো মুক্তিযুদ্ধে যেতেন না’: জামায়াত আমির
- গণমাধ্যমের কাছে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা প্রত্যাশা করে সরকার
- তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নই হবে আমাদের প্রধান কাজ: তারেক
- আমরা মানুষের মৌলিক চাহিদা নিয়ে কাজ করছি: জহির রায়হানের ছেলে তপু
- রাজধানীর ১৪ স্থানে জনসভা করবেন তারেক রহমান, কবে কোথায়
- হামাসকে সমর্থনের অভিযোগে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সহায়তা বন্ধ
- অনির্দিষ্টকালের জন্য অচল হচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর
- ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে একটি দল: মাহদী আমিন
- ভোটের আগে অনেকে ভাই বলে, পরে শালার মর্যাদাও দেয় না: জামায়াত আমির
- ভয়াবহ মোবাইল আসক্তিতে বিপন্ন নতুন প্রজন্ম: কাদের গনি চৌধুরী
- ভোটারদের সচেতন করতে নির্বাচনী তথ্য দেখাচ্ছে মেটা
- বিশ্বকাপে না থাকায় হতাশা: আকরাম-হাবিবুল-নাফীসের কণ্ঠে কান্নার সুর
- বিএনপি এককভাবে জিতবে, জামায়াতের সঙ্গে ঐক্য সরকার নয়: তারেক রহমান
- সিলেটের ১৯ আসনে ফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ৪ বিষয়
- চেক জালিয়াতির মামলায় যুবদল নেতা হাজতে
- একদিনের স্বর্ণের দাম কমল যত, বাড়লও তত
- ‘বাংলাদেশ ঠিকই করেছে’—ভারত ইস্যুতে যা বললেন কিংবদন্তি নাসের
- আজ ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী ও দিনাজপুরে যাচ্ছেন তারেক রহমান
- কালীগঞ্জে গণভোটে" হ্যাঁ " পক্ষে জোরালো প্রচারণা
- হাদি হত্যার বিচার দাবিতে লালমনিরহাটে ছাত্রদের অবরোধ
- কালিগঞ্জে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে জোরালো প্রচারণা
- ‘১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী নয়’ প্রস্তাবটি বিএনপিই সবার আগে দেয়
- বাংলাদেশ অটল থাকায় খুশি, পাকিস্তানের পাশে দাঁড়ানোও প্রশংসনীয়
- বিটকয়েনের দামে বড় ধাক্কা, এক সপ্তাহে ২০% পতন
- গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ও দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিন পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে আনব
- বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে যা আছে......
- ১২ তারিখ ভোট বানচালের চেষ্টা করবে একটি শক্তি: নাহিদ ইসলাম
- জমে উঠেছে কুমিল্লা -২ এ নির্বাচনী প্রচারণা
- নওগাঁ-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী শামসুজ্জোহা খানের পক্ষে প্রচারণ
- চাপারহাটে বাবুলের নেতৃত্বে অঘোষিত লকডাউন—ক্ষমতায় আসার আগেই প্রভাব
- কালীগঞ্জে চাঞ্চল্যকর ইলিয়াস হত্যা মামলার আসামী আটক।
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম ১২ শতাংশ কমল, ডলারের শক্তিতে ধস
- বৈশ্বিক বাজারে স্বর্ণ-রুপা ও তেলের দামে ধস
- জবিতে মন্দির স্থাপনের দাবিতে জবি ছাত্রদলের সংহতি
- গোবিপ্রবিতে নির্মাণাধীন মসজিদ বিতর্কে যা জানালেন উপাচার্য
- জবি ইউট্যাবের নতুন ৩৫ সদস্যের কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা
- বৃহত্তর লাকসাম ফাউন্ডেশন ইউএসএ ইনক-এর সভাপতি হলেন নূরে আলম
- কালীগঞ্জে গণভোটে" হ্যাঁ " পক্ষে জোরালো প্রচারণা
- দুবাইয়ে প্রবাসীদের নিয়ে স্বাস্থ্য বিষয়ক সেমিনার
- এপস্টাইন ফাইল: ব্ল্যাকমেইল, ক্ষমতা এবং ভূ-রাজনীতির গোপন অস্ত্র
- কত মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল বাংলাদেশ?
- এলপিজি সংকট শিগগির কাটছে না, আমদানি কমেছে ২১ হাজার টন
- টিকিটবিহীন যাত্রী বহনে তিন রেলকর্মী বরখাস্ত
- তিতুমীর কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
- নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে পদক্ষেপ গ্রহণ
- প্রতিবন্ধীদের অংশগ্রহণ ছাড়া টেকসই দেশ গড়া সম্ভব নয়: জাইমা রহমান
- আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আসলেন যারা
- পল্টন থানা ছাত্রলীগের নবনির্বাচিত সভাপতি মোঃ আল-আমিন
- সংরক্ষিত মহিলা আসনে
লাকসামের রিনা আলম আ’লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী - বিএনপির ৪২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ
- স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলন আজ
- সরকারের কূটকৌশলে নেত্রী জেলে, নেতা বিদেশে: মির্জা আব্বাস
- সাংসদ মঈন উদ্দীন খান বাদল আর নেই
- যেভাবে উত্থান সাদেক হোসেন খোকার
- বিএনপির ৫০০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা
- ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গড়তে কাজ করছে আওয়ামী লীগ : শেখ হাসিনা
- ঢাকা মহানগর আ.লীগের নেতৃত্বে আসছেন যাঁরা
- আবরার হত্যা ছাত্রলীগেরও কাউকে ছাড় দেয়া হয়নি: ওবায়দুল কাদের
- উত্তরে আশাবাদী আতিক, দক্ষিণে আসতে পারে পরিবর্তন
- ৬০ নাম্বারের পরীক্ষা দিয়ে পাস করলেই হওয়া যাবে ছাত্রলীগ নেতা
- তারেক আতঙ্কে ব্যবসায়ীরা
