তরুণ কণ্ঠ অনলাইন

প্রকাশিত: ১১ ঘন্টা আগে, ০৪:৪২ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

সরকারি কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামোর বাস্তবায়ন অনিশ্চিত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র এক মাসের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যের ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত শুরু হওয়ায় দেশের অর্থনীতিতে প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। এরই মধ্যে জ্বালানির সংকট দেখা দিয়েছে এবং সরকারের রাজস্ব ঘাটতি ৬০ হাজার কোটি টাকার বেশি ছাড়িয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে সরকার নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ধীরে চলো নীতি বেছে নিয়েছে। ফলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বহু প্রতীক্ষিত নতুন জাতীয় পে স্কেল কার্যকর হবে কিনা তা এখন অনিশ্চিত। তবে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এ বিষয়ে আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।

২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে সংরক্ষিত ৪০ হাজার কোটি টাকার প্রায় পুরো অর্থ ইতিমধ্যেই জ্বালানি ভর্তুকি, নির্বাচনি প্রতিশ্রতি, কৃষক ঋণ সহায়তা ও সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে ব্যয় হয়ে গেছে। অবশিষ্ট অর্থ মাত্র ৯৬১ কোটি ৯৩ লাখ টাকা, যা নতুন পে স্কেল কার্যকর করার জন্য যথেষ্ট নয়।

অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা ও আমদানি ব্যয়ের চাপ নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়েছে। সরকারি কর্মচারীরা হতাশা প্রকাশ করছেন, তবে আংশিক সমন্বয়ের মাধ্যমে কিছু স্বস্তি আশা করছেন।

নতুন পে স্কেলে সর্বনিম্ন বেতন ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। এবারের বেতন কাঠামোতে ২০টি গ্রেড এবং সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের অনুপাত কমিয়ে ১:৮ করা হয়েছে, যা আগে ছিল ১:৯.৪।

গত বছরের ২৭ জুলাই ২১ সদস্যের বেতন কমিশন গঠন করা হয়। সাবেক অর্থ সচিব ও পিকেএসএফ চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান কমিশনের প্রধান ছিলেন। তারা চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তাদের সুপারিশ জমা দেন।

মন্তব্য করুন