প্রকাশিত: ১ ঘন্টা আগে, ০৩:১৫ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে কাতার, কুয়েত, বাহরাইন ও সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত মার্কিন সেনা ও কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে ইরানের হামলার খবর পাওয়া যাচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় বেশ কয়েকটি সামরিক ঘাঁটি আংশিকভাবে খালি করে কৌশলগতভাবে সেনাদের স্থানান্তর করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে অঞ্চলজুড়ে মার্কিন সেনাদের জন্য আবাসনের সংকট তৈরি হয়েছে।
এ অবস্থায় অনেক মার্কিন সেনা ও কর্মকর্তা সাময়িকভাবে বিভিন্ন শহরের বাসাবাড়ি ও হোটেলে অবস্থান করছেন বলে জানিয়েছে মিডল ইস্ট আই। ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজের বরাত দিয়ে এ তথ্য প্রকাশ করেছে তারা।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যের সাধারণ মানুষের প্রতি একটি আহ্বান জানিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। সংস্থাটির গোয়েন্দা শাখা দাবি করেছে, বিপুলসংখ্যক মার্কিন সেনা এখন সামরিক ঘাঁটির বাইরে হোটেল ও ব্যক্তিগত আবাসনে অবস্থান করছে।
আইআরজিসির গোয়েন্দা শাখার এক বিবৃতিতে বলা হয়, “হাজার হাজার মার্কিন সেনা হোটেল ও ব্যক্তিগত আবাসনে বা বাসাবাড়িতে অবস্থান করছে। ওয়াশিংটন আমাদের আরব ভাইদের মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে। আমরা বাধ্য হচ্ছি আমেরিকানদের শনাক্ত করতে এবং লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করতে। তাই হোটেলগুলোতে তাদের আশ্রয় না দেওয়াই ভালো এবং তাদের অবস্থান থেকে অন্যদের দূরে থাকা উচিত। মার্কিন সন্ত্রাসীদের লুকিয়ে থাকার জায়গাগুলো সঠিকভাবে জানানো আপনার ইমানি দায়িত্ব। সেই তথ্য আমাদের কাছে টেলিগ্রামে পাঠিয়ে দিন।”
এদিকে ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলেও নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। সেখানে হামলায় ফ্রান্সের একজন সেনা নিহত হয়েছেন এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। আহতদের অবস্থাও গুরুতর বলে জানা গেছে।
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ এ ঘটনার তথ্য নিশ্চিত করে বলেছেন, ইরবিল অঞ্চলে ফরাসি বাহিনীর ওপর হামলা ‘অগ্রহণযোগ্য’। তিনি জানান, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এর আগে ফ্রান্সের সেনাবাহিনী জানিয়েছিল, ওই অঞ্চলে ইরাকি অংশীদারদের সঙ্গে সন্ত্রাসবিরোধী প্রশিক্ষণে নিয়োজিত ছয় ফরাসি সেনা ড্রোন হামলায় আহত হয়েছেন।
মন্তব্য করুন