দুর্ভিক্ষের ঝুঁকিতে গাজা-সুদান
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৪ মার্চ ২০২৪
খাবারের অভাবে গাজা উপত্যকার লক্ষাধিক মানুষ এখন দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে। সেই সঙ্গে সুদানেও চলমান সংঘাত বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্ষুধা সংকটের কারণ হতে পারে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ। খাবারের তীব্র সংকটের ফলে একটি দেশের জনগোষ্ঠী গুরুতর অপুষ্টি, অনাহার বা মৃত্যুর দিকে ঝুঁকে পড়লে দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়।
সাধারণত কোনো দেশে দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে কিনা, সেটা ঘোষণা করে জাতিসংঘ। কখনও কখনও দেশটির সরকারের সঙ্গে বা অন্যান্য আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থা বা মানবিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে মিলে এই ঘোষণা দেয় সংস্থাটি।
সমন্বিত খাদ্য নিরাপত্তা পর্যায় বা আইপিসি নামে জাতিসংঘের একটি মাপকাঠির ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তীব্রতার পাঁচটি ‘পর্যায়ের’ ভিত্তিতে একটি দেশের খাদ্য ঘাটতি বা খাবারের নিরাপত্তাহীনতার র্যাঙ্কিং করা হয়, যার পঞ্চম ও সর্বশেষ ধাপ দুর্ভিক্ষ।
তবে আনুষ্ঠানিকভাবে দুর্ভিক্ষ ঘোষণা করার জন্য একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকায় তিনটি জিনিস ঘটতে হবে-
১. কমপক্ষে ২০ শতাংশ পরিবার খাদ্যের চরম সংকটের মুখোমুখি হবে
২. কমপক্ষে ৩০ শতাংশ শিশু তীব্র অপুষ্টিতে ভুগবে এবং
৩. দশ হাজার মানুষের মধ্যে প্রতিদিন দু’জন প্রাপ্তবয়স্ক বা চারজন শিশু ‘সম্পূর্ণ অনাহার বা অপুষ্টিতে ভুগে কিংবা এবং রোগে আক্রান্ত হয়ে’ মারা যাবে।
এ ধরনের ঘটনা ঘটলে সেখানে আনুষ্ঠানিকভাবে দুর্ভিক্ষ ঘোষণা করা হয়। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, উত্তর গাজায় দুর্ভিক্ষ আসন্ন আর ২০২৪ সালের মার্চ থেকে মে মাসের মধ্যে যেকোনো সময় তা ঘটতে পারে। গত ৭
অক্টোবর ইসরায়েলের ওপর হামাসের হামলার পর গাজায় কয়েক মাস ধরে চলা সংঘাতের ফলে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
আইপিসির শ্রেণীবিভাগ অনুযায়ী, গাজার প্রায় ১১ লাখ মানুষ অর্থাৎ প্রায় অর্ধেক জনগোষ্ঠী ক্ষুধার্ত। পরিস্থিতি যদি সবচেয়ে খারাপ পর্যায়ে পৌঁছায় তাহলে ২০২৪ সালের জুলাইয়ের মধ্যেই গাজার সবাই দুর্ভিক্ষের মুখে পড়বে।
জাতিসংঘ বলছে, আইপিসির নথিভুক্ত যেকোনো অঞ্চল বা দেশের তুলনায় গাজায় বেশি সংখ্যক মানুষ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। অন্যদিকে, সুদানে চলমান সংঘাত দেশটিকে সাম্প্রতিক ইতিহাসের সবচেয়ে বাজে মানবিক দুর্দশায় নিমজ্জিত করছে বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের কর্মকর্তারা, যা কিনা বিশ্বের বৃহত্তম ক্ষুধা সংকটের কারণ হতে পারে।
জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) তথ্য অনুসারে, ২০২৩ সালের এপ্রিলে শুরু হওয়া গৃহযুদ্ধের ফলে সুদানের প্রায় এক কোটি আট লাখ মানুষ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার মুখে পড়েছে। ইউনিসেফ বলছে, এর ফলে ‘সবচেয়ে বাজে ধারণারও বাইরে গিয়ে’ ছোট শিশুদের মধ্যে অপুষ্টির পাশাপাশি কলেরা, হাম এবং ম্যালেরিয়ার প্রাদুর্ভাব দেখা গেছে।
অ্যাকশন অ্যাগেইনস্ট হাঙ্গার নামের একটি মানবিক সংস্থার তথ্যমতে আরও কয়েকটি দেশেও ‘ক্ষুধার মাত্রা খুবই উদ্বেগজনক’ অবস্থানে রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আফগানিস্তান, কঙ্গো, ইথিওপিয়ার টাইগ্রে অঞ্চল, পাকিস্তান, সোমালিয়া, সিরিয়া এবং ইয়েমেন।
২০২৪ সালের মার্চে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি সতর্ক করেছিল যে, অনবরত বাড়তে থাকা গ্যাং সহিংসতার কারণে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে গুরুতর সংকটের সম্মুখীন হওয়া হাইতি ‘ধ্বংসাত্মক ক্ষুধা সংকটের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে।
সেখানকার প্রায় ১৪ লাখ মানুষ দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে। এর চেয়ে এক ধাপ নিচের স্তরে রয়েছে আরও ৩০ লাখ মানুষ। আইপিসির মতে, হাইতির খাদ্য নিরাপত্তা পরিস্থিতি ‘আশঙ্কাজনক’।
আইপিসি বলছে, দুর্ভিক্ষ এবং চরম খাদ্য সংকটের একাধিক কারণ রয়েছে। মানবসৃষ্ট বা প্রাকৃতিক কারণে কিংবা দুটোর সংমিশ্রণে দুর্ভিক্ষ হতে পারে। অ্যাকশন অ্যাগেইনস্ট হাঙ্গার বলছে, ‘বিশ্বব্যাপী ক্ষুধার মূল কারণ’ সংঘাত।
সুদানের সম্ভাব্য দুর্ভিক্ষের জন্য সংস্থাটি অপর্যাপ্ত খাদ্য উৎপাদন ও খাবারের উচ্চ মূল্যকে দায়ী করছে। এতে বলা হয়েছে, গাজায় চলমান সংঘাতের কারণে জীবন রক্ষাকারী খাদ্য, জ্বালানি ও পানি ওই ভূখণ্ডে ঢুকতে পারছে না।
উত্তর গাজায় মানবিক সংস্থাগুলোর ‘প্রায় ঢুকতেই না পারা’র বিষয়টিকেও তুলে ধরেছে আইপিসি। আন্তর্জাতিক উদ্ধার কমিটির (আইআরসি) মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে যে চরম আবহাওয়া সৃষ্টি হয়েছে, তার কারণে সৃষ্ট খরা ও ফসল উৎপাদনে ব্যর্থতায় খাদ্য ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে পূর্ব আফ্রিকায় এই ঘাটতি ব্যাপক।
আরও একটি কারণ এল নিনো। এটি মূলত জলবায়ুর একটি ধরন, যার কারণে প্রশান্ত মহাসাগরে ভূপৃষ্ঠের জলের উষ্ণতা অস্বাভাবিক পরিমাণে বেড়ে যায়।
সংস্থাটির মতে, ইতোমধ্যেই এল নিনো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং লাতিন আমেরিকায় খাদ্য সরবরাহের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
সর্বশেষ ২০১৭ সালে দক্ষিণ সুদানে আনুষ্ঠানিকভাবে দুর্ভিক্ষ ঘোষণা করা হয়েছিল। তিন বছরের গৃহযুদ্ধের পর প্রায় ৮০ হাজার মানুষ অনাহারে এবং আরও দশ লাখ মানুষ দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে ছিল। সে সময় কৃষির ওপর যুদ্ধের প্রভাবকে এর জন্য দায়ী করে জাতিসংঘ। কৃষকরা গবাদি পশু হারিয়েছিল, ফসলের উৎপাদন মারাত্মকভাবে হ্রাস পেয়েছিল এবং মূল্যস্ফীতি বেড়ে গিয়েছিল।
এছাড়া ২০১১ সালে দক্ষিণ সোমালিয়ায়, ২০০৮ সালে দক্ষিণ সুদানে, ২০০০ সালে ইথিওপিয়ার সোমালি অঞ্চলের গোডে, ১৯৯৬ সালে উত্তর কোরিয়ায়, ১৯৯১-৯২ সালে সোমালিয়ায় এবং ১৯৮৪-৮৫ সালে ইথিওপিয়ায় দুর্ভিক্ষ ছিল।
১৮৪৫ থেকে ১৮৫২ সালের একটি সময় পর্যন্ত আয়ারল্যান্ড অনাহার ও রোগে ভুগেছে। অনেকেই সেসময় দেশত্যাগ করে, যা পরবর্তী সময়ে ‘মহা দুর্ভিক্ষ’ নামে পরিচিতি পায়। সেসময় দেশটির এক তৃতীয়াংশ মানুষ আলু খেয়ে জীবন ধারণ করতো। বলা হয়ে থাকে, কোনো এক রোগের কারণে আলু উৎপাদনে ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় তখন দশ লাখ মানুষ মারা যায়। কিন্তু এর মধ্যেও সেই সময়ে দ্বীপটি শাসন করা গ্রেট ব্রিটেনে আলু আমদানি অব্যাহত ছিল।
- হামলা হলে শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত লড়াইয়ের হুঁশিয়ারি ইরানের
- ঢাকা-সহ সারা দেশে তাপমাত্রা কমতে পারে, শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাস
- আরব আমিরাতে ৪৪০ বাংলাদেশিকে রাজকীয় ক্ষমা
- নাহিদের অফিস নয়, গুলিবর্ষণ হয়েছে আবাসন কোম্পানির কার্যালয়ে
- পৌষসংক্রান্তিতে শেরপুরের ঐতিহ্যবাহী মাছের মেলা
- আজ পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী সাকরাইন, নেই পুরোনো আমেজ
- যুক্তরাষ্ট্র আঘাত হানলে মার্কিন ঘাঁটি উড়িয়ে দেবে ইরান!
- ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট
- জাতীয় নির্বাচনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পর্যবেক্ষণ মিশন মোতায়েন
- দুদকের সাবেক কমিশনার জহুরুল হককে তিন ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ
- মব সব জায়গায় চলে না, ঢাকায় ভেসে আসিনি: মির্জা আব্বাস
- ১১ দলীয় জোটের সংবাদ সম্মেলন স্থগিত হওয়ার কারণ যা জানা গেল
- নির্বাচনে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারবেনা: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
- মার্কিন কূটনীতিকদের ড. ইউনূস
১২ ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন ও গণভোট - সাকিব হত্যার বিচারে ফার্মগেট-এক্সপ্রেসওয়ে অবরোধ শিক্ষার্থীদের
- এনসিপি ছাড়ার সিদ্ধান্তের কারণ জানালেন তাসনিম জারা
- বলিউড থেকে বিদায় নেবেন আনুশকা শর্মা!
- জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলের আসন সমঝোতার সংবাদ সম্মেলন স্থগিত
- বিশ্বকাপের আগে লাহোরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পাকিস্তানের সিরিজ সূচি
- শীতকে পাত্তা না দিয়ে সমুদ্রতীরে পরীমণির গ্ল্যামার ঝলক
- রাজাবাজারে গ্রিল কেটে জামায়াত নেতাকে হত্যা
- ভূরাজনৈতিক উত্তেজনায় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম ইতিহাসের সর্বোচ্চ
- অগ্রণী ব্যাংকের ১০০০তম বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত
- শ্রীপুরে গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিষয়ে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত
- খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দাউদকান্দিতে দোয়া ও মিলাদ
- ঝালকাঠিতে গণভোট প্রচার বিষয়ক অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
- ইরানে অস্থিরতা তীব্র আকার ধারণ করছে, প্রাণহানি ২,০০০ ছাড়িয়েছে
- ১ কোটি লিটার সয়াবিন তেল ও ৪০ হাজার টন ইউরিয়া সার কিনছে সরকার
- সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনায় বাংলাদেশকে আইসিসির অনুরোধ, অনড় বিসিবি
- মার্কিন নাগরিকদের অবিলম্বে ইরান ছাড়ার নির্দেশ
- এলপি গ্যাস ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার, বিক্রি শুরু
- ভূরাজনৈতিক উত্তেজনায় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম ইতিহাসের সর্বোচ্চ
- লালমনিরহাট-২: বিএনপি প্রার্থীর আওয়ামী লীগ প্রীতিতে ক্ষুব্ধ তৃণমূল
- বুটেক্স ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত
- মানবিক উদ্যোগে স্টাফদের পাশে দাঁড়িয়ে জন্মদিন পালন ছাত্রদল নেতার
- ডিএক্সএন ব্যবসায়ে সফলতার পাঁচ চাবিকাঠি জানালেন মামুন ভূঁইয়া
- লাকসাম সাংবাদিক সমিতির আনন্দ ভ্রমণ সম্পন্ন
- ‘শেষের শুরু’- তাসনূভা জাবীনের ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা
- দুর্নীতির অভিযোগে আলোচনায় আজগরা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ
- জকসু নির্বাচনে ছাত্রদলের সাদমান সাম্যর চমকপ্রদ জয়
- সংসার ভাঙছে তাহসান-রোজার
- রাজাবাজারে গ্রিল কেটে জামায়াত নেতাকে হত্যা
- বিক্ষোভে অগ্নিগর্ভ ইরান, সামরিক শক্তি প্রয়োগের ঘোষণা আইআরজিসির
- এলপি গ্যাস আমদানি ও উৎপাদনে ভ্যাট কমাল সরকার
- বিএনপির চেয়ারম্যান হলেন তারেক রহমান
- ঢাকায় আকি আবে
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ - ঢাকা-করাচি রুটে বিমানের ফ্লাইট শুরু ২৯ জানুয়ারি
- ২২ জানুয়ারি নির্বাচনী প্রচারণায় নামবেন তারেক রহমান
- শ্রীমঙ্গলে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি
- জকসু নির্বাচনে শীর্ষ তিন পদেই ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের জয়
- বাংলাদেশীরা সৌদি নারীদের বিয়ে করতে পারবেন!
- মিয়ানমারকে ৩১ বছরের ‘পুরনো’ সাবমেরিন দিচ্ছে ভারত
- পাকিস্তানে ৩০০ রুপি ছাড়ালো টমেটোর দাম
- মোশাররফের দেহ রাস্তায় ঝুলিয়ে রাখার নির্দেশ
- জিম্বাবুয়েতে পানির অভাবে দুই শতাধিক হাতির মৃত্যু
- ১০ হাজার সেনা-পুলিশ মোতায়েন
কী ঘটবে আসামে ? - থাইল্যান্ডে বিদ্রোহীদের হামলায় নিহত ১৫
- ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ভিসা দিল না যুক্তরাষ্ট্র
- শ্রীলংকায় এবার মসজিদে বোমা হামলা
- শ্রীলঙ্কায় রক্তবন্যা: নিহত বেড়ে ২০৭
- সৌদি প্রবাসীদের জন্য সুখবর
- ছাত্রের সঙ্গে যৌনমিলন, কারাগারে শিক্ষিকা
- সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে হত্যার দায়ে ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড
- কানাডায় জাস্টিন ট্রুডোর দল আবারও ক্ষমতায়
- মসজিদ নাকি মন্দির! মামলার রায় আজ
