প্রকাশিত: ৫১ মিনিট আগে, ০৫:৩৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫-এর হিসাব অনুযায়ী দেশে ৭ বছর ও তদূর্ধ্ব জনগোষ্ঠীর সাক্ষরতার হার ৭৭ দশমিক ৯ শতাংশে উন্নীত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, সাক্ষরতার হার ৭৭ শতাংশ ছাড়িয়ে যাওয়া আশাব্যঞ্জক অগ্রগতি হলেও এখনও একটি উল্লেখযোগ্য অংশ মৌলিক শিক্ষার বাইরে রয়েছে। ঝরে পড়া কিশোর-কিশোরী, বিদ্যালয়বহির্ভূত শিশু ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে দ্রুত সাক্ষর ও দক্ষ করাই সরকারের অগ্রাধিকার। তিনি স্পষ্ট করেন, বর্তমান সময়ে সাক্ষরতা কেবল নাম দস্তখত বা বর্ণমালা চেনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না; ইউনেস্কোর এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘লিটারেসি ফর পিপল, দ্য প্ল্যানেট অ্যান্ড প্রসপারিটি’কে সামনে রেখে সাক্ষরতাকে কর্মসংস্থান, ডিজিটাল সক্ষমতা, পরিবেশ সচেতনতা ও জীবনদক্ষতার সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মাধ্যমে দেশের ৬৪ জেলার সদর উপজেলায় পরিচালিত 'কার্যকর সাক্ষরতা ও ব্যবহারিক কর্মদক্ষতা প্রশিক্ষণ' কার্যক্রমে প্রথম ধাপে নিবন্ধিত ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের ৯২.৪৭ শতাংশ শিক্ষার্থী স্থায়ী চাকরি, শোভন কাজ বা নতুন উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে সক্ষম হয়েছে। এছাড়া দেশকে নিরক্ষরতামুক্ত করতে বিশ্বজুড়ে সফল ‘ইচ ওয়ান টিচ ওয়ান’ মডেলের আলোকে ‘অ্যাডাল্ট অ্যান্ড ফাংশনাল লিটারেসি ফর অ্যাবিলিটি এনহ্যান্সমেন্ট প্রোগ্রাম (আলফা)’ গ্রহণ করা হয়েছে।
'সবার আগে বাংলাদেশ' অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে প্রতিমন্ত্রী গণমাধ্যম, নাগরিক সমাজ ও এনজিওদের সমন্বিত অংশগ্রহণে একটি সক্ষম ও প্রযুক্তি-সচেতন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান। সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রণালয়ের সচিব জেসমিন নাহার ও অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন