তরুণ কণ্ঠ প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ৩ ঘন্টা আগে, ১১:০৬ এ এম

অনলাইন সংস্করণ

গ্যাস নাই, পানি নাই, ইলেকট্রিসিটি নাই, কিন্তু গ্যাসের বিলও যথারীতি আছে: শফিকুর রহমান

জনগণের সার্বিক অধিকার রক্ষা, দুর্নীতি-চাঁদাবাজি বন্ধ এবং জনদুর্ভোগ নিরসনের দাবিতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে বহুল আলোচিত ‘লংমার্চ’ কর্মসূচি শুরু করেছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর শাপলা চত্বরে আয়োজিত সুবিশাল সমাবেশ শেষে চট্টগ্রাম অভিমুখে এই যাত্রার আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘটে।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, "আমরা কোনো বিশেষ দল বা ব্যক্তির স্বার্থে নামিনি, ১৮ কোটি মানুষের অধিকারের পক্ষে রাজপথে নেমেছি। বিদ্যুৎ, গ্যাস ও নিত্যপণ্যের সংকটে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ। পরিষ্কার বলে দিতে চাই—জনগণের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেললে কাউকেই আর ছাড় দিয়ে কথা বলা হবে না।"

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম সরকারকে সতর্ক করে বলেন, "এই লংমার্চে কোনো ধরনের বাধা-বিপত্তি সৃষ্টি করা হলে আমাদের ছয় দফা দাবি মুহূর্তেই সরকার পতনের এক দফা দাবিতে পরিণত হবে।"

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক ও জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার যৌথভাবে সরকারের সমালোচনা করে বলেন, ক্ষমতায় আসার পর থেকে সরকার জুলাই জাতীয় সনদের প্রতিশ্রুতি ও জনগণের আস্থা ভঙ্গ করেছে। অন্যদিকে, এলডিপি প্রেসিডেন্ট অলি আহমদ বলেন, দেশের এই রাজনৈতিক সংকটে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথের দ্বিতীয় রাউন্ডের আন্দোলন সূচনা করা হলো।

শাপলা চত্বরের এই বিশাল সমাবেশের পর সোয়া ৮টায় গাড়িবহর নিয়ে চট্টগ্রাম অভিমুখে রওয়ানা হয় লংমার্চ কাফেলা। পথিমধ্যে কাঁচপুর, কুমিল্লার পদুয়ার বাজার, ফেনীর মহীপাল ও মীরসরাইয়ে একাধিক পথসভা শেষে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে গিয়ে এদিনের কর্মসূচি সমাপ্ত হওয়ার কথা রয়েছে। পূর্বঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী পরবর্তীতে রংপুর, খুলনা ও সিলেটেও এই লংমার্চ অনুষ্ঠিত হবে।

মন্তব্য করুন