প্রকাশিত: ৫৪ মিনিট আগে, ১০:৩৫ এ এম
অনলাইন সংস্করণ
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার খাতা পুনঃনিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের বহুল প্রতীক্ষিত ফল প্রকাশ করা হয়েছে। পুনর্মূল্যায়নের পর সারা দেশে ফেল থেকে পাস করেছেন ৪ হাজার ৫৮৫ জন শিক্ষার্থী এবং নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩ হাজার ৭৯ জন। এ ছাড়া আরও হাজার হাজার শিক্ষার্থীর বিভিন্ন বিষয়ে নম্বর ও গ্রেডে পরিবর্তন এসেছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও নির্ধারিত পোর্টাল (rescrutiny.eduboardresults.gov.bd) থেকে একযোগে এ ফল প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের প্রদত্ত মুঠোফোন নম্বরে খুদে বার্তার (এসএমএস) মাধ্যমেও ফলাফল জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
গত ১০ আগস্ট চলতি বছরের এসএসসির মূল ফল প্রকাশিত হয়েছিল, যেখানে গড় পাসের হার ছিল ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ—যা গত ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। মূল ফলে অসন্তুষ্ট হয়ে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে রেকর্ডসংখ্যক ৪ লাখ ২ হাজার ৫১ জন পরীক্ষার্থী খাতা পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেন। একজন শিক্ষার্থী একাধিক বিষয়ের আবেদনের সুযোগ পাওয়ায় লিখিত ও ব্যবহারিক মিলিয়ে মোট ১২ লাখ ৮৭ হাজার ৯২৬টি উত্তরপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়।
বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানান, এবারের প্রক্রিয়ায় এক ঐতিহাসিক পরিবর্তন আনা হয়েছিল। আগে কেবল নম্বর পুনরায় যোগ করে ভুলত্রুটি দেখা হলেও, এবার প্রথমবারের মতো আবেদনকৃত খাতা পুরোপুরি 'পুনর্মূল্যায়ন' করা হয়েছে। এই নীতিগত পরিবর্তনের কারণেই বহু শিক্ষার্থীর ফলে এত বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে।
বোর্ডভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়েছিল ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে, যেখানে ৯৪ হাজার ২৩৬ জন পরীক্ষার্থীর প্রায় সাড়ে ৩ লাখ উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণ করা হয়। এছাড়া মাদরাসা বোর্ডে ৪০ হাজার এবং কুমিল্লা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও দিনাজপুর বোর্ডে বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়েছিল। আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার ২৪ দিনের মাথায় খাতা পুনর্মূল্যায়ন শেষে এই ফল প্রকাশ করল শিক্ষা বোর্ডগুলো।
মন্তব্য করুন