বৃহস্পতিবার   ১৮ জুলাই ২০২৪   শ্রাবণ ২ ১৪৩১   ১১ মুহররম ১৪৪৬

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
১৯৩

শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করেছি সংসারটা টিকিয়ে রাখার : রাফসানের স্ত্রী

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩ নভেম্বর ২০২৩  

গত বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) ফেসবুক অ্যাকাউন্টে নিজের বিবাহ বিচ্ছেদের খবর দেন বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় উপস্থাপক রাফসান সাবাব। এক স্ট্যাটাস তিনি জানান, ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আমাকে বলতে হচ্ছে যে, এশার সঙ্গে আমার সম্পর্কের ইতি। বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেওয়াটা খুব সহজ ছিল না কিন্তু অনেক চিন্তাভাবনার পরে দুজনের আলাদা হয়ে যাওয়াটাই আমার কাছে সেরা উপায় বলে মনে হয়েছে। আমাদের একসঙ্গে তিন বছরের পথচলা এবং আমি চাই শেষটা সম্মানজনকভাবেই হোক।
সেই স্ট্যাটাসে রাফসান আরও বলেন, ‘আপনারা যদি এই বিষয়ে আমাদের গোপনীয়তাকে সম্মান করেন এবং আপনাদের শুভকামনায় রাখেন তাহলে কৃতজ্ঞ থাকব।’
বিবাহ বিচ্ছেদের ঘোষণার পর তোপের মুখে রাফসান
এদিকে চিকিৎসক সানিয়া এশার সঙ্গে বিচ্ছেদের খবর দিলেও সেসময় সংসার ভাঙার কারণ স্পষ্ট করেননি রাফসান। এমনকি নিজের বিচ্ছেদ নিয়ে নীরব ভূমিকায় ছিলেন এশা নিজেও। 

তবে ঘটনার তিনদিন পর রোববার রাতে মুখ খুলেছেন রাফসানের স্ত্রী। এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে জানিয়েছেন, সংসার টিকিয়ে রাখার অনেক চেষ্টা করেছেন তিনি। কোনোভাবেই চাননি, বিচ্ছেদটা হোক। 


তানিয়াই বিচ্ছেদ চেয়েছিল বারবার : টুটুল 
এশা তার স্ট্যাটাসে লিখেছেন, আমি এই ডিভোর্স চাইনি। এটা আমাদের দুজনের সিদ্ধান্তে হয়নি। আমি শেষ পর্যন্ত অনেক চেষ্টা করে গেছি বিয়েটা টিকিয়ে রাখার জন্য। বিয়ে এবং স্বামী ছিল আমার প্রথম অগ্রাধিকার। আমি তার প্রতি সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলাম। কিছু বড় সমস্যা ছিল, যেগুলোর জন্য আমি নিজেই হয়তো সব শেষ করে দিতে পারতাম। কিন্তু একটা মেয়ে কখনোই চায় না তার সংসার ভেঙে যাক। অনেক বিষয় আছে যেগুলো আমি এখন প্রকাশ করতে চাই না। এভাবে আমি নিজেই হয়তো সংসার আর চালিয়ে যেতে পারতাম না। কিন্তু আমার এতটুকু বিশ্বাস ছিল, অন্তত সঠিক আইনানুগ উপায়ে কিংবা যেটা সত্যি সেটা সবার সামনে মেনে নিয়ে সত্যিটা ঘোষণা দেওয়া হবে।

এরপর এশা উল্লেখ করেন, তিনি (রাফসান সাবাব) তালাকের কার্যক্রম সম্পন্ন করলেন, নোটিশে স্বাক্ষর করলেন। তারপর আমার স্বাক্ষর ছাড়াই এবং তালাক কার্যকর হওয়ার জন্য তিন মাস অপেক্ষা না করে পাব্লিকলি ঘোষণা করলেন। পুরো কাজটাই করলেন আমার সম্মতি না নিয়েই। 

বিবাহ বিচ্ছেদের খবর নিজের উপর কতটা প্রভাব ফেলেছে সেটা জানিয়ে এশা লেখেন, হঠাৎ বিবাহ বিচ্ছেদের ঘোষণাটি আমার কাছে অত্যন্ত মর্মান্তিক ছিল, আমি বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছিলাম। মানসিকভাবে দুর্বল এবং ভেঙে পড়েছি। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। 

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের অক্টোবরে চিকিৎসক সানিয়া এশার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন রাফসান সাবাব। তিন বছর সংসারের পর চলতি মাসে বিবাহ বিচ্ছেদের পথে হাঁটলেন এই জুটি। 

এই বিভাগের আরো খবর