সোমবার   ১২ জানুয়ারি ২০২৬   পৌষ ২৯ ১৪৩২   ২৩ রজব ১৪৪৭

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
৪০৭

যমুনায় চতুর্থ দফায় পানি বৃদ্ধি

তরুণ কণ্ঠ রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৯ আগস্ট ২০২০  

মোঃ নাসির উদ্দিন, ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ তৃতীয় দফা বন্যার রেশ কাটতে না কাটতেই আবারো টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে চতুর্থ দফায় যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি শুরু হয়েছে। এতে বন্যা কবলিত হাজার হাজার মানুষ ঘুরে দাঁড়ানোর আগেই আবারো বন্যার কবলে পড়ার আশঙ্কা করছে।

আবার নতুন করে পানি বৃদ্ধিতে উপজেলার চরাঞ্চলের অর্ধলাখ মানুষের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে। কর্মহীন হয়ে পড়ার আশঙ্কা করছে এসব এলাকার নিম্ন আয়ের হাজারো মানুষ। এদিকে গবাদিপশু ও পরিবার পরিজন নিয়ে তাঁরা নিরাপদ স্থানে যেতে শুরু করেছে। এর আগে বন্যায় নিম্নাঞ্চলের শত শত একর জমির বীজতলা ও সবজি বাগান বন্যার পানিতে নষ্ট হয়ে যায়।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানায়, গত ২৪ ঘন্টায় যমুনা নদীর পানি ৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়াও ধলেশ্বরী নদীর পানি ৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৬৭ সেন্টিমিটার ও ঝিনাই নদীর পানি ২ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার মাত্র ১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে এতে বড় ধরণের বন্যার আশঙ্কা নেই।

এদিকে, চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় রোপা আমন চাষ করতে পারবে কিনা তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। উপজেলার কয়েড়া গ্রামের কৃষক রফিক জানান- ‘বন্যার পানি কমার সাথে সাথে নতুন করে প্রথম দফায় বীজতলা ও সবজির বাগান করেছিলাম। তা আগের বন্যার পানিতে তলিয়ে পচে যায়। আবার নতুন করে বীজতলা করেছি। এতে করে আবারো পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বীজতলা ও সবজির বাগান তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছি।

উপজেলা কৃষি অফিসার আল মামুন রাসেল বলেন- ‘পানি বৃদ্ধির প্রতি আমরা প্রতিনিয়তই নজর রাখছি। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের তালিকা এখনো করা হয়নি। তবে সরকারি প্রণোদনা পাওয়া গেলে কৃষকদের সহযোগিতা প্রদান করা হবে। এছাড়াও কৃষকদের উঁচু জমিতে বীজতলা চারা রোপনের পরামর্শ দিচ্ছি।’

এই বিভাগের আরো খবর