সোমবার   ১২ জানুয়ারি ২০২৬   পৌষ ২৮ ১৪৩২   ২৩ রজব ১৪৪৭

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
৩৮২

মেলান্দহে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

শারমিন আক্তার

প্রকাশিত: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২০  

মিথ্যে প্রলোভন দিয়ে স্কুল ছাত্রীকে বাড়ীতে থেকে ডেকে নিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মেলান্দহ থানায় মামলা দায়ের করা হয়। সোমবার, উপজেলার ১নং দুরমুঠ ইউনিয়নের সরুলিয়া গ্রামের ব্যাপাড়ী পাড়ায় এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। পরেরদিন ধর্ষিতার মা নুরেজা বেগম, বাদী হয়ে প্রতিবেশি, ধর্ষক সুমন (২৪) পিতা জয়নাল ব্যাপাড়ীর বিরুদ্ধে মেলান্দহ থানায় একটি মামলা করেছেন। মামলা নং-১।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন সোমবার রাতে ইসলামপুর জে.জে.কে.এম উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির ছাত্রীকে তার পাশের বাড়ীর সুমন ব্যাপাড়ী মিথ্যো কথা বলে ডেকে নিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। এমন সময় ধর্ষিতার ডাক চিৎকারের তার আত্মীয় স্বজন ছুটে এলে ধর্ষক সুমন পালিয়ে যায়। পরের দিন মঙ্গলবার, ধর্ষিতা স্কুল ছাত্রীর মা বাদী হয়ে ধর্ষক সুমনের নামে একটি ধর্ষণ মামলা করেছেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ধর্ষিতা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আর পুলিশের হাতে ধরা পরার ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে ধর্ষক।

এ ব্যাপারে ধর্ষিতার মা, মামলা বাদীনি নুরেজা বেগম বলেন, আমার স্বামী একজন হতদরিদ্র দিন মজুর। নদী থেকে মৎস আহরণ করে আমাদের জীবন চলে। নিজেরা খেয়ে না খেয়ে মেয়েটিকে একটি ভাল ঘরে বিয়ে দিব বলে পড়তে দিয়েছিলাম। কিন্তু, প্রতিবেশি লম্পট সুমন আমাদের সেই স্বপ্নকে ধূলিসাৎ করে দিল। আমার মেয়ের জীবনে এটে দিল কলঙ্কের চিহ্ন। এখন আমার কি হবে? কি দিয়ে আমার এ ক্ষতিপূরণ হবে?

অপরদিকে ধর্ষণ মামলার আসামীর সুমনের বাবা জয়নাল আবেদীন দাম্বিকতার সুরে বলেন, আমার ছেলে কোনো অন্যায় করেনি। সে যদি কোনো অপরাধ করে থাকে তাহলে তার শাস্তি হবে। আর যদি না করে থাকে তাহলে কেউ তার কিছুই করতে পারবে না।

এলাবাসী জানান, সুমনের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ আগেও শোনা গেছে। সে এর আগেও এমন ঘটনা ঘটিয়েছে। কিন্ত, কলঙ্কের ভয়ে কেউ প্রকাশ করেনি। এছাড়া সন্ত্রাসী কার্যকলাপে জড়ীত থাকার অভিযোগে মামলা রয়েছ তার বিরুদ্ধে। 

এই বিভাগের আরো খবর