আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ৫ ঘন্টা আগে, ১০:৪০ এ এম

অনলাইন সংস্করণ

যুদ্ধ শুরুর পর ইরানে সবচেয়ে তীব্র হামলা, পাল্টা আঘাতে তেল সরবরাহ বন্ধের হুমকি

ছবি: রয়টার্স

যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরানে সবচেয়ে তীব্র বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। মঙ্গলবারের এই আক্রমণকে চলমান সংঘাতের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ হামলা হিসেবে উল্লেখ করেছে পেন্টাগন ও ঘটনাস্থলে থাকা ইরানিরা।

এদিকে এমন তীব্র হামলার মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শিগগিরই এই সংঘাতের অবসান ঘটানোর চেষ্টা করতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বিশ্ববাজারে বিনিয়োগকারীরা এই সম্ভাবনার ওপর বাজি ধরছেন।

তবে পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর। সংস্থাটি সতর্ক করে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত পারস্য উপসাগর থেকে তেল সরবরাহ অবরুদ্ধ করে রাখা হতে পারে। এতে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

রেভল্যুশনারি গার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় তারা কাতারে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের আল উদেইদ ঘাঁটি এবং ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলের আল হারির ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। একই সময় সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল ধাফরা বিমান ঘাঁটিতে মার্কিন সেনাদের একটি সমাবেশ লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।

এ ছাড়া বাহরাইনের জুফায়ের নৌঘাঁটিতেও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। বুধবার ভোররাতে ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যম জানায়, বাহরাইনে মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোতে আবারও হামলা হয়েছে।

এর পাশাপাশি ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চল লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের কথাও জানিয়েছে ইরান। এতে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, পারস্য উপসাগরে তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা দিতে পারে এবং তা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।

এদিকে সংঘাতের পরবর্তী পরিস্থিতি ও সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া নিয়ে আন্তর্জাতিক মহল সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

 

বিস্তারিত আসছে .............

মন্তব্য করুন