প্রকাশিত: ৩ ঘন্টা আগে, ০২:৫৩ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
চিকিৎসক ও শয্যা সংকট:
রুমিন ফারহানা জানান, সরাইল উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ মানুষের চিকিৎসার একমাত্র ভরসা এই হাসপাতালটি। তবে বিশাল জনগোষ্ঠীর বিপরীতে এটি মাত্র ৫০ শয্যা বিশিষ্ট। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, “হাসপাতালটা নিজেই একটা রোগীর মতো। এখানে প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক ও কর্মচারী নেই। চাহিদামাফিক ওষুধ এবং আধুনিক যন্ত্রপাতির তীব্র সংকট বিদ্যমান।”
স্থবির উন্নয়ন কর্মকাণ্ড:
হাসপাতালের অবকাঠামো উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি নতুন ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার পালিয়ে যাওয়ায় সেই কাজ বন্ধ হয়ে আছে। বর্তমানে জরাজীর্ণ পুরাতন দোতলা ভবনেই কোনোমতে চিকিৎসাসেবা চালানো হচ্ছে।
শূন্য পদের দীর্ঘ তালিকা:
হাসপাতালটিতে জনবল সংকটের ভয়াবহতা উল্লেখ করে রুমিন ফারহানা জানান, বর্তমানে সেখানে ৬৪টি পদ শূন্য রয়েছে। এই বিশাল শূন্যপদ নিয়ে সাড়ে তিন লক্ষ মানুষের নূন্যতম স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি অবিলম্বে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ এবং বন্ধ হয়ে থাকা নির্মাণ কাজ পুনরায় চালু করার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ দাবি করেন।
মন্তব্য করুন