প্রকাশিত: ২ ঘন্টা আগে, ১১:২৪ এ এম
অনলাইন সংস্করণ
ক্যারিয়ারের এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমার। ২০২৬ বিশ্বকাপ দরজায় কড়া নাড়লেও জাতীয় দলে নিজের জায়গা পুনরুদ্ধার করা তাঁর জন্য ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়ছে। মাঠের পারফরম্যান্সের চেয়েও এখন তাঁর মানসিক দৃঢ়তা ও আচরণই বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ব্রাজিলের বর্তমান কোচ কার্লো আনচেলত্তি পরিষ্কার করে দিয়েছেন যে, সেলেসাওদের জার্সিতে ফিরতে হলে কেবল প্রতিভা যথেষ্ট নয়। খেলোয়াড়দের শারীরিক ফিটনেসের পাশাপাশি মানসিক স্থিতিশীলতাও থাকতে হবে। বিশেষ করে মাঠে মেজাজ হারানো বা অসংযমী আচরণ কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না বলে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন। নেইমারের জন্য এটি একটি পরোক্ষ সতর্কবার্তা হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
সম্প্রতি সান্তোসের হয়ে একটি ম্যাচে নেইমারের আচরণ নতুন করে সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। উত্তেজনাকর মুহূর্তে তাঁর প্রতিক্রিয়া এবং ম্যাচ শেষে সমর্থকদের সঙ্গে তাঁর ব্যবহার নিয়ে ফুটবল বিশ্লেষকরা প্রশ্ন তুলেছেন। অনেকেই মনে করছেন, একজন সিনিয়র খেলোয়াড় এবং দলের সম্ভাব্য নেতা হিসেবে নেইমারের কাছ থেকে আরও দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশিত। অতিরিক্ত উত্তেজনা শুধু তাঁর ভাবমূর্তিই নষ্ট করছে না, বরং ইনজুরির ঝুঁকিও বাড়িয়ে দিচ্ছে।
নেইমারের ফুটবলীয় প্রতিভা নিয়ে কারও মনে কোনো সন্দেহ নেই। তবে ধারাবাহিকতার অভাব এবং চাপের মুখে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারা তাঁর ক্যারিয়ারের বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে ব্রাজিল দলে তরুণ প্রতিভাদের যে ভিড়, তাতে জায়গা ধরে রাখতে হলে নেইমারকে দ্রুত তাঁর আচরণগত ও মানসিক পরিবর্তন আনতে হবে।
সব মিলিয়ে, নেইমার কি পারবেন নিজেকে বদলে আবারও ব্রাজিলের মধ্যমণি হয়ে উঠতে, নাকি শৃঙ্খলার কড়াকড়িতে ছিটকে যাবেন বিশ্বকাপ দল থেকে? ফুটবল বিশ্ব এখন সেই উত্তরই খুঁজছে।
মন্তব্য করুন