অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ০৫:৩৮ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

‘শেখ হাসিনা মইনুদ্দিনকে ছাড় দিলেও ইউনূসকে দেওয়া যাবে না’: আনিস আলমগীর

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন সিনিয়র সাংবাদিক আনিস আলমগীর। ২০০৭ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা যেভাবে ফখরুদ্দিন-মইনুদ্দিনকে ছাড় দিয়েছিলেন, ইউনূসের ক্ষেত্রে তেমনটি করা যাবে না। সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি ইউনূস সরকারের ১৮ মাসের শাসনের শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবি জানান।

এদিকে, হামসহ বিভিন্ন রোগের টিকা কেনায় অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) আবেদন করা হয়েছে। সোমবার সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবী বিপ্লব কুমার দাশ ও ব্যারিস্টার সানাউল্লাহ নূরে সাগর দুদক চেয়ারম্যান বরাবর এই আবেদন জমা দেন। আবেদনে বর্তমান দেশে হামের প্রকোপ ও শিশু মৃত্যুর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, স্বাস্থ্য খাতে প্রায় ৪২ হাজার কোটি টাকার বিশাল বাজেট থাকা সত্ত্বেও সময়মতো টিকা ও সিরিঞ্জ কিনতে ব্যর্থ হয়েছে বিগত অন্তর্বর্তী সরকার। এর ফলে দেশে হাম মহামারি আকার ধারণ করেছে এবং শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

কোনো পূর্বপ্রস্তুতি ছাড়াই টিকা কেনার পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনাকে এই সংকটের অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আইনজীবীদের মতে, পর্যাপ্ত অর্থ থাকা সত্ত্বেও কেন সঠিক সময়ে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, তা বড় ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির ইঙ্গিত দেয়।

বর্তমান সরকারও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এই সংকটকে পূর্ববর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের সৃষ্ট সমস্যা বলে মন্তব্য করেছে।

সাংবাদিক আনিস আলমগীর তাঁর পোস্টে বিচ্ছিন্ন দাবির পরিবর্তে পুরো শাসনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে শ্বেতপত্র প্রকাশের ওপর জোর দেন। তিনি মনে করেন, স্বাস্থ্য ও অর্থ খাতের সুরক্ষা এবং শিশুদের জীবন রক্ষায় এই দুর্নীতির তদন্ত হওয়া জরুরি। জনস্বার্থে এই আবেদন এবং দাবির বিষয়টি এখন টক অফ দ্য টাউন।

মন্তব্য করুন