তরুণ কণ্ঠ অনলাইন

প্রকাশিত: ২০ ঘন্টা আগে, ০৮:২১ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

দেশের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের জন্য পরীক্ষামূলক মাসিক সম্মানী চালু

সংগ্রহীত ছবি

আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগে পরীক্ষামূলকভাবে দেশের ৪,৯০৮টি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খতিবকে মাসিক সম্মানী দিতে শুরু করেছে নবগঠিত সরকার। একই সঙ্গে ৯৯০টি মন্দির, ১৪৪টি বৌদ্ধবিহার এবং ৩৯৬টি গির্জার দায়িত্বপ্রাপ্ত পুরোহিত, অধ্যক্ষ ও যাজকদেরও এই সম্মানী দেওয়া হবে।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ে রবিবার (৮ মার্চ) অনুষ্ঠিত সভা শেষে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ জানান, “মাসিক সম্মানীর পাশাপাশি ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে বিশেষ ভাতাও দেওয়া হবে। পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের এক হাজার টাকা করে উৎসব ভাতা দেওয়া হবে। দুর্গাপূজা, বুদ্ধপূর্ণিমা ও বড়দিনে দুই হাজার টাকা ভাতা দেওয়া হবে।”

প্রাথমিক পরীক্ষামূলক কর্মসূচিতে চলতি অর্থবছরে প্রায় ২৭ কোটি ১৩ লাখ টাকা খরচ হবে। আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে উপকারভোগীদের কাছে অর্থ পৌঁছে দেওয়া হবে। ১৪ মার্চ ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, সম্পূর্ণ কর্মসূচি কার্যকর হলে বার্ষিক খরচ দাঁড়াবে প্রায় ৪,৪০০ কোটি টাকা। ইমামরা মাসে ৫ হাজার টাকা, মুয়াজ্জিনরা ৩ হাজার, খাদেমরা ২ হাজার টাকা পাবেন। মন্দিরের পুরোহিত ৫ হাজার, সেবায়েত ৩ হাজার; বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ ৫ হাজার, উপাধ্যক্ষ ৩ হাজার; গির্জার যাজক ৫ হাজার ও সহকারী যাজক ৩ হাজার টাকা মাসিক সম্মানী পাবেন।

সরকার চার ধাপে পুরো দেশের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করতে চাচ্ছে। প্রথম ধাপে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ১,১০০ কোটি টাকা, দ্বিতীয় ধাপে ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ২,২০০ কোটি টাকা, তৃতীয় ধাপে ২০২৮-২৯ অর্থবছরে ৩,৩০০ কোটি টাকা এবং চূড়ান্ত ধাপে ২০২৯-৩০ অর্থবছরে ৪,৪০০ কোটি টাকা ব্যয় হবে।

নতুন সরকার আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগে পরীক্ষামূলকভাবে দেশের ৪,৯০৮টি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খতিবকে মাসিক সম্মানী দিতে শুরু করেছে। একই সঙ্গে ৯৯০টি মন্দির, ১৪৪টি বৌদ্ধবিহার এবং ৩৯৬টি গির্জার দায়িত্বপ্রাপ্ত পুরোহিত, অধ্যক্ষ ও যাজকদেরও এই সম্মানী দেওয়া হবে।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ে রবিবার অনুষ্ঠিত সভা শেষে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ জানান, “মাসিক সম্মানীর পাশাপাশি ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে বিশেষ ভাতাও দেওয়া হবে। পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের এক হাজার টাকা করে উৎসব ভাতা দেওয়া হবে। দুর্গাপূজা, বুদ্ধপূর্ণিমা ও বড়দিনে দুই হাজার টাকা ভাতা দেওয়া হবে।”

প্রাথমিক পরীক্ষামূলক কর্মসূচিতে চলতি অর্থবছরে প্রায় ২৭ কোটি ১৩ লাখ টাকা খরচ হবে। আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে উপকারভোগীদের কাছে অর্থ পৌঁছে দেওয়া হবে। উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, ১৪ মার্চ ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, সম্পূর্ণ কর্মসূচি কার্যকর হলে বার্ষিক খরচ দাঁড়াবে প্রায় ৪,৪০০ কোটি টাকা। ইমামরা মাসে ৫ হাজার টাকা, মুয়াজ্জিনরা ৩ হাজার, খাদেমরা ২ হাজার টাকা পাবেন। মন্দিরের পুরোহিত ৫ হাজার, সেবায়েত ৩ হাজার; বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ ৫ হাজার, উপাধ্যক্ষ ৩ হাজার; গির্জার যাজক ৫ হাজার ও সহকারী যাজক ৩ হাজার টাকা মাসিক সম্মানী পাবেন।

সরকার চার ধাপে পুরো দেশের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করতে চাচ্ছে। প্রথম ধাপে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ১,১০০ কোটি টাকা, দ্বিতীয় ধাপে ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ২,২০০ কোটি টাকা, তৃতীয় ধাপে ২০২৮-২৯ অর্থবছরে ৩,৩০০ কোটি টাকা এবং চূড়ান্ত ধাপে ২০২৯-৩০ অর্থবছরে ৪,৪০০ কোটি টাকা ব্যয় হবে।

মন্তব্য করুন