প্রকাশিত: ১ ঘন্টা আগে, ০৪:০৫ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
বাহরাইনের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি বাপকো এনার্জি তাদের বাণিজ্যিক কার্যক্রমের ওপর ‘ফোর্স মজিউর’ (অপ্রতিরোধ্য পরিস্থিতি) ঘোষণা করেছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সিত্রা দ্বীপে অবস্থিত দেশের একমাত্র এবং বৃহত্তম তেল শোধনাগারে ইরানের ড্রোন হামলার পর।
শোধনাগারের একটি ইউনিটে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার ফলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড সৃষ্টি হয় এবং স্বাভাবিক রপ্তানি ও সরবরাহ প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। বাপকো এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বর্তমান আঞ্চলিক সংঘাত এবং শোধনাগারে সরাসরি হামলার কারণে তারা তাদের অনেকগুলো চুক্তিবদ্ধ বাধ্যবাধকতা আপাতত স্থগিত রাখতে বাধ্য হচ্ছে। তবে প্রতিষ্ঠানটি আশ্বস্ত করেছে যে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত বিকল্প পরিকল্পনা রয়েছে এবং স্থানীয় চাহিদায় কোনো ঘাটতি হবে না।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, হামলার পর শোধনাগারের দিক থেকে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠতে দেখা গেছে। কিছু ক্ষয়ক্ষতি ও আহতের খবর পাওয়া গেলেও শোধনাগারের ভেতরে কোনো প্রাণহানির তথ্য পাওয়া যায়নি।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান, ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধের দশম দিনে এই হামলার ঘটনা ঘটে। এর প্রভাব বিশ্ববাজারেও পড়েছে; তেলের দাম এক ধাক্কায় ব্যারেল প্রতি ১১৪ ডলার ছাড়িয়ে গেছে, যা যুদ্ধের শুরুর তুলনায় প্রায় ৬০ শতাংশ বেশি।
এর আগে কাতার ও কুয়েতও তাদের জ্বালানি রপ্তানিতে একই ধরনের ‘ফোর্স মজিউর’ ঘোষণা করেছিল। এই পরিস্থিতি বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কাকে আরও তীব্র করে তুলছে।
মন্তব্য করুন