প্রকাশিত: ৩ ঘন্টা আগে, ০৭:৪২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, "একটি রাষ্ট্রের উন্নয়ন তখনই টেকসই হয়, যখন নারীর অধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।" এ বছর দিবসের প্রতিপাদ্য—‘আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার, সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার’-কে তিনি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে অভিহিত করেন।
তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়নের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৬ সালে ‘নারী বিষয়ক দফতর’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়া দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা চালু করে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনেন। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারের বিশেষ পরিকল্পনাগুলো হলো:
স্নাতকোত্তর পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা: নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী উচ্চশিক্ষায় নারীর অংশগ্রহণ বাড়াতে এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
অর্থনৈতিক নিরাপত্তা: নারীর ক্ষমতায়নে ইতিমধ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করা হয়েছে।
শিক্ষা সহায়তা: মেয়েদের জন্য ফ্রি স্কুল ইউনিফর্ম এবং ডিজিটাল লার্নিং সুবিধা নিশ্চিত করা।
নারীর নিরাপত্তা বিধানকে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সাইবার বুলিং এবং অনলাইনে নারীর বিরুদ্ধে হয়রানি বন্ধে প্রশাসন কঠোর অবস্থান নিয়েছে। নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিতে সরকার বদ্ধপরিকর।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী আহ্বান জানান যেন সমতা হোক অঙ্গীকার এবং মর্যাদা হোক বাস্তবতা। তিনি বলেন, জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি নারীকে রাষ্ট্র ও রাজনীতির মূলধারার বাইরে রেখে সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। তিনি আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সর্বাঙ্গীণ সফলতা কামনা করেন।
মন্তব্য করুন