সোমবার   ১২ জানুয়ারি ২০২৬   পৌষ ২৮ ১৪৩২   ২৩ রজব ১৪৪৭

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
৮১৬

শরীয়তপুরে চাচার বিরুদ্ধে ভাতিজার মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলা

শরীয়তপুর প্রতিনিধি।

প্রকাশিত: ৯ নভেম্বর ২০২০  

শরীয়তপুর ভেদরগঞ্জ উপজেলার ডি এম খালী ইউনিয়নের চরচান্দা মুন্সিকান্দি গ্রামের ৪নং ওয়ার্ডে বসবাসরত মোঃ ইব্রাহিম খলিল মুন্সি (৩৫) পিতা মৃত মোজাম্মেল হক পূর্বশত্রুতার জেরে এবং জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ভাতিজা মোঃ ইব্রাহিম খলিল মুন্সি তার আপন চাচা মোহাম্মদ লাল মিয়া মুন্সী( ৫০) পিতা-মৃত মকবুল মুন্সি, ২/মোবারক মুন্সি (৪৫) পিতা সিরাজুল হক মুন্সী ৩/বাচ্চু মুন্সি 55 পিতা মৃতঃ আব্দুর রশিদ , ৪/নাসির মুন্সি (৬০) পিতা-মৃত আব্বাস মুন্সি, ৫/হোসেন মাদবর (৫০) পিতা সিঠু মাদবর,৬/খোরশেদ আলম (২৫) পিতা মোবারক মুন্সি, ৭/খোকন পেদা (৩২) পিতা মৃত মোকলেস পেদা, সখিপুর ডি এম খালী চরচান্দা মুন্সিকান্দি এদের বিরুদ্ধে গত (২৯) অক্টোবর ২০২০ তারিখে মিথ্যে চাঁদাবাজি মামলা করেন চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত, সখিপুর ,শরীয়তপুর। সি আর ২০২০ (সখিপুর)।

গত ২ নভেম্বর ২০২০বেলা ৫ টার দিকে সরজমিনে গিয়ে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে মোজাম্মেল হকের পুত্র মোঃ ইব্রাহিম খলিল মুন্সি এবং তার আপন চাচা মোহাম্মদ লাল মিয়া মুন্সী এবং চাচা-ভাতিজার মধ্যে দীর্ঘদিন যাবৎ জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল।

ওই বিরোধের জেরে ভাতিজা ইব্রাহিম খলিল মুন্সি ক্ষিপ্ত হয়ে গত ২৯অক্টোবর ২০২০ ধারা ১৪৩/ ৪৫৭/৩২৩/ ৩৮৫/৩৮৬/৩৭৯ /৩০৭ /৫০৬ ( ।।) /৩৪ পেনাল কোড, তার আপন চাচা লাল মিয়া সহ ৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মিথ্যে চাঁদাবাজি সহ বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করেন।

সরজমিনে গিয়ে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবংএই মামলার সাক্ষী গনের সাথে আলাপকালে জানা যায় গত ২৩ অক্টোবর শুক্রবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে ঐ স্থানেএমন কোন ঘটনা আমরা শুনিনি এবং আমাদের ওই মামলার সাক্ষী বানানো হয়েছে, তাও  আমরা জানি না। মামলা কপি হাতে পাওয়ার পর আমরা শুনেছি দেখেছি যে আমাদেরকে সাক্ষী বানানো হয়েছে। সাক্ষীগণ আরো বলেন আমরা আদালতে গিয়ে কারো বিরুদ্ধে মিথ্যে সাক্ষী দিব না।

মামলার বাদী খলিল মুন্সির মা গণমাধ্যমকে জানান, আমি শুনেছি চাঁদা চেয়েছে । তিনি আরো বলেন পূর্বের জমিজমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে এ মামলা করা হয়েছে ।

মিথ্যে চাঁদাবাজি মামলার ১নং আসামী মোহাম্মদ লাল মিয়া মুন্সী গণমাধ্যমকে  বলেন আমার বাবা মকবুল মুন্সির নামে ৪টি গ্রাম রয়েছে। আমরা অত্যন্ত সম্মানী ব্যক্তি আমার মান সম্মান ইজ্জত নষ্ট করার জন্য আমার ভাতিজা খলিল মুন্সি, ফারুক মুন্সী প্ররোচনায় পড়ে তার ইন্দনে আমার বিরুদ্ধে ২লক্ষ টাকার চাঁদাবাজি মামলা দিয়েছে। তিনি আরো বলেন আপনাদের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি সঠিকভাবে তদন্ত করে দেখেন আমি যদি দোষী হই তাহলে আইনে যা হয় তা আমি মাথা পেতে নিব । আর যদি আমি  নির্দোষ হই তাহলে সে বিচারের ভারও আপনাদের কাছে ছেড়ে দিলাম।

সখিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান এর সাথে মুঠোফোনে আলাপকালে গণমাধ্যমকে জানান গত ২৩ অক্টোবর ২০২০ সন্ধ্যা ছয়টার দিকে চরচান্দা মুন্সিকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর নিকটে বা দোকানের পাশে মারামারি বা চাঁদাবাজির  মতো কোনো ঘটনা আমরা শুনেনি এবং সখীপুর থানায় কোনো অভিযোগ ও আসেনি।
 

এই বিভাগের আরো খবর