সোমবার   ১২ জানুয়ারি ২০২৬   পৌষ ২৮ ১৪৩২   ২৩ রজব ১৪৪৭

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
৩১৩

যমুনায় ভাঙন, মসজিদ রক্ষায় যুবকরা

মোঃ নাসির উদ্দিন, ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ

প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২০  

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমুনা নদীর পানি কমলেও ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। ভাঙনের কারণে নদীর তীরবর্তী এলাকাগুলোর শতশত ঘর-বাড়ি ও বসতভিটাসহ অন্যান্য স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এতে করে ভাঙন কবলিত পরিবারের লোকজন প্রতিনিয়ত আরও আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে।

জানা গেছে- সম্প্রতি গেল মাসখানেক আগে কয়েক দফায় যমুনা নদী পানি বৃদ্ধিতে ভয়াবহ বন্যায় গত বছরের তুলনায় এ বছর উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের কষ্টাপাড়া, খানুরবাড়ী, গোবিন্দাসী ও ভালকুটিয়া এলাকায় ব্যাপক ভাঙন দেখা দেয়। ইতিমধ্যে ভাঙনের কবলে পড়ে নদীগর্ভে চলে গেছে শতশত ঘর-বাড়ি ও বসতভিটা।

এলাকাবাসীরা জানায়, ভাঙনরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা নদী ভাঙন পরিদর্শনে ভাঙনরোধের আশ্বাস দিলেও তেমন কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। যার ফলে প্রতিদিনই নদীতে চলে যাচ্ছে বসতভিটা ও ঘরবাড়ি।

এদিকে, যমুনা নদীন ভাঙনের হুমকির মুখে পড়েছে ভালকুটিয়ার নদী তীরবর্তী একটি মসজিদসহ আরও বেশ কয়েকটি ঘর-বাড়ি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা না পেয়ে গত শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে ‘ভালকুটিয়া যুব সমাজ’ নামে একটি সেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে নিজস্ব অর্থায়নে মসজিদ ও পাশে থাকা ঘর-বাড়ি রক্ষায় ও ভাঙনরোধে প্ল্যাস্টিকের বস্তায় মাটি ভর্তি করে ফেলেছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় যুব সমাজের আমিনুল ইসলাম, মো. রাফিকুল ভূইয়া, সায়েম প্রামাণিক ও শরিফ প্রামাণিক জানান, প্রতিবছর বন্যায় নদী তীরবর্তী আমাদের ভালকুটিয়া এলাকাসহ আশ পাশের বিভিন্ন এলাকা ভেঙে নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে। শুধু বন্যাতেই নয়, ভাঙন সারাবছর অব্যাহত থাকে। ফলে ঘর-বাড়ি, মসজিদ-মন্দিরসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীনের আরও আশঙ্কা রয়েছে।

তারা আরও জানান, এ বছর বন্যায় ব্যাপক ভাঙন হয়েছে। ভাঙনের মুখে পড়েছে ভালকুটিয়া মসজিদ। জনপ্রতিনিধিদের ভাঙনরোধে কার্যকর পদক্ষেপ না দেখে আমরা এলাকার তরুণ, যুবক ও বয়োজ্যেষ্ঠরা মিলে মসজিদ রক্ষায় (ভাঙন ঠেকাতে) মার্টির বস্তা ফেলেছি। প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও জনপ্রতিনিধিদের কাছে একটাই দাবি অতিদ্রুত ভাঙনরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়াসহ স্থায়ী বেড়িবাঁধ করে দেয়ার অনুরোধ জানান যুব সমাজ।

এই বিভাগের আরো খবর