মঙ্গলবার   ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬   ফাল্গুন ৪ ১৪৩২   ২৯ শা'বান ১৪৪৭

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
১৪৪

এসএসসি পরীক্ষার হলে চলন্ত ফ্যান খুলে পড়ল শিক্ষার্থীদের উপর

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি,

প্রকাশিত: ৭ মে ২০২৩  

সিরাজগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবার কয়েক মিনিট পূর্বে পরীক্ষার হলে চলন্ত ফ্যান খুলে পড়ে শিক্ষার্থীদের শরীরে। এতে তিন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ার পরে তারা আবারও পরীক্ষায় বসে বলে জানা গেছে। 

সিরাজগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবার কয়েক মিনিট পূর্বে পরীক্ষার হলে চলন্ত ফ্যান খুলে পড়ে শিক্ষার্থীদের শরীরে। এতে তিন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ার পরে তারা আবারও পরীক্ষায় বসে বলে জানা গেছে। 

রোববার (৭ মে) সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে এসএসসি ও সমমানের সাধারণ গণিত পরীক্ষায় শহরের হাজী আহমাদ আলী আলিয়া কামিল এম.এ মাদরাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। আহত তিন শিক্ষার্থী সদরের চিলগাছা দাখিল মাদরাসার শিক্ষার্থী। 
জানা যায়, পরীক্ষা শুরু হবার প্রায় ২০ মিনিট আগে ৯টা ৪০ মিনিটে শ্রেণিকক্ষের একটা ফ্যান চলমান অবস্থায় হঠাৎ খুলে পড়ে। এতে তিন পরীক্ষার্থী আহত হয়। ফ্যনটি পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত ডাক্তার এসে শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। পরে তারা পরীক্ষা দেওয়া শুরু করে এবং ১টা পর্যন্ত পরীক্ষা দেয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কেন্দ্র সচিব ও আলোকদিয়া ইসলামিয়া ফাজিল ডিগ্রি মডেল মাদরাসার অধ্যক্ষ মো. দুলাল হোসেন ঢাকা পোস্টকে বলেন, পরীক্ষা শুরু হবার ২০ মিনিট পূর্বেই কেন্দ্রের ৬ নম্বর কক্ষে ফ্যনটি চলতে চলতে হঠাৎ খুলে পড়ে। এতে তিন শিক্ষার্থী আহত হলেও সেটা গুরুতর না। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং তারা সুস্থভাবে পরীক্ষা দিয়েছে।

হাজী আহমাদ আলী আলিয়া কামিল এম.এ মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আব্দুল মোনয়েম ঢাকা পোস্টকে বলেন, ফ্যানটি বছর তিনেক আগে লাগানো হয়েছে। আজ চলতে চলতে হঠাৎ ভেতরের প্যাচ খুলে পড়ে যায়। এতে তিন শিক্ষার্থীর আঘাত লাগলেও গুরুতর কিছু হয়নি। তবে পরীক্ষার আগে ফ্যানগুলো পরীক্ষা করা হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। 
সিভিল সার্জনের মেডিকেল টিমের কেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার এস.এম মনিরুজ্জামান ঢাকা পোস্টকে বলেন, তিনজন শিক্ষার্থীর মধ্যে একজনের ডান হাতে, একজনের গালে ও আরেকজনের মাথায় একটু হালকা লেগেছে। তবে কেউ গুরুতর আহত হয়নি। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তারা সবাই পরীক্ষা দিচ্ছে। 

এ ব্যাপারে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কাজী সলিম উল্লাহ ঢাকা পোস্টকে বলেন, বিষয়টি আমাকে এখনো জানানো হয়নি। আমি এখনই খোঁজ নিচ্ছি।

এই বিভাগের আরো খবর