ঈদের ছুটি, ভ্রমণ কর ও সরকারি ব্যাংকের কর্মসংস্কৃতি
সাজ্জাদ হোসেন
প্রকাশিত: ৩১ মে ২০১৯
স্বাধীনতার পর যখন ব্যাংকগুলো রাষ্ট্রায়ত্ত করা হয়, তখন বলা হয়েছিল এর মালিক হবে জনগণ। এর লভ্যাংশ ও সেবা দুটোই জনগণ পাবে। কিন্তু পরবর্তীকালে দেখা গেল, জনগণ নয়, একশ্রেণির কর্মকর্তা ও ট্রেড ইউনিয়নের নেতা লাভের গুড় পুরোটাই হজম করেছেন।
একসময় দেখা গেল, স্বৈরাচারী সরকারগুলো ক্ষমতায় থাকার জন্য ব্যাংকের সিবিএকে ব্যবহার করত। এখন সরকারি ব্যাংকে ট্রেড ইউনিয়নের দৌরাত্ম্য অনেকটা কমেছে। কিন্তু বেড়ে গেছে ‘দেশপ্রেমিক’ শিল্পোদ্যোক্তাদের লুটপাট।
তাঁরা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে আর সেটি ফেরত দেন না। ফলে খেলাপি ঋণের চাপে মুমূর্ষু সরকারি ব্যাংকগুলোকে বাঁচিয়ে রাখা হয়েছে জনগণের করের অর্থে মূলধন জুগিয়ে। গত বাজেট পর্যন্ত এই ধারা চলছিল। শোনা যাচ্ছে, এবারেও তাঁরা ভর্তুকি পাচ্ছেন।
কয়েক দিন আগে খবরে বলা হয়েছিল, রাষ্ট্রমালিকানাধীন চার ব্যাংক সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালীর মুনাফায় বড় ধরনের ধস নেমেছে। ২০১৮ সালে ব্যাংক চারটির সম্মিলিত নিট মুনাফার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৯২ কোটি টাকা, যা আগের বছরের চার ভাগের এক ভাগ। মুনাফা কমে যাওয়ার কারণ, ব্যাংকগুলোতে বড় গ্রাহকদের অনেকে খেলাপি ঋণ পুনঃ তফসিল করেও কিস্তি পরিশোধ করছেন না।
ফলে খেলাপি ঋণের বিপরীতে ব্যাংকগুলোকে আয় থেকে বিপুল অর্থ সঞ্চিতি বা প্রভিশন রাখতে হচ্ছে। এ ছাড়া এ চার ব্যাংক গ্রাহকদের যে ঋণপত্র, নিশ্চয়তা বা গ্যারান্টির মতো ‘নন ফান্ডেড’ (নগদ টাকার বাইরে দেওয়ার নিশ্চয়তা) সুবিধা দিয়েছিল, তার একাংশও খেলাপি হয়ে গেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৭ সালে সোনালী ব্যাংকের নিট মুনাফা ছিল ৭০৯ কোটি টাকা, যা ২০১৮ সালে দাঁড়িয়েছে ২২৬ কোটি টাকায়। একইভাবে জনতা ব্যাংকের নিট মুনাফা ২৬৮ কোটি টাকা থেকে কমে হয়েছে ২৫ কোটি টাকা। অগ্রণী ব্যাংকের মুনাফায়ও বড় ধস নেমেছে। ২০১৭ সালের ৬৭৬ কোটি টাকার মুনাফা থেকে গত বছর তা কমে ১০৩ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। অবশ্য বাকি ব্যাংকগুলোর তুলনায় রূপালীর মুনাফা কম হারে কমেছে, ৫০ কোটি টাকা থেকে নেমেছে ৩৮ কোটি টাকায়। এ মুনাফা দেখাতেও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে সঞ্চিতি রাখার ক্ষেত্রে ছাড় নিয়েছে ব্যাংকগুলো।
২.
সরকারি ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ যেমন বাড়ছে, তেমনি কমছে সেবার মান। সাধারণ সেবাপ্রার্থীদের অভিযোগ, বেসরকারি ব্যাংকে যে কাজ করতে ১০ মিনিট লাগে, সরকারি ব্যাংকে লাগে ৬০ মিনিট কিংবা তারও বেশি।
ফলে গ্রাহকেরা বেসরকারি ব্যাংকের দিকে ঝুঁকছেন। মানুষ মনে করে, সরকারি ব্যাংকে হিসাব খোলা মানে বিড়ম্বনা।
সরকারি ব্যাংকে কর্মকর্তাদের ঠিকমতো পাওয়া যায় না। এ কারণে বেসরকারি ব্যাংকে সেবার চার্জ বা খরচ বেশি হওয়া সত্ত্বেও বেশির ভাগ গ্রাহক সেখানে যান। কিন্তু যেসব সেবা শুধু সরকারি ব্যাংকেই আছে সে ক্ষেত্রে দুর্ভোগ অব্যাহত।
বিদেশযাত্রীদের (ভারতে) মধ্যে যাঁরা বিমানে যান, তাঁদের ট্রাভেল ট্যাক্স বা ভ্রমণ কর টিকিটের সঙ্গেই নেওয়া হয়। কিন্তু স্থলপথে যাঁরা ট্রেনে বা বাসে যান, তাঁদের স্থলবন্দরে গিয়ে ব্যাংকের মাধ্যমে ভ্রমণ কর দিতে হয়। কিন্তু বাস ও ট্রেনযাত্রীদের জন্য এ জন্য সমস্যায় পড়তে হয়। স্থলবন্দরে ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়ার সুযোগ থাকলেও সেটি সব সময় খোলা থাকে না।
সকাল ৯টার আগে ও বেলা আড়াইটার পর (রোজার সময়সূচি) ব্যাংক বন্ধ থাকে। এ কারণে স্থলপথের যাত্রীরা ঢাকা থেকে ভ্রমণ কর পরিশোধ করে যান। কিন্তু সেটি করতে গিয়ে প্রত্যেক সেবাপ্রার্থী বিড়ম্বনা ও দুর্ভোগে পড়েন।
ঈদের ছুটিতে সিলেট হয়ে শিলং যাব বলে আগেভাগে বাসের টিকিট কিনেছি। কেননা, ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ ঘোষণা সত্ত্বেও গত চার বছরে ঢাকা গুয়াহাটি বিমান চালু করা হয়নি। এটি দুই সরকারের কারও অগ্রাধিকারে আছে বলেও মনে হয় না। তারা মনে করে, কানেকটিভিটি মানে নেতাদের ঘন ঘন বৈঠক, মোলাকাত।
প্রাইম ট্যুর নামের যে প্রতিষ্ঠানটি ভ্রমণের ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব নিয়েছে, তার প্রধান মোহাম্মদ আমিনুর রহমানই টেলিফোন করে আমাকে পরামর্শ দিলেন ভ্রমণ কর যেন ঢাকায় জমা দিয়ে যাই। না হলে তামাবিলে সমস্যা হতে পারে।
কখন ব্যাংক খুলবে, সে পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তিনি বললেন, তাঁর জানামতে সোনালী ব্যাংকের দুটি শাখায় ভ্রমণ কর নেওয়া হয়। দিলকুশা ও মতিঝিলের প্রধান কার্যালয়।
বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় মগবাজার থেকে রওনা দিয়ে মতিঝিলে পৌঁছালাম ১০টায়। রোজার দিন সকাল সাড়ে ৯টায় ব্যাংক খোলে। ভাবলাম, সদর অফিসে ভিড় বেশি হবে। দিলকুশা শাখায় যাওয়াই সুবিধাজনক হবে।
তিনতলার নির্দিষ্ট ডেস্কে গিয়ে এক ভদ্রলোককে জিজ্ঞেস করলাম, ভ্রমণ কর জমা দিতে এসেছি। তিনি নিরাসক্ত কণ্ঠে বললেন, দেরি হবে। কেন দেরি হবে? বললেন, যিনি কাজটি করেন, তিনি এখনো আসেননি। কখন আসবেন জানতে চাইলে বললেন, জানি না। আপনি সদর অফিসে গিয়ে জমা দিন।
এরপর সদর অফিসে গিয়ে দেখি লম্বা লাইন। ৩০–৩৫ জনের কম নয়। অনেকে বাচ্চাদের নিয়ে এসেছেন। ভেতরে প্রচণ্ড গরম। ২৯ নম্বর কাউন্টারে একজন মাত্র কর্মী ব্যাংকের রসিদ বই নিয়ে বসে আছেন।
ডিজিটাল বাংলাদেশে সরকারি ব্যাংকের বেশির ভাগ কাজ হয় হাতে-কলমে। তিনি সেই রসিদ বইয়ে একাধিক কার্বন পেপার রেখে নাম–ঠিকানা লিখে একটি কপি নিজের কাছে রেখে বাকি দুই পাতা সেবাপ্রার্থীকে দিচ্ছেন।
টাকা গুনে নিচ্ছেন। প্রতি পাসপোর্টে কমপক্ষে দুই মিনিট সময় লাগছে। ৩০ জনের টাকা জমা দিতে লাগছে এক ঘণ্টা। এর মধ্যে লাইন আরও দীর্ঘ হচ্ছে। তাঁর পাশে অন্য কর্মীরা চেয়ারে বসে আছেন। কর্মহীন। কিন্তু সরকারি ব্যাংকে তো একজনের কাজ আরেকজনে করে দেওয়ার নিয়ম নেই। আর সেই নিয়ম যিনি বেঁধে দেবেন, তাঁকেও খুঁজে পাওয়া গেল না।
স্থানীয় শাখার ব্যবস্থাপকের কক্ষে গিয়ে দেখি, চেয়ার খালি। তখন সকাল সাড়ে ১০টা। তাঁর সহকারীকে জিজ্ঞেস করলম, ম্যানেজার সাহেব কোথায়? বললেন, তিনি জ্যামে আটকা পড়ে আছেন। ঘণ্টাখানেক পর ফের ওই কক্ষে গিয়ে জানতে চাই, ম্যানেজার সাহেব এসেছেন। সহকারী বললেন, তিনি এসেছিলেন। এখন বাংলাদেশ ব্যাংকে গিয়েছেন।
ঈদের আগে সোনালী ব্যাংকের প্রধান শাখার ব্যবস্থাপক এভাবে দীর্ঘ সময় অফিসে অনুপস্থিত থাকতে পারেন, ভাবতেও অবাক লাগে। তাঁর পক্ষে সেবাপ্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলবেন, এমন কাউকে পাওয়া গেল না।
তবে সব শাখার ব্যবস্থাপনা এতটা খারাপ নয়। অনেক শাখায় দেখেছি, ব্যবস্থাপকেরা সেবাপ্রার্থীদের কাছে এসে খোঁজ নিচ্ছেন, তাঁদের সাধ্যমতো সহায়তার চেষ্টার করছেন। তাঁদের কারণেই হয়তো সরকারি ব্যাংকে এখনো লালবাতি জ্বলেনি। তবে সরকারি ব্যাংকের এই উদাসীন কর্মসংস্কৃতির পরিবর্তন করা উচিত।
আর বিশাল ঢাকা শহরে গুটিকয়েক কয়েক শাখায় কেন ভ্রমণ কর দেওয়ার ব্যবস্থা থাকবে? কেন সেটি বেশির ভাগ শাখায় নেওয়ার ব্যবস্থা থাকবে না? এই প্রশ্নের জবাব সরকারি ব্যাংকের ব্যবস্থাপকদের কাছে চাওয়া নিশ্চয়ই গুরুতর অপরাধ হবে না।
- দেশের স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করবে বিএনপি-জামায়াত: জামায়াত আমির
- নতুন বই পেয়ে খুশি আবদুল্লাহ আল মামুন আবিদ
- গোবিপ্রবিতে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পেল গবেষণা সংগঠন ‘এসআরডি’
- মোবাইল ফোন আমদানিতে ট্যাক্স কমানো হয়েছে: প্রেস সচিব
- বিটিআরসি ভবনে মোবাইল ব্যবসায়ীদের হামলা
- জয়শঙ্করের ঢাকা সফর ইতিবাচক: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
- রাজনৈতিক সঙ্কটের মাঝেও লিবিয়ায় তরুণদের ডিজিটাল বিপ্লব
- দুই দেশের সম্পর্ক জোরদারে খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণীয় : রাজনাথ
- জিয়া উদ্যানে খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারতে জনতার ঢল
- মনোনয়ন বাতিল হবে, বিকল্পরাই প্রার্থী: সালাহউদ্দিন আহমদ
- বসুন্ধরায় আইনজীবীকে পিটিয়ে হত্যা
- আক্ষেপ মিটল মৃত্যুর আগে: সব মামলা থেকে ‘মুক্ত’ হয়েই বিদায় নিলেন
- নতুন বছরে সুখবর: কমল ডিজেল, পেট্রল ও অকটেনের দাম
- সেনাবাহিনী থেকে গণমাধ্যম, সবাইকে ধন্যবাদ জানালেন তারেক রহমান
- রাজশাহীতে সাতসকালে বালুর ট্রাকের তাণ্ডব: নিহত ৪
- দুবাই যুবদলের উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া
- খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ড. এহসানুল হক মিলনের শোক
- আলুর বাম্পার ফলনের স্বপ্নে কৃষকের, ন্যায্য দামের শঙ্কা
- “মৃত্যুর আগপর্যন্ত ভালোবেসে যাব”: বিচ্ছেদ নিয়ে মুখ খুললেন সালমা
- মোদির ব্যক্তিগত চিঠি তারেক রহমানের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন জয়শঙ্কর
- চিরনিদ্রায় আপসহীন নেত্রী: রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্বামী জিয়ার পাশেই
- আরিয়ানের সঙ্গে প্রেমে জড়ানো কে এই লারিসা?
- সিলেটে বিপিএল ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণে খালেদা জিয়ার গায়েবানা জানাজা
- রশিদ খানকে অধিনায়ক করে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শক্তিশালী দল ঘোষণা
- দ্বিতীয় বিয়ে ও আরবাজের সাথে বিচ্ছেদ
- “যতক্ষণ বেঁচে থাকব, দেশবাসীকে ছেড়ে যাব না”: খালেদা জিয়া
- মুসলিম বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ জানাজা: লাখো মানুষের অশ্রুসিক্ত বিদায়
- খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আজ থেকে ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক
- মায়ের কফিনের পাশে কুরআন তিলাওয়াত করছেন তারেক রহমান
- জানাজা ও দাফন ঘিরে রাজধানীতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা:২৭ প্লাটুন বিজিব
- ঢাকা-৮ এ প্রার্থী না দেওয়ার ঘোষণা ইনকিলাব মঞ্চের
- বড়দিনে আজ মুক্তি পাচ্ছে ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস ৫’-এর নতুন তিন পর্ব
- মোদির ব্যক্তিগত চিঠি তারেক রহমানের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন জয়শঙ্কর
- চাঁপাইনবাবগঞ্জে গীতা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ
- চাঁপাইনবাবগঞ্জে অন্ধ কল্যাণ সমিতির রজতজয়ন্তী উদযাপন
- বিয়ের পিঁড়িতে বসার আগে ‘ব্যাচেলর হানিমুন’
- দেশজুড়ে হাড়কাঁপানো শীত: যশোরে তাপমাত্রা ৮.৮ ডিগ্রি
- প্রয়াত প্রফেসর মুসলিমা খাতুনের স্মরণে ১০জন শিক্ষার্থী পেল বৃত্তি
- ১৬ বছর পর ফিরল জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আজ
- মনোনয়নে উচ্ছ্বসিত জনতা, ঐক্যবদ্ধ বিএনপি—বিজয়ের পথে দৃঢ় প্রত্যয়
- “মৃত্যুর আগপর্যন্ত ভালোবেসে যাব”: বিচ্ছেদ নিয়ে মুখ খুললেন সালমা
- খালেদা জিয়ার প্রয়াণে এভারকেয়ারে কান্নার রোল
- প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা পেছাল
- নাইজেরিয়ায় নামাজের সময় মসজিদে বিস্ফোরণ, প্রাণ হারালেন ৭
- চিরবিদায় ‘আপসহীন নেত্রী’: সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া আর নেই
- বেসরকারি অংশীদারিত্বে চাঁপাইনবাবগঞ্জে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা
- খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশজুড়ে শোকের ছায়া
- জীবনে কোনো নির্বাচনে পরাজিত হননি খালেদা জিয়া
- জিয়া উদ্যানে খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারতে জনতার ঢল
- তারেক রহমানের পোস্ট
এই দেশই ছিল খালেদা জিয়ার পরিবার
- কুরআন হাদিসে কাউকে ‘মুরগী চোরা’ বলার অনুমতি দেওয়া হয়নি
- মহাকাশের জন্ম ও মৃত্যু - ড. মো: হোসেন মনসুর
- তরুণ কন্ঠের নাম ব্যবহার করে অপকর্ম, শীঘ্রই আইনানুগ ব্যবস্থা
- এইডস নিয়ে সচেতনতাই মূল লক্ষ্য
- গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ রেনিটিডিনে মিলল ক্যান্সার সৃষ্টিকারি উপাদান
- প্রযুক্তির অধিক ব্যবহারের সাথে বেড়ে চলেছে অনলাইন প্রতারনা
- আইনের সঠিক ব্যবহার নাকি প্রয়োজন নতুন আইনের?
- বৃহৎ কার্যসিদ্ধির আদ্যপ্রান্তে!
- ইমান আর অনুভূতির জায়গা এক নয় : ব্যারিস্টার তৌফিকুর রহমান
- রমজান মাস স্রষ্টার শ্রেষ্ঠ উপহার
- বঙ্গবন্ধু ও কলকাতার বেকার হোস্টেল
- আপনিও দৈনিক তরুণ কণ্ঠে’র অংশ হয়ে উঠুন, লিখুন তরুণ কণ্ঠে
- ফরিদপুর সুগার মিল নিয়ে কিছু কথা - আমিনুল ইসলাম শান্ত
- ধর্ষণ,তোমার শেষ কোথায়?
- ওয়ারী তালাবদ্ধ এবং বাস্তবতা
