শনিবার   ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬   ফাল্গুন ২ ১৪৩২   ২৬ শা'বান ১৪৪৭

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
২২

ইউনূসের অভিনন্দন তারেক, শফিকুর ও নাহিদকে ধন্যবাদ, ঐক্যের আহ্বান

তরুণ কণ্ঠ অনলাইন

প্রকাশিত: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬  

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের মাধ্যমে নির্বাচনকে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ করে তোলায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান এবং এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে অভিনন্দন, ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

 

নির্বাচিতদের গেজেট প্রকাশের পর আজ শনিবার পৃথক টেলিফোন আলাপে প্রধান উপদেষ্টা এই তিন নেতার সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর পরিমিতি, সংযম ও দায়িত্বশীল আচরণের ফলে নির্বাচন ঘিরে সারা দেশে একটি উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হয়েছে, প্রথমে প্রধান উপদেষ্টা বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে আলাপ করেন এবং তাঁর দলের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজয়ের জন্য অভিনন্দন জানান। পরে শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামকে সাফল্যের জন্য এবং নির্বাচন-পরবর্তী দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের জন্য ধন্যবাদ জানান।

 

প্রধান উপদেষ্টা আশা প্রকাশ করেন, গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে ভবিষ্যতেও রাজনৈতিক দলগুলো একইভাবে সহযোগিতাপূর্ণ ও ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে। দেশের জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বানও জানান তিনি। এর আগে পৃথক বার্তায় এই তিনজনকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন প্রধান উপদেষ্টা।

 

গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন পেয়ে সরকার গঠনের প্রধান দাবিদার এখন বিএনপি। সরকার গঠন করলে দলীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমান পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হবেন বলে দলটি ঘোষণা দিয়ে রেখেছে। ঘোষিত ২৯৭ সংসদীয় আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টিতে জয় পেয়েছে। ফল ঘোষণা স্থগিত থাকা দুটি আসনেও বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন। আর তাঁদের মিত্ররা পেয়েছে তিনটি আসন। অর্থাৎ বিএনপি ও তার মিত্ররা পেয়েছে ২১২টি আসন।

 

অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি আসন। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের অন্য শরিকেরা পেয়েছে ৯টি আসন। অর্থাৎ জামায়াত ও তার মিত্ররা পেয়েছে ৭৭ আসন। ইতিমধ্যে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। তিন-চার দিনের মধ্যে নতুন সরকারের শপথ হবে বলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানিয়েছেন। প্রধান উপদেষ্টার এই টেলিফোন আলাপ ও অভিনন্দন বার্তা নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সহযোগিতার বার্তা হিসেবে গুরুত্ব পেয়েছে।

এই বিভাগের আরো খবর