তরুণ কণ্ঠ প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ১১ মিনিট আগে, ১০:২২ এ এম

অনলাইন সংস্করণ

ন্যায়বিচার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ ছাড়া টেকসই শান্তি অসম্ভব: জাতিসংঘে আইরিন জুবাইদা খান

সমাজে ন্যায়বিচার, সমতা, মানবাধিকার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা ছাড়া টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তোলা সম্ভব নয় বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আইরিন জুবাইদা খান। একইসঙ্গে বিশ্বব্যাপী শান্তি বিনির্মাণে নারীর নেতৃত্বকে সামনে এগিয়ে নিতে সমন্বিত বৈশ্বিক প্রচেষ্টা জোরদারের জোর দাবি জানান তিনি।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আয়োজিত ‘শান্তির সংস্কৃতিবিষয়ক কর্মসূচির উচ্চপর্যায়ের ফোরাম’-এ বক্তব্য প্রদানকালে এসব কথা বলেন বাংলাদেশ প্রতিনিধি।

ফোরামে দেয়া বক্তব্যে আইরিন খান শান্তি প্রক্রিয়ায় নারীর নেতৃত্বকে সুদৃঢ় করতে তিনটি প্রধান অগ্রাধিকারের কথা গুরুত্বের সাথে তুলে ধরেন। এগুলো হলো—

১. শান্তি প্রক্রিয়ার প্রতিটি পর্যায় ও সিদ্ধান্তে নারীর পূর্ণ, সমান এবং অর্থবহ অংশগ্রহণ বাস্তবায়ন করা;

২. কিশোরী ও তরুণ নারীদের নেতৃত্বের সার্বিক বিকাশে, বিশেষ করে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার ও ডিজিটাল সাক্ষরতা বৃদ্ধিতে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ বাড়ানো; এবং

৩. সংঘাত প্রতিরোধ, মানবিক সহায়তা, সামাজিক সংহতি ও কমিউনিটি পর্যায়ে শান্তি বিনির্মাণে যুক্ত নারী-নেতৃত্বাধীন সামাজিক সংগঠনগুলোকে টেকসই ও লক্ষ্যানুযায়ী সহায়তা প্রদান করা।

রাষ্ট্রদূত আইরিন খান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "আন্তর্জাতিকভাবে 'নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা' এজেন্ডা থাকলেও বাস্তবক্ষেত্রে শান্তি প্রক্রিয়ায় নারীর প্রতিনিধিত্ব এখনো পর্যাপ্ত নয়। এমনকি নিজেদের জীবন ও ভবিষ্যৎ-সম্পর্কিত প্রধান প্রধান সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রগুলোতেও নারীদের ক্রমাগত উপেক্ষিত রাখা হয়।"

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশি নারী শান্তিরক্ষীদের বীরত্বপূর্ণ অবদানের কথা স্মরণ করে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান পুনর্ব্যক্ত করেন যে, তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত মানবাধিকার ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের অঙ্গীকার সুদৃঢ় ও অব্যাহত থাকবে।

মন্তব্য করুন